Mamata to Dhankhar: নন্দীগ্রামে 'বন্দি' অবস্থায় ধনখড়কে ফোন মমতার, কী কথা হল দু'জনের?

Mamata to Dhankhar: নন্দীগ্রামে 'বন্দি' অবস্থায় ধনখড়কে ফোন মমতার, কী কথা হল দু'জনের?

নন্দীগ্রামে 'বন্দি' অবস্থায় ধনখড়কে ফোন মমতার

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বয়ালের ৭ নম্বর বুথে বসেই ফোন করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে। তাঁর দাবি, 'আদালতে যাব আমরা। কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। ৬৩টা অভিযোগ পেয়েছি।'

  • Share this:

    #নন্দীগ্রাম: পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের দ্বিতীয় দফা শুরু হতেই সকাল থেকে নন্দীগ্রামে চোখ গোটা দেশের। সকাল গড়িয়ে দুপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেয়াপাড়ার অস্থায়ী ঠিকানা থেকে বেরিয়ে সোজা যান নন্দীগ্রামের বয়ালে। সেখানে ছাপ্পাভোটের অভিযোগ ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি শুরু হয়ে যায়।  মুখ্যমন্ত্রী পৌঁছনোর পরই তাঁর অভিযোগ, বাইরে থেকে লোক এনে ভোট করাচ্ছে বিজেপি। যাদের আনা হয়েছে, তাঁরা কেউ বাংলা জানেন না। বয়ালের ওই বুথে বিজেপি অবাধে ছাপ্পা ভোট করেছে বলে তৃণমূল নেত্রীর কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

    বিজেপির বিরুদ্ধে ছাপ্পাভোটের অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বয়ালের ৭ নম্বর বুথে বসেই ফোন করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে। তাঁর দাবি, 'আদালতে যাব আমরা। কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। ৬৩টা অভিযোগ পেয়েছি।' মমতার এই ফোন চলাকালীন বুথের বাইরের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ধনখড়কে ফোনে মমতা বলেন, 'আমি সকাল থেকে অভিযোগ পেয়েছি। এখানে সর্বত্র ছাপ্পাভোট করানো হচ্ছে।'

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর ট্যুইট করেন রাজ্যপাল ধনখড়ও। তিনি ট্যুইটারে লিখেছেন, 'কিছুক্ষণ আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ফোনে কথা হয়েছে। রাজ্যে আইনের শাসন মেনে চলার পূর্ণ আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। আমি আত্মবিশ্বাসী সবাই সঠিক চেতনা এবং আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবে যাতে গণতন্ত্র সমৃদ্ধ হয়।'

    এদিন নন্দীগ্রামের বয়ালের ৭ নং বুথে কমপক্ষে এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ হয়ে রইলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আটকে রয়েছেন, বাইরে লাঠি, বাঁশ হাতে একে অন্যের বিরুদ্ধে প্রায় সংঘর্ষে নেমে গিয়েছে দুই পক্ষ, এই পরিস্থিতি কার্যত নজিরবিহীন। এই পরিস্থিতিতে মমতার সঙ্গে কথা বলেন নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকেরাও।

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: