ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব! পদ্মে পা রেখেই অমিতে মুগ্ধ শিশির

ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব! পদ্মে পা রেখেই অমিতে মুগ্ধ  শিশির

অমিত শাহের প্রশংসায় শিশির

বিজেপিতে যোগ দিয়েই শিশির বললেন, 'ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব অমিত শাহ। আর নরেন্দ্র মোদির নেতার নেতৃত্বেই আসবে বাংলার পরিবর্তন।'

  • Share this:

    #এগরা: জল্পনা আর ছিল না। মেজো ছেলে শুভেন্দু যেদিন বলে দিয়েছিলেন, 'অমিত শাহের সভাতে যাবেন শিশির বাবু', সেদিনই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, তৃণমূল সাংসদ শিশির অধিকারী শেষমেশ যাচ্ছেন বিজেপিতেই। অবশেষে রবিবার এল সেই দিন। এগরায় অমিত শাহের সভায় বিজেপিতে যোগ দিয়েই শিশির বললেন, 'ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব অমিত শাহ। আর নরেন্দ্র মোদির নেতার নেতৃত্বেই আসবে বাংলার পরিবর্তন।'

    যদিও শিশির অধিকারীর বিজেপিতে যাওয়া নিয়ে সংশয় তেমন ছিলই না। ডিসেম্বরে শুভেন্দু যেদিন মেদিনীপুরে অমিত শাহের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন, সেদিনই অধিকারী পরিবারের বাকিদের 'নতুন' দলে যাওয়া নিয়ে একপ্রকার নিশ্চিত ছিলেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের প্রায় সকলেই। এদিন অবশ্য শিশির দাবি করেছেন, 'রাজনীতি তো করতে হবে, বাঁচতে তো হবে৷' কেন তিনি বিজেপিতে? শিশির অধিকারীর যুক্তি, 'আমরা ফুটপাথের লোক, সংগ্রামের লোক৷ মেদিনীপুরের ইজ্জত বাঁচানোর জন্য লড়ছি৷ মেদিনীপুরের বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য লড়ব৷ আমাকে চরম অপদস্থ করা হয়েছে৷ তৃণমূলই আমাকে ধাক্কা মেরে বিজেপি-তে পাঠাল৷'

    একই সঙ্গে শাহি মঞ্চ থেকে শিশির আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, 'এটা আমার আত্মসম্মানের লড়াই, চিরকাল লড়াই করেছি, আগামী দিনেও লড়ব।' আর নন্দীগ্রাম? শুভেন্দুর জেতার সম্ভাবনা কতটা? শিশিরের দাবি, 'শুভেন্দু বিপুল ভোটে জিতবে। আমরাই নন্দীগ্রামে মমতাকে এনেছি। নন্দীগ্রামের মানুষ জানে আমরা ত্যাগী নাকি ভোগী!নন্দীগ্রামে জিতবেন শুভেন্দুই। পূর্ব মেদিনীপুরে সাফ হয়ে যাবে তৃণমূল।'

    অধিকারী পরিবারের অপর সদস্য তমলুকের সাংসদ, শিশির-পুত্র দিব্যেন্দু অধিকারীও জানিয়ে দিয়েছিলেন, অমিত শাহকে স্বাগত জানাতে হেলিপ্যাডে উপস্থিত থাকবেন তিনি। অন্যথা হয়নি তাঁরও। তৃণমূল ছেড়ে আগেই গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছেন শুভেন্দুর আরেক ভাই কাঁথি পুরসভার প্রশাসক সৌমেন্দু অধিকারী। এবার গোটা অধিকারী পরিবারই জুড়ে গেল বিজেপির সঙ্গে। আর এদিন কাঁথি থেকে অধিকারীদের সেই সূত্রেই আক্রমণ শানিয়েছেন মমতাও। বলেন, 'গদ্দাররা হাত ধরে বিজেপিকে এনেছে। ২০১৪ থেকে বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে। ঘরে ঢুকে সিঁধ কেটেছে। এদের জমিদারি থেকে মেদিনীপুরকে মুক্ত করতে হবে।'

    Published by:Suman Biswas
    First published: