• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • Burj Khalifa Sandesh: বুর্জ খলিফা দর্শন নয়, চেখে দেখতে ভিড় ফেলু মোদকে

Burj Khalifa Sandesh: বুর্জ খলিফা দর্শন নয়, চেখে দেখতে ভিড় ফেলু মোদকে

বুর্জ খলিফা সন্দেশ৷

বুর্জ খলিফা সন্দেশ৷

নানা স্বাদের এই মিষ্টি আপাতত প্রতিদিন মিলবে ফেলু মোদকের দোকানে। স্পেশাল অর্ডার দিতে পারেন আপনিও (Burj Khalifa)। 

  • Share this:

#চন্দননগর: দুর্গা পুজোর আনন্দকে দ্বিগুণ করে তুলেছিল শ্রীভূমির বুর্জ খলিফা। পুজোর পরেও কিন্তু বুর্জ খলিফায় বুঁদ শহর। আর সেই কারণেই ভাইফোঁটার সন্ধ্যাতেও বাংলা মাতাতে বুর্জ খলিফা সন্দেশ নিয়ে তৈরি ছিল চন্দননগরের বিখ্যাত মিষ্টি বিপণী ফেলু মোদক (Burj Khalifa Sandesh)। ইতিমধ্যেই বিশালাকার বুর্জ খলিফা সন্দেশ (Burj Khalifa SandeSH) বানিয়ে নজির গড়েছে জনপ্রিয় এই মিষ্টির দোকান।

ফেলু মোদকের কর্ণধার অমিতাভ দে জানিয়েছেন, চার থেকে পাঁচ কেজি ক্ষীর দিয়ে ওই বুর্জ খলিফা মিষ্টি (Burj Khalifa Sandesh) তৈরি করা হয়েছিল। আর সেই মিষ্টি এতটাই বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে যে ভাইফোঁটার সন্ধ্যাতেও বুর্জ খলিফা চেখে দেখতে ভিড় জমেছে ফেলু মোদকের বিপণীতে।

আরও পড়ুন: দাম মাত্র ১০ টাকা! ভাইফোঁটার আগে ক্ষীরপাইয়ের বাবরসা মিষ্টি পাড়ি দিচ্ছে জেলায় জেলায়...

অমিতাভ জানিয়েছেন, 'আমরা সবসময়ই নতুন ধরনের মিষ্টি তৈরি করি। দুরন্ত এক্সপ্রেসের আদলে মিষ্টি বানিয়েছিলাম আমরা। রবীন্দ্রনাথের মডেল তৈরি করা হয়েছিল। বাইরে থেকে খেলোয়াড়রা যখন আসেন তখনও তাঁদের মডেল তৈরি করা হয়। পেলে, মারাদোনার ক্ষেত্রেও মডেল তৈরি করা হয়েছিল। এবারে বুর্জ খলিফা তৈরি করা হল।'

জানা গিয়েছে, একটি বিশেষ অর্ডার পেয়েই ফেলু মোদক ওই সন্দেশ তৈরি করেছিল প্রথমে। অমিতাভ বলেন, 'শ্রীভূমির বুর্জ খলিফা এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল যে ওই মিষ্টি বানাতেই হতো। প্রায় পাঁচ থেকে ছ’ কিলো ক্ষীর দিয়ে ওই মিষ্টি তৈরি করতে দু' দিন সময় লাগছে।'

কর্ণধারের কথায়, 'এই আকারের মিষ্টি তো সেভাবে বিক্রি হয় না। সেই কারণে ওভাবে দাম ফেলা হয়নি। কলকাতায় বুর্জ খলিফা নিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। আর তার উপর অর্ডার এসেছে, সেই কারণেই বানানো। তবে এর দাম আনুমানিক সাত হাজার টাকা। হাতের কাজটাই বড়। কারণ, এই মিষ্টির তো ছাঁচ হয় না। ফলে ছবি দেখেই মিষ্টি বানাতে হয়। যথেষ্ট উঁচু হয়েছে মিষ্টিটি। চেষ্টা করা হয়েছে শ্রীভূমির বুর্জ খলিফাকে তুলে ধরার। কিছুটা ফুড কালার ব্যবহার করা হয়েছে। চকলেট, ব্লুবেরির কালার ও ফ্লেভার ব্যবহার করা হয়েছে।'

কালী পুজায় অবশ্য এই মিষ্টি বিক্রি হয়েছে ছোট আকারের ৫০ টাকা দরে।অমিতাভের সংযোজন, 'বুর্জ খলিফার সামনেটা কাঁচের। মিষ্টিতে তো আর সেটা করা সম্ভব নয়, সেই কারণেই পিছনে একটা স্ট্রাকচার তৈরি করা হয়েছে। প্রায় আড়াই থেকে তিন ফুটের ওই স্ট্রাকচারের উপর ভর দিয়েই বুর্জ খলিফাটাকে দাঁড় করানো হয়েছে। উপর থেকে বুর্জ খলিফাকে যেমন দেখতে, সেটাই দেখতে পাওয়া যাবে।"

আর এটাই মানুষকে আরও বেশি উৎসাহিত করেছে এই মিষ্টি নিয়ে। ভাইফোঁটার পরে যদি কেউ অর্ডার করতে চান? উত্তরে অমিতাভ দে বলেন, 'অর্ডার নেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে দাম আরও কিছুটা কমানোর কথা ভাবছি আমরা।'

বিজয়ার মরশুমে তাক লাগানোর পর ভাইফোঁটাতেও বুর্জ খলিফা সন্দেশ বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ফেলু মোদক। অমিতাভ বলেন, 'ভাইফোঁটাতেও এই মিষ্টি তৈরির চেষ্টা করছি আমরা। যেটা ৫০ টাকার মধ্যে ছিল। বোনেরা নিজের ভাইকে এই সন্দেশ উপহার দিতে পেরেছেন।' তিনি জানিয়েছেন, ভাইফোঁটা স্পেশাল বুর্জ খলিফার ক্ষেত্রে চার পাঁচটি ফ্লেভার পেয়েছেন মিষ্টি প্রেমীরা। চকলেট, স্ট্রবেরি, ম্যাঙ্গো, পেস্তার মতো একাধিক ফ্লেভারে বিকিয়েছে এই সন্দেশ।

Published by:Debamoy Ghosh
First published: