Suvendu Attacked Mamata: 'আমার নাম নেওয়ার ক্ষমতা নেই', কার উদ্দেশ্যে এমন হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর?

Suvendu Attacked Mamata: 'আমার নাম নেওয়ার ক্ষমতা নেই', কার উদ্দেশ্যে এমন হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর?

শুভেন্দুর নিশানায় কে?

পালটা প্রতিক্রিয়ায় তৃণমূল নেত্রীকে কটাক্ষ করতে গিয়ে শুভেন্দুর গলায় হুঁশিয়ারির সুর শোনা গিয়েছে।

  • Share this:

    #নন্দীগ্রাম: তাঁকে গদ্দার, মীরজাফর বলে সুর চড়াচ্ছেন তাঁর বিরুদ্ধ দলের প্রার্থী। যে সে প্রার্থী নন, স্বয়ং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম নিচ্ছেন না বটে, তবে মমতার এই 'গদ্দার' বা 'মীরজাফর' আক্রমণের নিশানা যে শুভেন্দু অধিকারী, তার জন্য কোনও রকেট সায়েন্স বোঝার প্রয়োজন পড়ে না। গত ডিসেম্বরে শুভেন্দু দল ছেড়ে পদ্ম শিবিরে গেলেও স্বয়ং মমতা হালফিলে তাঁকে প্রবল আক্রমণ শুরু করেছেন। বিশেষত, গতকাল, রবিবার শুভেন্দুর বাবা শিশির অধিকারীও বিজেপির খাতায় নাম লেখানোয় সহ্যের বাধ ভেঙেছে মমতার। আক্ষেপ ব্যক্ত করে বলেছেন, ''আমি তো গাধা ছিলাম। বিশ্বাস করে গিয়েছি, ভালোবেসেছি নিঃস্বার্থভাবে। আর এখন তো শুনছি সম্পত্তি নাকি ৫০০০ কোটি টাকার। এত টাকা কোথা থেকে এল?'' সেই বিষয়ে এবার পালটা প্রতিক্রিয়ায় তৃণমূল নেত্রীকে কটাক্ষ করতে গিয়ে শুভেন্দুর গলায় হুঁশিয়ারির সুর শোনা গিয়েছে।

    সোমবার নন্দীগ্রামে ৯টি সভা করবেন শুভেন্দু। অর্থাৎ, সারাদিনই নন্দীগ্রামের নানা প্রান্তে ঘুরে বেড়াবেন তিনি। তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আক্রমণের প্রসঙ্গে প্রচারের ফাঁকেই শুভেন্দু বলেন, 'উনি আমার নাম নিতে পারছেন না। আগে তাঁর নিজের তোলাবাজ ভাইপোর দিকে তাকানো উচিৎ। আমি ও আমার পরিবার কেমন, তা পূর্ব মেদিনীপুরের মানুষ জানেন।'

    গতকালই বেনজির আক্রমণ শানিয়ে অধিকারী পরিবারকে নিশানা করে তিনি বলেন, 'এবারের ভোট গদ্দারদের বিরুদ্ধে ভোট, মীরজাফরদের ছেড়ে কথা বলবেন না। মনে রাখবেন, বিজেপি একটা ডাকাত পার্টি, সিপিএমের হার্মাদ আর আমাদের কিছু গদ্দাররা জুটেছে।' হাইভোল্টেজ ভোটের আগে পারদ চড়ছে নন্দীগ্রামের। বিভিন্ন সময়ে অশান্তও হয়ে উঠছে জমি আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গোটা দেশের নজরে উঠে আসা নন্দীগ্রাম। সেই নন্দীগ্রাম থেকেই এবার লড়াই মমতা বনাম শুভেন্দুর। এহেন প্রেক্ষাপটে মমতার মুখে উঠে এসেছে আশঙ্কার কথাও। তিনি বলেছেন, 'বহিরাগত গুণ্ডাদের কিন্তু এলাকায় ঢুকতে দেবেন না। ভোটের মেশিন খারাপ হলে ধৈর্য্য ধরে বসে থাকবেন। কিন্তু ছেড়ে চলে যাবেন না। ভোট হয়ে যাওয়ার পরও পাহারা দিতে হবে সহকর্মীদের। ২০-৩০ জন করে ছেলে-মেয়ে নিয়মিত এলাকা পাহারা দেবে। যাতে কোনওভাবে ভোট মেশিন দখল করতে না পারে।' গোটা রাজ্যের নিরিখে মমতা এমন কথা বললেও তা যে নন্দীগ্রামের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, তা একপ্রকার স্পষ্টই।

    তবে, মমতা যখন তৃণমূলের একমাত্র মুখ হয়ে গোটা রাজ্য দাপাচ্ছেন, শুভেন্দু তখন কার্যত আটকে আছেন নন্দীগ্রামেই। সোমবারই নন্দীগ্রামের ৯ সভা-মিছিল করার কথা শুভেন্দুর। সেই প্রচারের ফাঁকেই বারবার তিনি নিশানা করছেন 'মাননীয়া' ও তাঁর 'তোলাবাজ ভাইপোকে'। এদিনও তার অন্যথা হয়নি।

    Published by:Suman Biswas
    First published: