Sonarpur Municipality: সোনারপুর পুরসভায় 'পোশাক ফতোয়া'! রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে...

সোনারপুর পুরসভায় 'পোশাক ফতোয়া'। ফাইল ছবি।

পুরসভায় আসতে হলে পরতে হবে শালীন পোশাক। অশালীন বা দৃষ্টিকটূ পোষাক পরে পুরসভার কার্যালয়ে প্রবেশ করা যাবে না।

  • Share this:

    #সোনারপুর: পুরসভায় (Municipality) আসতে হলে পরতে হবে শালীন পোশাক। অশালীন বা দৃষ্টিকটূ পোষাক পরে পুরসভার কার্যালয়ে প্রবেশ করা যাবে না। সাধারণ মানুষের জন্য এমনই পোষাক ফতোয়া জারি করেছে রাজপুর-সোনারপুর পুরসভা (Rajpur-Sonarpur Municipality)। পুরসভার প্রবেশদ্বারে এ জন্য পোষ্টার লাগিয়েছে পুর আধিকারিকরা। যা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক দেখা দিয়েছে সোনারপুরে। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজাও। বিরোধীদের বক্তব্য, রাজ্যের কোনও পুরসভাতেই এমন ভাবে পোশাক-পরিচ্ছদ নিয়ে বিধিনিষেধ জারি করা হয়নি। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে রাজপুর-সোনারপুর পুরসভা পরিষেবা নিতে আসা মানুষকে কী এমন নির্দেশিকা দিতে পারে কিনা তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

    পুরসভা সূত্রে খবর, রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার রাজপুর কার্যালয়ে সম্প্রতি বেশ কিছু মানুষ বার্মুডা, হাফপ্যান্ট পরে কার্যালয়ে আসছেন বিভিন্ন নাগরিক পরিষেবা নিতে। সেই অবস্থাতেই অনেকে চেয়ারে বসে পায়ের ওপর পা তুলে ঘন্টার পর ঘণ্টা বসে থাকছেন। তাতে শুধু পুরকর্মী নয় পরিষেবা নিতে আসা অন্যান্য মানুষের বিশেষ করে মহিলাদের অস্বস্তি বাড়ছে। সেই কারণেই এই ফতোয়া। হ্যাফপ্যান্ট বা বার্মুডা পরে আসা নাগারিকদের ফেরত পাটাচ্ছে গেটের দায়িত্বে থাকা রক্ষীরা।

    দক্ষিণ ২৪ পরগণার (পূর্ব) বিজেপির সভাপতি সুনীপ দাস বলেন, ‘পুরসভা কর্তৃপক্ষ এ ভাবে পোষাক ফতোয়া দিতে পারেন না, তালিবানিরা এমন ফতোয়া দেয়। বরং পুরসভা নিজের কাজটা ঠিক করে করুক। কীভাবে জমা জল বার করা যায়, এলাকার উন্নয়ন করা যায় সেদিকে নজর দিক।বিরোধীদের মন্তব্যকে চাঁচাছোলা ভাষায় বিদ্রুপ করে রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার প্রশাসক পল্লব দাস বলেন, ‘এমন কিছু পোশাক না পরেই আসা উচিত যা দৃষ্টি কটু লাগে। আগামীদিনে যাতে অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য রাজপুর সোনারপুর বাজার অফিস এমন উদ্যোগ নিয়েছে।'

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: