corona virus btn
corona virus btn
Loading

বাড়ছে উদ্বেগ ! চিকিৎসক, নার্স-সহ ৬০ জনের নমুনা করোনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হল

বাড়ছে উদ্বেগ ! চিকিৎসক, নার্স-সহ ৬০ জনের নমুনা করোনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হল

করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা চিকিৎসক, নার্স-সহ ৬০ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য কলকাতায় পাঠানো হল

  • Share this:

#কাটোয়া: করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা চিকিৎসক, নার্স-সহ ৬০ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য কলকাতায় পাঠানো হল। এই ৬০ জনের মধ্যে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্য কর্মীরা রয়েছেন। আছেন ওই রোগীকে পরিবহণের কাজে যুক্ত অ্যাম্বুল্যান্স চালকও। কী রিপোর্ট আসে তার দিকেই এখন অধীর আগ্রহে তাকিয়ে স্বাস্থ্য দফতর ও জেলা প্রশাসন।

এক সঙ্গে এতজন চিকিৎসক, নার্স, কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে চলে যাওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে দুই হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা। উৎকন্ঠায় রয়েছেন তাঁদের পরিবারের সদস্যরাও। আপাতত তাঁদের হোম কোয়ারেন্টাইনে  থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মুর্শিদাবাদের সালারের ক্যান্সার আক্রান্ত এক প্রৌঢ়কে ১২এপ্রিল চিকিৎসার জন্য কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের মেল ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয় তাঁকে। সেদিন দুপুরেই ওই রোগীকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখান থেকে সেদিনই তাঁকে রেফার করা হয় কলকাতায়। সেখানে ওই প্রৌঢ়র শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। তাঁর সংস্পর্শে আসা সকলকেই কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পাঠানো হয়।

জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সালারের ওই করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে আসায় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ১৪ জন চিকিৎসক, ১৩ জন নার্স এবং ১৫ জন চতুর্থ শ্রেণীর স্বাস্থ্য কর্মীকে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের ২জন ডাক্তার, ৭ জন নার্স ও অ্যাম্বুল্যান্স চালক-সহ ৯  জনকে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ৬০ জনের নমুনাই পরীক্ষার জন্য কলকাতায় পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার রাতের মধ্যেই সেই রিপোর্ট মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে। ওই করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে আসার কারণে এই ডাক্তার,নার্স,  স্বাস্থ্য কর্মীদের কেউ আক্রান্ত হলেন কিনা তা ওই রিপোর্টেই নিশ্চিত হওয়া যাবে। একসঙ্গে এত জন ডাক্তার নার্স কোয়ারেন্টাইনে চলে যাওয়ায়  দুই হাসপাতালের পরিষেবা সচল রাখতে হিমসিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।

Saradindu Ghosh

Published by: Rukmini Mazumder
First published: April 21, 2020, 8:25 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर