• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • Shantanu Moitra: গোমুখ থেকে গঙ্গাসাগর, ৩০০০ কিমি পথ পাড়ি দিয়ে পিতৃতর্পণ ও প্রয়াত বাবাকে শ্রদ্ধার্ঘ্য সুরকার শান্তনুর

Shantanu Moitra: গোমুখ থেকে গঙ্গাসাগর, ৩০০০ কিমি পথ পাড়ি দিয়ে পিতৃতর্পণ ও প্রয়াত বাবাকে শ্রদ্ধার্ঘ্য সুরকার শান্তনুর

‘‌অনন্ত যাত্রা’‌ নামে এই সৌধের ওপর থাকবে তুলসি গাছের চারা

‘‌অনন্ত যাত্রা’‌ নামে এই সৌধের ওপর থাকবে তুলসি গাছের চারা

Shantanu Moitra: যাত্রাপথে বিভিন্ন এলাকায় পিতৃতর্পণ সেরেছেন। মঙ্গলবার সকালে গঙ্গাসাগরের শ্রীধাম স্কুল প্রাঙ্গণে স্থাপিত হয়েছে শান্তনুর প্রয়াত পিতা-‌সহ কোভিডে মৃত এক হাজার মানুষের ছবিকে ধারণ করে থাকা একটি স্মৃতিসৌধ

  • Share this:

    গঙ্গাসাগর:‌ গত দু’‌মাস আগে গোমুখ থেকে সাইকেলে যাত্রা শুরু করেছিলেন প্রখ্যাত সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক শান্তনু মৈত্র। প্রায় তিন হাজার কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে সোমবার সন্ধ্যায় পৌঁছন গঙ্গাসাগরে। সঙ্গী তাঁর মা ও স্ত্রী। আড়াই মাস আগে শান্তনু মৈত্রের বাবা করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান। বাবাকে শেষ বারের মতো দেখতেও পাননি সুরকার৷ সেই যন্ত্রণা তাঁকে বিদ্ধ করে প্রতি মুহূর্তে৷ তারপর বাবাকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানোর জন্য গঙ্গার গতিপথ ধরে সাইকেল চালাতে শুরু করেন।

    আরও পড়ুন : জীবনের সেরা শ্যুটিং ! শের দিল থেকে জানালেন সৃজিত

    যাত্রাপথে বিভিন্ন এলাকায় পিতৃতর্পণ সেরেছেন। মঙ্গলবার সকালে গঙ্গাসাগরের শ্রীধাম স্কুল প্রাঙ্গণে স্থাপিত হয়েছে শান্তনুর প্রয়াত পিতা-‌সহ কোভিডে মৃত এক হাজার মানুষের ছবিকে ধারণ করে থাকা একটি স্মৃতিসৌধ। ‘‌অনন্ত যাত্রা’‌ নামে এই সৌধের ওপর থাকবে তুলসি গাছের চারা। স্কুলের পড়ুয়াদের পরিচর্যায় আগামী দিনে বেড়ে উঠবে তুলসি গাছগুলি। স্মৃতিতর্পণের সাক্ষী হয়ে।

    আরও পড়ুন : ভারতের বুকে ৮৩ আবার নেমে এল ! 83-র ট্রেলার দেখেই মুগ্ধ দর্শক

    তাঁর এই যাত্রাপথে বিভিন্ন প্রিয়জন হারানো স্বজনরা তাঁকে ছবি পাঠিয়েছিলেন। সেই ছবিগুলি স্মৃতিসৌধে রাখা আছে। বাবা জীবিত থাকতে গোমুখ থেকে গঙ্গাসাগরে সাইকেল যাত্রা পরিকল্পনা করছিলেন সুরকার। তারপরেই বাবার মৃত্যু সব ওলটপালট করে দেয়।

    আরও পড়ুন : মিলছে খুনের হুমকি, FIR দায়ের করলেন কঙ্গনা রানাওয়াত

    এই যাত্রাপথের কথা বলতে গিয়ে বার বার প্রয়াত বাবার কথাই উঠে এসেছে শান্তনু মৈত্রের গলায়। আগামীতে সাইকেল যাত্রা নিয়ে একটি ওয়েব সিরিজ ও মিউজিক অ্যালবাম প্রকাশিত হবে। শান্তনু মৈত্র‌ বলেন, ‘‘এই জার্নির কথা কোনদিন ভোলার নয়। কত অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেগুলিও মনে থাকবে। আমার নিজের যাত্রা একসময় সর্বজনীন হয়ে গেছে। শুধু বাবার প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাইনি। কোভিডে মৃত লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রতি এই শ্রদ্ধাঞ্জলি। হাজার মানুষের ছবি পেয়েছি। তাঁদেরকে সৌধের মধ্যে জায়গা করে দিয়েছি। ওই ছবির মধ্যে আছে তুলসির বীজ। যা আগামী দিনে চারা গাছে পরিণত হবে। এছাড়া আজ আমি বিভিন্ন সঙ্গমের পুণ্য জল এই সৌধে দিলাম।’’‌

    (প্রতিবেদন-অর্পণ মণ্ডল)

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published: