corona virus btn
corona virus btn
Loading

প্রিয় ফুটবলার ছিলেন বলরাম, সোমেন মিত্রর প্রয়াণে অভিভাবক হারাল ময়দান

প্রিয় ফুটবলার ছিলেন বলরাম, সোমেন মিত্রর প্রয়াণে অভিভাবক হারাল ময়দান

ময়দানে তাঁর আধিপত্য ছিল একচ্ছত্র। লাল-হলুদ, সবুজ-মেরুন, সাদা-কালো... ময়দানের তিন প্রধানে নিরঙ্কুশ দাপট ছিল সোমেন মিত্রর।

  • Share this:

#কলকাতা : রাজনীতির সঙ্গে তিনি ময়দানেরও। বটতলা, ক্লাব সংগঠন সোমেন মিত্রকে টানত একই রকম ভাবে। রাজনীতির আঙিনায় দাগ কাটার আগে থেকে ময়দানের সঙ্গে যোগ। ছয়ের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে খেলা দেখতে নিয়মিত বসতেন সবুজ গ্যালারিতে। পছন্দের ফুটবলার ছিলেন তুলসীদাস বলরাম। এর পরের কাহিনীটা অবশ্য সবার জানা। ময়দানে তাঁর আধিপত্য ছিল একচ্ছত্র। লাল-হলুদ, সবুজ-মেরুন, সাদা-কালো... ময়দানের তিন প্রধানে নিরঙ্কুশ দাপট ছিল সোমেন মিত্রর।

ইস্টবেঙ্গলে জীবন-পল্টু, মোহনবাগানে টুটু বসু, মহমেডানে মীর মহম্মদ ওমর।  সোমেন মিত্রর অনুগামী বা ঘনিষ্ঠরাই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জাঁকিয়ে বসেছেন কলকাতার তিন প্রধানে। ময়দানে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ছোড়দার আধিপত্য।

প্রয়াত নেতার স্মৃতিচারণায় ইস্টবেঙ্গল শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার বলছিলেন,‌"পল্টুদার সঙ্গে সম্পর্কটা ছিল দেওয়ার। এমন গভীর বন্ধুত্ব আমি দেখিনি। গত বছরেও পল্টুদা জন্মদিনে ক্লাবে  এসেছিলেন। আজও যে ক্লাব  তাঁবুতে বসে আছি, তা তৈরিতেও তো সোমেনদারই অবদান।"

মোহনবাগান সচিবের মনে পড়ে সেই দিনটা... মহমেডান থেকে চিবুজার, ক্রিস্টোফারকে তুলে এনে সই করাতে গিয়ে মহমেডানের ওমরের লোকজনের হাতে আটকে পড়েছিলেন। সে যাত্রায় সোমেন মিত্র সহায় হয়েছিলেন আজকের মোহনবাগান সচিবের। বলছিলেন, "বাবার সঙ্গে সোমেন কাকুর সখ্যতা ছিল দেখার মতো। যশোরের বাঙাল হলেও আমাদের মত খাস ঘটি বাড়ির সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিল গলায় গলায়।" বাগানের  ক্লাব রাজনীতিতেও বন্ধুর পাশে থেকেছেন প্রয়াত নেতা।

সাদা-কালোয় মীর মহম্মদ ওমরের জমানায় ক্লাব চালাতেন সহ-সচিব ওমর খান। সোমেন মিত্রের স্মৃতিচারণায় মীর মোহাম্মদ ওমরের ঘনিষ্ঠ ওমর খান বলছিলেন,"ওমর ভাইয়ের সঙ্গে ওঁর বাড়িতে অনেকবার গিয়েছি। একটা সম্পর্ক তৈরি হয়ে গিয়েছিল। মহমেডানের জন্য সোমেনদা ছিলেন দরাজ দিল। সেই যে'বার গ‍্যালারি ভেঙে পড়ল, সোমেনদা সেদিন না থাকলে আরও বড় বিপদ ঘটতে পারত।"

সোমেন মিত্রর অনুপস্থিতিতে বাংলার কংগ্রেস হল কান্ডারীহীন আর ময়দান হারাল তার অভিভাবককে...একজন ভালবাসার মানুষকে।

Paradip Ghosh

Published by: Rukmini Mazumder
First published: July 31, 2020, 1:40 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर