Suri Super Specialty hospital: ডিসচার্জ সার্টিফিকেটে নাম বিভ্রাট,  বাড়ি ফিরে এক রোগীর ওষুধ খেয়ে অসুস্থ আরেকজন

ছুটি হয়ে বাড়ি চলে যাওয়া আরেক রোগীর সঙ্গে যোগাযোগ করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

ছুটি হয়ে বাড়ি চলে যাওয়া আরেক রোগীর সঙ্গে যোগাযোগ করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

  • Share this:

#সিউড়ি: বীরভূমের সিউড়ি সুপার স্পেসিলিটি হাসপাতালে নার্সদের গাফিলতির অভিযোগ। সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল থেকে ছুটি হয়ে যাওয়া এক রোগীর ডিসচার্জ সার্টিফিকেট সহ ঔষধপত্র পেল আরেক ছুটি হওয়া রোগী। বাড়ি গিয়ে এক রোগী ওষুধও খেল ডিসচার্জ সার্টিফিকেটে লেখা অনুয়ায়ী। অভি্যোগ, সেই ওষুধ খেয়ে শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করে ওই রোগী। পরে বুঝতে পারে ওই ডিসচার্জ সার্টিফিকেটে তাঁর নামের বদলে আছে অন্য কোনো রোগীর নাম। পরক্ষণেই হাসপাতালে এসে সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে ওই রোগী।

অন্যদিকে এই ঘটনা জানাজানি হতে অন্য আরেক ছুটি হয়ে বাড়ি চলে যাওয়া রোগীর সঙ্গে যোগাযোগ করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে দুই রোগী একই উপসর্গ নিয়ে ভর্তি  হওয়ায় তাদের ডিসচার্জ সার্টিফিকেটে ওষুধ ছিল প্রায় একই রকম। তবে এই ব্যাপারটি নিয়ে ক্যামেরার সামনে মুখ না খুললেও তদন্ত করছেন সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল সুপার শোভন দে। উল্লেখ্য, গত ২৪ অগাস্ট সিউড়ি সুপার স্পেসিলিটি হাসপাতালে জ্বর ও মাথা ব্যাথার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হন বীরভূমের সদাইপুরের সাহাপুরের  ১৮ বছর বয়সী বাসিন্দা এস কে সামিউল। পর কিছু দিন সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর সুস্থ হয়ে যাওয়ায় তাঁকে ছুটি দেওয়া হয় হাসপাতাল থেকে। হাসপাতালের ডিসচার্জ সার্টিফিকেট ও ওষুধপত্র নিয়ে তিনি বাড়ি চলে যান।

দুপুরে খাওয়ার পর সেই ডিসচার্জ সার্টিফিকেটে লেখা ওষুধ খান তিনি। ওষুধ খাওয়ার পর শরীর খারাপ লাগে তাঁর। তখনই তিনি লক্ষ করেন, ওই ডিসচার্জ সার্টিফিকেটে তাঁর নামের জায়গায় রয়েছে রেকমান খান নামে ৫৪ বছরের এক ব্যক্তির নাম। ভয় পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে সিউড়ি সুপার স্পেসিলিটি হাসপাতালে যান তিনি। হাসপাতাল সুপারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সুপার তাঁর হাতে নতুন ডিসচার্জ সার্টিফিকেট তুলে দেন ও ওই দুই ব্যক্তির উপসর্গ এক হওয়ায় পরে একই ওষুধের নাম লিখে দেয় হাসপাতাল সুপার শোভন দে। এছাড়াও উপসর্গ এক থাকায় তাঁদের দুজনের পুরোনো ডিসচার্জ সার্টিফিকেটেও প্রায় একই ওষুধের নাম লেখা ছিল। এই ঘটনার পর থেকেই অপর ব্যক্তির  সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা চালাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

Published by:Suman Majumder
First published: