হোম /খবর /দক্ষিণবঙ্গ /
বাড়ির কাছের স্টেশনে ট্রেন দাঁড়ালেও নামতে দেওয়া হল না যাত্রীদের! দুর্ভোগে নাজেহাল

বাড়ির কাছের স্টেশনে ট্রেন দাঁড়ালেও নামতে দেওয়া হল না যাত্রীদের! দুর্ভোগে নাজেহাল যাত্রীরা

বোর্ডের তরফে এটাও জানানো হয়েছে, নিয়মিত টাইম টেবিলে থাকা ০১.০৭.২০২০ থেকে ১২.০৮.২০২০ পর্যন্ত সমস্ত বুক করা ট্রেনের টিকিট বাতিল করা হয়েছে এবং সেই বাবদ যাবতীয় অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।

বোর্ডের তরফে এটাও জানানো হয়েছে, নিয়মিত টাইম টেবিলে থাকা ০১.০৭.২০২০ থেকে ১২.০৮.২০২০ পর্যন্ত সমস্ত বুক করা ট্রেনের টিকিট বাতিল করা হয়েছে এবং সেই বাবদ যাবতীয় অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।

  • Last Updated :
  • Share this:
বর্ধমান: নির্দিষ্ট স্টেশনে যাত্রীদের নামতে দেওয়া হচ্ছে না বিশেষ ট্রেন থেকে।হাওড়া,হুগলি,পূর্ব মেদিনীপুরের, যাত্রীদেরও পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে বর্ধমানে। সমস্যায় পড়তে হচ্ছে জেলা প্রশাসনকে। হয়রান হচ্ছেন যাত্রীরাও।তার জেরে রেলের আধিকারিক, আরপিএফ জিআরপির পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত  বর্ধমান সার্কিট হাউসে দীর্ঘ বৈঠক হয়। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, প্রয়োজনে সব ব্যবস্থা করা হবে। তবে সব কাজ হোক আগাম পরিকল্পনা অনুযায়ী সমন্বয়ের ভিত্তিতে।সোমবার অন্ধপ্রদেশ থেকে বিশেষ ট্রেনে এসে হয়রানির স্বীকার হন পরিযায়ী শ্রমিকরা। রাতে বর্ধমান স্টেশনে ট্রেন দাঁড়াতেই নেমে পড়ে কয়েকশ পরিযায়ী শ্রমিক।  নদীয়া,পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিন ২৪ পরগনা,হাওড়া হুগলি সহ বেশ কিছু জেলার শ্রমিকরা নেমে পড়েন।ট্রেনটি বিজয়ওয়ারা থেকে জলপাইগুড়ি যাচ্ছিল।শ্রমিকদের অভিযোগ বাংলায় ট্রেন যাবে বলে তাদের ওই ট্রেনে তুলে দেওয়া হয়। কিন্তুখড়গপুর,সাঁতরাগাছি ও ডানকুনিতে ট্রেন দাঁড়ালেও তাদের সেখানে নামতে দেওয়া হয় নি। তাতে হয়রানির কথা ভেবে চিন্তায় পড়ে যান শ্রমিকরা। অবশেষে বর্ধমান স্টেশনে ট্রেন দাঁড়ালে কয়েকশ শ্রমিক নেমে পড়ে। এখানে নামতে না পারলে তাদের জলপাইগুড়ি নিয়ে চলে যেত ট্রেন। এমনটাই জানিয়েছেন যাত্রীরা।বর্ধমান স্টেশনে ট্রেন থামার আগাম কিছু তথ্য ছিল না জেলা প্রশাসনের কাছে। ফলে তেমন প্রস্তুতিও ছিল না। হঠাৎ কয়েকশো শ্রমিক নেমে পড়ার খবর আসে। তড়িঘড়ি তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। তাদের জন্য বাসের ব্যবস্থা করা হয়। তাদের জেলায় জেলায় পৌঁছে দিতে প্রচুর সময় লেগে যায়। যাত্রীরা বলেন, খড়গপুর, সাঁতরাগাছি বা ডানকুনিতে নামলে খুব তাড়াতাড়ি আমরা বাড়ি পৌঁছতে পারতাম। আমাদের বাড়ি সেই সব স্টেশনের কাছাকাছি। অথচ আমাদের সেখানে নামতেই দেওয়া হল না। আরও কয়েক ঘন্টা ট্রেন জার্নি সহ্য করতে হল। এরপর আবার জেলায় পৌঁছতে বাসের ধকল সহ্য করতে হবে। বর্ধমানে নামতে না পারলে দুর্ভোগ আরও কয়েক গুন বাড়তো।সোমবারের ঘটনার পুনরাবৃত্তি এড়াতেই এই বৈঠক বলে জানা গিয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী বলেন, প্রয়োজনে যাত্রীদের জন্য খাওয়া থেকে বাড়ি পাঠানো সব ব্যবস্থা করা হবে। তবে সেসব তথ্য আগাম জানা থাকলে সব পক্ষেরই সুবিধা।Saradindu Ghosh
Published by:Elina Datta
First published:

Tags: Corona outbreak at Kolkata, Corona Virus, Corona virus panic, COVID-19