পুলিশ প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে বর্ধমানে রুট মার্চ শুরু করল কেন্দ্রীয় বাহিনী

পুলিশ প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে বর্ধমানে রুট মার্চ শুরু করল কেন্দ্রীয় বাহিনী

রবিবার সকাল আটটা নাগাদ বর্ধমানের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেটে পজিশন নেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ানরা। বাসিন্দাদের মনে ভোট সম্পর্কে ভীতি দূর করে করার পাশাপাশি তারা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে যেতে পারেন সেই পরিবেশ তৈরির জন্যই কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল বলে জানা গিয়েছে।

রবিবার সকাল আটটা নাগাদ বর্ধমানের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেটে পজিশন নেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ানরা। বাসিন্দাদের মনে ভোট সম্পর্কে ভীতি দূর করে করার পাশাপাশি তারা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে যেতে পারেন সেই পরিবেশ তৈরির জন্যই কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল বলে জানা গিয়েছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমান জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ শুরু হয়ে গেল। রবিবার সকাল থেকে বর্ধমান শহরে রুট মার্চ শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সশস্ত্র জওয়ানরা। বিধানসভা নির্বাচনে নির্ঘণ্ট এখনও ঘোষণা করেনি নির্বাচন কমিশন।আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই সেই দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার কথা। তার আগেই প্রথম পর্যায়ের কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে গিয়েছে এই রাজ্যে। শনিবার প্রথম দফায় ১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছে। এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে বাঁকুড়া জেলায়। বীরভূম জেলায় এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছে গিয়েছে। তেমনই পূর্ব বর্ধমান জেলার জন্য শনিবার এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছে। বর্ধমানে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বিবেকানন্দ কলেজের রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন 'বয়স হয়েছে, তাই ভিমরতি হয়েছে আব্দুল মান্নানের!' কটাক্ষ অনুব্রত মণ্ডলের

রবিবার সকাল আটটা নাগাদ বর্ধমানের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেটে পজিশন নেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ানরা। বাসিন্দাদের মনে ভোট সম্পর্কে ভীতি দূর করে করার পাশাপাশি তারা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে যেতে পারেন সেই পরিবেশ তৈরির জন্যই কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল বলে জানা গিয়েছে। বেলা নটা নাগাদ কার্জন গেট এসে পৌঁছান জেলা শাসক মহম্মদ এনাউর রহমান, জেলা পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় সহ জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকরা।

কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হয়ে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ। জেলা পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরা জি টি রোড ধরে কার্জন গেট থেকে বীরহাটা পর্যন্ত যান। তাদের সঙ্গে চলেকেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। বীরহাটা থেকে সদরঘাট রোড ধরেও রুট মার্চ করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এদিন কালনাতেও কেন্দ্রীয় বাহিনী রুট মার্চ করে বলে জানা গিয়েছে। জেলা পুলিশ ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যেই অতি উত্তেজনা প্রবণ বা উত্তেজনা প্রবণ এলাকাগুলি চিহ্নিত করা হয়েছে। অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সেইসব এলাকায় রুট মার্চ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

নির্বাচন এলেই পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না, খণ্ডঘোষ, মন্তেশ্বর, মঙ্গলকোট, কেতুগ্রাম পূর্বস্থলীর বেশ কিছু জায়গায় অশান্ত হয়ে ওঠার প্রবণতা দেখা গিয়েছে গত নির্বাচনগুলিতে। তাই সেইসব এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী রুট মার্চ করবে।এছাড়াও জেলার সব প্রান্তে এরিয়া ডমিনেশনের কাজ চালাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।ভোটাররা যাতে বিনা বাধায় ভোট দিতে যেতে পারেন তা নিশ্চিত করতেই এই কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল বলে জানা গিয়েছে। সকলকে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ করে দেওয়াই রুট মার্চের অন্যতম উদ্দেশ্য বলে কেন্দ্রীয় বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে।

Published by:Pooja Basu
First published:

লেটেস্ট খবর