Cyclone Yaas Update: ভয়াবহ অবস্থা দিঘা-মন্দারমণি-ফ্রেজারগঞ্জে! ইয়াসে বন্যা পরিস্থিতির মুখে বাংলা

ভয়ঙ্কর অবস্থা দিঘায়

Cyclone Yaas Update: সরাসরি আঘাত না হানলেও ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের (Cyclone Yaas) দাপটে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। ভয়াবহ অবস্থা দিঘা-মন্দারমণি-ফ্রেজারগঞ্জে।

  • Share this:

    #দিঘা: প্রবল ঘূর্ণিঝড় নিয়ে দুশ্চিন্তা কমেছে ঠিকই, কিন্তু রয়েই গিয়েছিল বন্যার আশঙ্কা। বাস্তবে তা ফলতেও শুরু করেছে। ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের (Cyclone Yaas) ল্যান্ডফল এখনও হয়নি। কিন্তু তাতেও দিঘা-মন্দারমণি-ফ্রেজারগঞ্জ সহ বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে ভয়াবহ হয়ে উঠছে পরিস্থিতি। দিঘা-মন্দারমণিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে সমুদ্র। বিরাট-বিরাট ঢেউ আছড়ে পড়েছে পারে। ফলে দিঘা-মন্দারমণিতে বড় রাস্তায় ইতিমধ্যেই কোমর সমান জল। যা বিগত কোনও ঝড়ের সময় হয়নি বলেই দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। ভেসে গিয়েছে ফ্রেজারগঞ্জের বিস্তীর্ণ এলাকা। জল ঢুকে গিয়েছে কপিলমুণির আশ্রমেও।

    ইতিমধ্যেই প্রতিটি জেলার জেলাশাসকদের সতর্ক করা হয়েছে নবান্ন থেকে। বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসককে। আগে থেকেই আশঙ্কা ছিল, ইয়াসের প্রভাবে অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে পশ্চিমবঙ্গের দু'টি জেলা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা। আর সেই দুরন্ত ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গেই চিন্তা বাড়িয়েছে বুধবার সকালে বুদ্ধপূর্ণিমার ভরা কোটাল ও পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। এই তিন প্রভাবে আজ, সারাদিন বাংলার দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াতে চলেছে প্রবল জলোচ্ছ্বাস। আর তা থেকে দেখা দিয়েছে বিভিন্ন প্রান্তে বন্যার আশঙ্কা।

    দিঘা, শঙ্করপুর, নামখানা, সুন্দরবন-সহ উপকূলের বেশ কিছু এলাকায় মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকেই বাঁধ উপচে জল ঢুকতে শুরু করেছিল। আর বুধবার সকালে যেন চেনা দায় দিঘা শহরকে। জলের তলায় চলে গিয়েছে বহু গাড়ি, বড় রাস্তায় কোমর সমান জল। পারে এসে আছড়ে পড়ছে দানবীয় এক-একটা ঢেউ। একই চিত্র মন্দারমণিতেও। জলে ভেসে গিয়েছে একাধিক এলাকা।

    ইয়াস যে বাংলার বদলে ওড়িশায় মাটি ছুঁতে পারে, সে কথা আগেই জানিয়েছিল মৌসম ভবন। ইয়াস উপকূলের আরও কাছে আসতে ছবিটা আরও পরিষ্কার হয়ে যায়। ঝড়ের কারণে বুধবার ২ থেকে ৪ মিটার পর্যন্ত জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা রয়েছে। এবং তা জোয়ারের জলের উচ্চতার উপর। ফলে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যেই নামখানা থেকে হিঙ্গলগঞ্জ- একাধিক এলাকায় বাঁধ উপচে বা ভেঙে জোয়ারের জল ঢুকছে। ভাঙন কবলিত মৌসুনি দ্বীপের বালিয়াড়ায় চিনাই নদীর বাঁধে বড়সড় ফাটল তৈরি হওয়ায় জোয়ারে নোনা জলও ব্যাপক ভাবে ঢুকে পড়েছে এলাকায়। পাথরপ্রতিমার গোবর্ধনপুরে প্রায় ৫ কিমি বাঁধ টপকে সমুদ্রের জল ঢুকে প্লাবিত হয়েছে চাষের জমি। জল উঠেছে তাজপুর-শঙ্করপুর মেরিন ড্রাইভের চাঁদপুর ও জামুয়া শ্যামপুর এলাকায়।

    Published by:Suman Biswas
    First published: