corona virus btn
corona virus btn
Loading

গ্রিন জোন এখন অনেক দূর, উল্টে রেড জোন হয়ে যাবে নাতো শহর! আশঙ্কা বর্ধমানের বাসিন্দাদের

গ্রিন জোন এখন অনেক দূর, উল্টে রেড জোন হয়ে যাবে নাতো শহর! আশঙ্কা বর্ধমানের বাসিন্দাদের
সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে লকডাউনের চতুর্থ দফার গাইডলাইন প্রকাশের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, লকডাউন ফোরে রাজ্যে কন্টেইনমেন্ট জোনকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এ জোন অর্থাৎ অ্যাফেক্টেড জোন। বি জোন অর্থাৎ বাফার জোন এবং সি জোন অর্থাৎ ক্লিন জোন। এই নয়া জোন বুথ ভিত্তিক বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী ৷

স্হানীয় ভাবে নতুন করে আবার কেউ করোনা আক্রান্ত হলে রেড জোনের চলে যেতে পারে বর্ধমান শহর।

  • Share this:

#বর্ধমান: আশা ছিল গ্রিন জোন হবে বর্ধমান শহর। প্রথম দিকে করোনা আক্রান্তের হদিস না মেলায় তেমনটাই আশা করেছিলেন বাসিন্দারা। শেষ মুহূর্তে বর্ধমানের খণ্ডঘোষের বাদুলিয়া গ্রামে পর পর দু জন করোনা আক্রান্তের সন্ধান মেলে। তাতেই গ্রিন জোনের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। অরেঞ্জ জোনের মধ্যে ঢুকে পড়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা। তারপরও দু সপ্তাহ নতুন কোনও করোনা আক্রান্তের হদিস না মেলায় অরেঞ্জ রং মুছে গিয়ে সবুজ হবে, লক ডাউনে বেশ কিছু ছাড় মিলবে এমন আশার আলো দেখতে চাইছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলার বাসিন্দারা। কিন্তু বর্ধমান শহরের সুভাষপল্লী এলাকায় নতুন করে করোনা আক্রান্তের সন্ধান মেলায় সেই গ্রিন জোনের আশা আপাতত ফিকে হয়ে গিয়েছে। এখন শহরবাসীর আশঙ্কা, অরেঞ্জ থেকে রেড জোনে চলে যাবে না তো বর্ধমান শহর!

বর্ধমানের সুভাষ পল্লী এলাকায় করোনা আক্রান্ত মহিলার সংস্পর্শে আসা পরিবারের চার জনকে ইতিমধ্যেই কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ওই মহিলাকে কলকাতা থেকে নিয়ে আসার কাজে যুক্ত গাড়ির চালকসহ আরও পাঁচ জনকেও রাখা হয়েছে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে। তাদের নমুনার পরীক্ষা এখনও হয়নি। নতুন করে কেউ করোনা আক্রান্ত হলে জেলার অরেঞ্জ জোনে থেকে যাওয়ার সময়সীমা আরও বাড়বে। স্হানীয় ভাবে নতুন করে আবার কেউ করোনা আক্রান্ত হলে রেড জোনের চলে যেতে পারে বর্ধমান শহর। সেক্ষেত্রে এই এলাকায় লক ডাউন আরও কড়াকড়ি। তখন কন্টেইনমেন্ট জোনের এলাকাও অনেক বেড়ে যেতে পারে। পূর্বে বর্ধমান শহর ছাড়িয়ে শক্তিগড়ের আগে আমরা গ্রাম পর্যন্ত এলাকা চলে আসবে কন্টেইনমেন্ট জোনের আওতায়। পশ্চিমে তা যাবে নবাবহাট পেরিয়ে সিমডাল পর্যন্ত। উত্তরে তা দেওয়ানদিঘি ছাড়িয়ে যাবে। দক্ষিণে তার সীমানা হবে দামোদর নদ পর্যন্ত।

তাই করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে এখনও বাসিন্দাদের সচেতন করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে জেলা প্রশাসন। বাসিন্দাদের বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে পা রাখতে নিষেধ করা হচ্ছে। শহরের কন্টেইনমেন্ট জোনের বাইরে জনবহুল এলাকায় ভিড় কম করতে সচেষ্ট পুলিশ ও প্রশাসন।

Saradindu Ghosh

Published by: Ananya Chakraborty
First published: May 6, 2020, 5:45 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर