আজ কাঁথিতে মোদি, দিব্যেন্দু গেলেই অধিকারীদের সঙ্গে তৃণমূলের পাকাপাকি বিচ্ছেদ

আজ কাঁথিতে মোদি, দিব্যেন্দু গেলেই অধিকারীদের সঙ্গে তৃণমূলের পাকাপাকি বিচ্ছেদ

আজ মোদির সভায় যাবেন দিব্যেন্দু অধিকারী?

এর আগে ১৯৮৭ সালে কাঁথি এসেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী।

  • Share this:

#কলকাতা: মাঝখানে ঠিক ২৪ ঘণ্টার বিরতি। আজ আরও একবার বঙ্গে পা রাখছেন নরেন্দ্র মোদি। এবার ডেস্টিনেশন সরাসরি শিশির শুভেন্দুর গড় কাঁথি। সেখান থেকে মোদি কী বার্তা দেন, কোন বাণে বিদ্ধ করেন রাজ্যের শাসক দলকে, সর্বোপরি অখণ্ড মেদিনীপুরে গেরুয়া ঝড় বইয়ে দিতে তাঁর ভোকাল টনিক কতটা কার্যকরী হয় সে দিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের। উল্লেখ্য প্রায় তিন দশক পর কাঁথিতে কোনও প্রধানমন্ত্রী জনসভা করতে চলেছেন। এর আগে ১৯৮৭ সালে কাঁথি এসেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী।

সূত্রের খবর, এ দিন মোদির সভায় শুভেন্দু-শিশির থাকবেন। তবে ক্লাইম্যাক্স অন্যত্র, এই সভায় দিব্যেন্দু অধিকারীও নিমন্ত্রিত। দিনকয়েক আগেই এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিয়ে তাঁকে নিমন্ত্রণ করে এসেছিলেন এই সভায় থাকার জন্য। তার আগে দূত হয়ে গিয়েছিলেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্য়ায়ও। আমন্ত্রণের 'ভার' সইতে না পেরে দিব্যেন্দু যদি মোদি-পথে পা বাড়ান, তবে বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে। বাড়ির চার সদস্য সক্রিয় রাজনীতিতে, তিন সদস্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, তাই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন দিব্যেন্দুর নামই।

অতীতে বিজেপি যোগ প্রসঙ্গে দিব্যেন্দু মন্তব্য করেছিলেন, 'আমি কি পাগলা ষাঁড় যে বিজেপিতে যোগ দেবো'! অর্থাৎ বিজেপি-যোগের সম্ভাবনা স্পষ্টতই উড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তারপর মেঘে মেঘে বেলা গড়িয়েছে, নদীতে জল গড়িয়েছে বিস্তর। তৃণমূলের সঙ্গে গোটা পরিবারের তিক্ততা চরমে পৌঁছেছে। দিব্যেন্দুকেও কোনও দলীয় অনুষ্ঠানে দেখা যায় না। বরং প্রধানমন্ত্রী সাম্প্রতিক অতীতে বেশ কিছুক্ষণ তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। দলে যোগ দিয়েছেন বাবা শিশির অধিকারী। বাড়িতে তাঁর উপস্থিতিতেই বারংবার উপস্থিত হয়েছেন বিজেপি নেতারা। এই নৈকট্য থেকেই রাজনৈতিক মহল ধারণা করে নিয়েছে, হয়তো মন বদলাতেও পারেন দিব্যেন্দু, আর তা হলে  তৃণমূলের সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্কটা চিরতরে ছিন্ন হয় অধিকারীদের।

দিব্যেন্দু অবশ্য একটি মন্তব্যও করেননি এই নিয়ে। মুখে কিছু না বললেও দিব্যেন্দুকে নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে!  শুভেন্দু-সৌমেন্দু-শিশিরের পর কি দিব্যেন্দু, আজ কাঁথির শান্তিকুঞ্জের  দিকেই তাকিয়ে বাংলা।

Published by:Arka Deb
First published: