June Malia: হাসপাতালে রোগীর আত্মীয়দের জন্য বড় উদ্যোগ এবার জুন মালিয়ার, উপকৃত মেদিনীপুরের মানুষ

মেদিনীপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এবার জয়ী হয়েছেন অভিনেত্রী জুন মালিয়া। এলাকার মানুষের জন্য কাজ শুরু করেছেন জুনও।

মেদিনীপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এবার জয়ী হয়েছেন অভিনেত্রী জুন মালিয়া। এলাকার মানুষের জন্য কাজ শুরু করেছেন জুনও।

  • Share this:

#মেদিনীপুর: করোনাকালে নিজের কেন্দ্র ঘাটালের জন্য কাজ করছেন তারকা সাংসদ দেব (Dev)। ঘাটালের বিভিন্ন এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। ঘাটালের পাশেই মেদিনীপুর (Medinipur)। মেদিনীপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এবার জয়ী হয়েছেন অভিনেত্রী জুন মালিয়া (June malia)। এলাকার মানুষের জন্য কাজ শুরু করেছেন জুনও। হাসপাতালে রোগীর আত্মীয়দের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করেছ তাঁর দল তৃণমূল (TMC)। এবং তিনি নিজে উপস্থিত থেকে আজ বুধবার রোগীর পরিজনদের হাতে দুপুরের খাবার তুলে দেন।

এখন রাজ্যের সব জায়গায় কার্যত লকডাউন (Lockdown) চলছে। সকালে বাজার খুলছে মাত্র তিন ঘণ্টার জন্য। অন্য সবকিছুর মতোই বন্ধ খাবারের দোকানও। ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীর আত্মীয়দের। হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীরা খাবার পেয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে আসা আত্মীয়, পরিজনদের খাবার পেতে অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। তাই তাঁদের মুখে দুপুরের খাবার তুলে দিতে এগিয়ে এসেছে মেদিনীপুর শহরের তৃণমূল কংগ্রেস।

মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে খোলা হয়েছে 'কমিউনিটি কিচেন;। প্রতিদিন রান্না করা খাবার বিলি করা হচ্ছে এই কমিউনিটি কিচেন থেকে। বুধবার এখানে আসেন মেদিনীপুরের বিধায়ক জুন মালিয়া। তিনি নিজেও খাবার বিতরণ করেন। তিনি জানিয়েছেন, মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল জেলার সবচেয়ে বড় হাসপাতাল। এখানে রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি । তাঁদের সঙ্গে যে সব লোকজন আসছেন, তাঁদের যাতে খাবারের কোনও অসুবিধা না হয় এই লকডাউনের ফলে, তার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মেদিনীপুর শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বিশ্বনাথ পান্ডব জানিয়েছেন, "৩০মে পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে । যতদিন এই লকডাউন থাকবে, ততদিন আমরা এই কাজটি চালিয়ে যাব।" তবে যদি লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানো হয়, তাহলে এই কমিউনিটি কিচেনের সময়সীমাও বাড়ানো হবে বলেও জানিয়েছেন বিশ্বনাথ পাণ্ডব।

বুধবারও কোভিডের স্বাস্থ্য বিধি মেনে লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার নিয়েছেন রোগীর আত্মীয়রা। ভাত, ডাল, সবজি ও ডিম দেওয়া হয়েছে তাঁদের। এই উদ্যোগে অনেকটাই উপকৃত হয়েছেন বলে জানান রোগীর বাড়ির পরিজনেরা।

এই সঙ্গে মেদিনীপুর এলাকায় করোনা আক্রান্তদের সাহায্য করার জন্য একটি হেল্প লাইন চালু করেন মেদিনীপুরের বিধায়ক। কোনও পরিবারের মহিলা যদি করোনা আক্রান্ত হন, সেই পরিবার হেল্প লাইনে যোগাযোগ করলে সেই সকালের টিফিন থেকে রাতের খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়া হচ্ছে।

সুজিত ভৌমিক

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published: