Panshkura Floriculture: নষ্ট ফুলও লাগবে কাজে, চাকরি পাবে প্রচুর বেকার ছেলেমেয়ে! ভাগ্য বদলের জন্য বিরাট পরিকল্পনা চাষিদের
- Reported by:Saikat Shee
- hyperlocal
- Published by:Nayan Ghosh
Last Updated:
East Medinipur Floriculture: জেলায় এবার ফুল গবেষণাগার তৈরির দাবি তুলেছেন চাষিরা। যা ফুল চাষে এক নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।
তমলুক, সৈকত শী: জেলায় এবার ফুল গবেষণাগার তৈরি হতে চলেছে! যা ফুল চাষে এক নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ফুল চাষ আজকাল বেশ খ্যাতি লাভ করেছে। এই জেলার ফুল দেশি-বিদেশি উভয় মহলেই রফতানি হচ্ছে। জেলায় ফুল চাষের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এবার জেলায় একটি গুরুত্ত্বপূর্ণ ফুল গবেষণা গবেষণাগার ও কেন্দ্র স্থাপন করার দাবি তুলল পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ফুল চাষিরা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ফুল চাষ হলেও ফুল নিয়ে গবেষণার কোনও গবেষণাগার নেই। নেই ফুলের হাব। ফলে ফুল চাষ উন্নত প্রযুক্তির সম্মুখীন হতে পারেনি। তাই জেলায় ফুলের গবেষণাগার ও হাব তৈরি করার জন্য দাবি তুলল ফুল চাষিরা।
এতে আরও বেশি কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলে অভিমত তাদের। ফুল দিয়ে পাঁশকুড়ার পরিচয়। ফুল থেকেই চাষির ঘরে হাঁড়িতে ফোটে ভাত। এবছর ফুলের মরশুমে প্রথম থেকেই ফুলের দাম ভাল থাকায় পাঁশকুড়ার ফুল চাষিদের ঘরে ঘরে খুশির জোয়ার। ফুল চাষের জন্য বিখ্যাত পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়া ব্লক। বছরের প্রায় সারা সময়ের পাশাপাশি, শীতকালে প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন ধরনের ফুল চাষ হয় পাঁশকুড়ার বিস্তীর্ণ এলাকায়। ফুল ফুটলেই হাসি ফোটে পাঁশকুড়ার ফুলচাষি পরিবারে। পাঁশকুড়ার ফুল লাভজনক চাষ। পাঁশকুড়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় চন্দ্রমল্লিকা গ্যডিওলাস সহ বিভিন্ন প্রকার শীতকালীন ফুলের চাষ হয়। শুধু পাঁশকুড়া নয় পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাটেও প্রচুর পরিমাণে ফুল চাষ হয়।
advertisement
আরও পড়ুন: দিনভর মাঠে ধান কুড়িয়ে আয় মাত্র কয়েকশো টাকা, এক মুঠো ভাতের জন্য বাজি রাখেন জীবন! শেষ ভরসাও কাড়ছে মেশিন
ফুল চাষিদের সুবিধার্থে আগেই পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় একটি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করেছে প্রশাসন। তাই এবার আরও বেশি কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্যে চাষিরা জেলায় ফুলের গবেষণাগার ও হাব তৈরি করার দাবি জানাল। এ বিষয়ে সারা বাংলা ফুল চাষি ও ফুল ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়েক জানান, “পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ফুল চাষ বর্তমানে বিখ্যাত। এই জেলা থেকে ফুল রফতানি করা হয় দেশের বিভিন্ন বড় বড় বাজারে। সেই সঙ্গে ফুল যাচ্ছে বিদেশের বাজারে। কিন্তু আধুনিক পদ্ধতিতে কী ভাবে আরও ভালভাবে ফুল চাষ করা যায়, তার কোনও গবেষণাগার নেই। গবেষণাগার চালু হলে ফুল নির্ভর কর্মসংস্থান আরও বাড়বে।
advertisement
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
জেলার ফুল চাষিরা তাই আবেদন জানিয়েছেন, জেলায় একটি গবেষণাগার বা ফুলের হাব নির্মাণ হোক। এর পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ফুল পাঠানোর জন্য রেল ও বিমানে “কোটা” পদ্ধতি চালু করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। কোলাঘাট ফুলবাজারে উন্নয়ন। নষ্ট হয়ে যাওয়া ফুল থেকে সুগন্ধি, ভেষজ রঙ, আবির সহ সমস্ত রকম উপজাত সামগ্রী তৈরির বন্দোবস্ত করার দাবিওতুলেছেন ফুল চাষি ও ব্যবসায়ীরা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, চাষিদের এই দাবিগুলি নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। বিশেষ করে ফুলের হাব গড়ে তোলা, নষ্ট হয়ে যাওয়া ফুল থেকে সুগন্ধি ভেষজ রঙ, আবিরসহ নানারকম জিনিসপত্র তৈরি করার পরিকাঠামো নির্মাণের চিন্তাভাবনা চলছে। সবমিলিয়ে ফুল চাষ নির্ভর কর্মসংস্থান আরও বাড়বে এমনটাই মনে করছেন অনেকে।
কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গের সব লেটেস্ট ব্রেকিং নিউজ পাবেন নিউজ 18 বাংলায় ৷ থাকছে দক্ষিণবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গের খবরও ৷ দেখুন ব্রেকিং নিউজ এবং সব গুরুত্বপূর্ণ খবর নিউজ 18 বাংলার লাইভ টিভিতে ৷ এর পাশাপাশি সব খবরের আপডেট পেতে ডাউনলোড করতে পারেন নিউজ 18 বাংলার অ্যাপ ৷ News18 Bangla-কে গুগলে ফলো করতে ক্লিক করুন এখানে ৷
Location :
Purba Medinipur,West Bengal
First Published :
Jan 03, 2026 4:52 PM IST
বাংলা খবর/ খবর/দক্ষিণবঙ্গ/
Panshkura Floriculture: নষ্ট ফুলও লাগবে কাজে, চাকরি পাবে প্রচুর বেকার ছেলেমেয়ে! ভাগ্য বদলের জন্য বিরাট পরিকল্পনা চাষিদের







