• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • MIDNAPORE NO TO MOBILE GAMES EAST MEDINAPORE YOUNG KID KILLED BROTHER TRIED TO KILL MOTHER AND COMMITTED SUICIDE PBD

Mobile game: মোবাইল গেম খেলায় বাধা, দাদাকে খুন, মাকেও খুনের চেষ্টা, আত্মঘাতী মেদিনীপুরের যুবক

Representative Image

মোবাইল গেল না খেলতে দেওয়ায় মারাত্মক কাণ্ড ঘটাল পূর্ব মেদিনীপুরের (East Midnapore kid) যুবক৷

  • Share this:

    #পূর্ব মেদিনীপুর: মোবাইল গেম (Mobile games) খেলতে বাধা দেওয়ায় দাদাকে খুন ও মাকে খুনের চেষ্টা করল যুবক৷ নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করে সে৷ পরে অভিযুক্তেরও মৃত্যু হয়৷ ঘটনা পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর থানার সুলতানপুরের৷ মোবাইলে ফ্রি ফায়ার গেম খেলতে খুবই ভালবাসত চন্দ্রকান্ত মন্ডল৷ কিন্তু নেশা এতটাই বেড়ে যায়, যে তা নিয়ে বাড়িতে শুরু হয় অশান্তি৷ সারাক্ষণ মোবাইলে ব্যস্ত থাকা চন্দ্রকান্তকে বাধা দেয় ও বকাবকি করে দাদা ও মা৷ তাতেই মাথা গরম হয় তার৷ রাগের বশে কুপিয়ে খুন করে নিজের দাদাকে৷ একইসঙ্গে মাকেও নৃশংস ভাবে খুনের চেষ্টার করে সে৷ পরে বাড়ি থেকে পালিয়ে বিষ খেয়ে নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করে ওই যুবক! পরে তার মৃত্যুও হয়৷

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঘটনাস্থল অর্থাৎ নিজের বাড়িতেই আহত দাদার মৃত্যু হয়। ঘটনার খবর পেয়ে চন্ডীপুর থানার পুলিশ পৌঁছে বাড়ির মধ্যে দুজনকে উদ্ধার করে। মাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে চণ্ডীপুর এঁড়াশাল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তমলুকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। মৃত বড়ভাই এর নাম সূর্যকান্ত মন্ডল (25)৷ অভিযুক্ত ওই যুবক ভগবানপুর থানার সরবেড়িয়া এলাকায় গিয়ে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ভগবানপুর গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে যায়। এবং পরে তাকেও তমলুকে জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে অভিযুক্তের মৃত্যু হয়৷ গোটা ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে চণ্ডীপুর থানার পুলিশ।

    মোবাইলে আশক্তি বাড়ছে যুবদের মধ্যে৷ যা খুবই চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে অভিভাবকদের কাছে৷ মোবাইলের নেশায় মত্ত যুবসমাজের অনেকটাই বাঁধন আলগা হচ্ছে সমাজের সঙ্গে৷ দিনরাত মোবাইল ব্যস্ত থাকার ফলে অন্যমনস্ক এবং মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত হচ্ছে তারা৷ এনিয়ে মনোদিবদরা বারবার সাবধান করছেন অভিভাবকদের৷ বলা হচ্ছে সন্তানদের প্রতি সর্বদা নজর রাখার জন্য৷ মেদিনীপুরের এই ঘটনা যেন আরও একবার সচেতনতার বার্তা দিয়ে গেল৷

    Published by:Pooja Basu
    First published: