দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

কলকাতার ‘কফি হাউজ’ এ বার খুলছে শহরে, ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে তৈরি হল ‘কথাঞ্জলি’

কলকাতার ‘কফি হাউজ’ এ বার খুলছে শহরে, ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে তৈরি হল ‘কথাঞ্জলি’

ঝাঁ-চকচকে 'কথাঞ্জলি 'র উদ্বোধন এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা। বাংলা নববর্ষের দিনেই উদ্বোধনের কথা ছিল কফি হাউসের আদলে তৈরি 'কথাঞ্জলি'র। করোনা কালে লকডাউনের জন্য যা পিছিয়ে যায়।

  • Share this:

Dipak Sharma

#আসানসোল: কফির দাম বেড়েছে। কিছুটা পরিবেশনের ধরনও  বদলেছে। তবে একসময়ের কলকাতার সংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দু আজও সেই ঐতিহ্য বহন করে চলেছে “কলকাতার কফি হাউস”। কলকাতা থেকে ২২০ কিলোমিটার দূরত্বে কফি হাউসের সেই স্বাদ এ বার শিল্পশহর  আসানসোলের মানুষ পেতে চলেছেন। আসানসোল পুরনিগমের  উদ্যোগে ঝাঁ-চকচকে  'কথাঞ্জলি 'র  উদ্বোধন এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা। বাংলা নববর্ষের দিনেই উদ্বোধনের কথা ছিল কফি হাউসের আদলে তৈরি 'কথাঞ্জলি'র। করোনা কালে লকডাউনের জন্য যা পিছিয়ে যায়। তবে এ বার শীঘ্রই উদ্বোধন হবে কফি হাউসের। সম্ভবত পুজোর আগেই।

শহরে কোনও কফি হাউস নেই৷ আসানসোলের নিখিলেশ, মঈদুলদের অভিমান ছিল যা নিয়ে। ডিসুজা'র মতো যুবকরা গিটারের ছন্দে মেতে উঠতে পারতেন না আড্ডায়। আসানসোলের কবি-সাহিত্যিক শিল্পীদের ভরসা ছিল রবীন্দ্র ভবনের বাইরে ভ্যানরিক্সার চায়ের দোকান। এইবার সেই ছবিটার বদল ঘটবে। আসানসোল পৌরনিগমের উদ্যোগে তৈরি হয়েছে 'কথাঞ্জলি' কফি হাউস। শহরের বুদ্ধিজীবী মহল দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিলেন, কলকাতার কফিহাউসের মতো আসানসোলেও কিছু একটা করা হোক। নাগরিকদের পাশে দাঁড়িয়েছে আসানসোল পুরনিগম। শহর আসানসোলের লাইফলাইন জি টি রোড। আর এই জি টি রোড  বিএনআর মোড় লাগোয়া প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত রবীন্দ্রভবন। যা শিল্প সংস্কৃতির অন্যতম স্থান হিসেবে পরিচিত। এই রবীন্দ্রভবন চত্বরেই গড়ে উঠছে আধুনিক শিল্পকর্মে সজ্জিত আসানসোলের কফি হাউস 'কথাঞ্জলি'।  সুসজ্জিত দ্বিতল এই ভবনের সর্বত্রই থাকছে রুচির ছোঁয়া।

৭০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই কফি হাউস তৈরি হচ্ছে। ৪৪০০ স্কোয়ার ফুট ভেতরে ও ৪৪০০ স্কোয়ার ফুট বাইরে লন করে হয়েছে আসানসোল পুরনিগম কফি হাউস। কফি হাউসটি হয়েছে পুরো উডেন ফ্লোরে। পুরানো ও সাবেকি ডিজাইনই রাখা হয়েছে কফি হাউসের। হাউসের ভেতর বিভিন্ন শিল্পীর ছবি দিয়ে সাজানো হচ্ছে। রয়েছে কাঠের টেবিল। গোল করে ছোট ছোট গোষ্ঠী একসঙ্গে বসে আড্ডা দিতে পারবেন। ২৫ টি টেবিলে ১০০ জন বসতে পারবেন কফি হাউসে। তিনতলা এই কফি হাউসের নিচে থাকছে গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা। দোতলা এবং তিনতলায় পাওয়া যাবে কফি, স্ন্যাক্স৷ রয়েছে রেস্তোরাঁ সহ আড্ডা দেওয়ার জায়গা। কলকাতা কফি হাউসের আদলেই উঁচু সিলিং, ভিনটেজ লুকে গড়ে উঠেছে আসানসোলের কফি হাউস৷ আপাতত এই কফি হাউস পিপিপি মডেলে তুলে দেওয়া হবে কোনও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের হাতে। সেখান থেকে পৌরনিগমের আয় হবে ।

মেয়র জিতেন্দ্র তেওয়ারি বলেন, শহরে শিল্পী ও সংস্কৃতি মনস্ক মানুষদের এতদিন মিলিত হওয়ার কোন জায়গা ছিল না। আমরা তাই তাঁদের মিলনক্ষেত্র তৈরি করতে চাইছি। যেখানে তাঁরা আসবেন, আড্ডা দেবেন আর চর্চা করবেন। এই আড্ডাস্থল থেকেই শহরবাসী পাবেন নিত্য নতুন সৃষ্টি।  পুরনিগমের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন শহরের শিল্পীরা। কারণ শিল্পীদের মিলিত হওয়ার পাশাপাশি নিজেদের সৃষ্টিশীল চিন্তাভাবনার বিকাশ হবে এখান থেকে।

Published by: Simli Raha
First published: September 25, 2020, 3:28 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर