নাবালিকা পাত্রীর বাড়ি গিয়ে বিয়ে রুখলেন বিডিও

ব্লক প্রসাশনের উদ্যোগে একের পর এক বিয়ে আটকানো হচ্ছে। অনেকসময় আবার ফৌজদারি মামলা হয়েছে পাত্র পাত্রী সহ অভিভাবকদের বিরুদ্ধে।

ব্লক প্রসাশনের উদ্যোগে একের পর এক বিয়ে আটকানো হচ্ছে। অনেকসময় আবার ফৌজদারি মামলা হয়েছে পাত্র পাত্রী সহ অভিভাবকদের বিরুদ্ধে।

  • Share this:

# খেজুরি : নাবালিকাদের বিয়ে রুখতে সরকারি আর্থিক প্রকল্প হোক কিংবা  জনসচেতনতা কর্মসূচি, কোনকিছুই যে একশো শতাংশ প্রভাব ফেলতে পারছে না, তারই ছবি বারবার প্রকাশ্যে চলে আসছে খেজুরীর প্রান্তিক এলাকা গুলিতে।

ব্লক প্রসাশনের উদ্যোগে একের পর এক বিয়ে আটকানো হচ্ছে। অনেকসময় আবার ফৌজদারি মামলা হয়েছে পাত্র পাত্রী সহ অভিভাবকদের বিরুদ্ধে। তার পরেও খেজুরির প্রান্তিক এলাকায় ১৮ বছরের কম বয়সীদের বিয়ে অবাধেই চলছে।

মঙ্গলবার খেজুরী ২ নম্বর ব্লকে আরও এক নাবালিকার বিয়ে রুখলো ব্লক প্রশাসন। দক্ষিণ বোগার নাবালিকা পাত্রীর বাড়ি গিয়ে বিয়ে বন্ধ করেন ২ ব্লকের বিডিও রমল সিং বির্দি । সুরজিৎ মণ্ডলের  সঙ্গে ওই নাবালিকার বিয়ে ঠিক হয়।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই বাণীমঞ্চ হাইস্কুলের নবম শ্রেণীর ওই ছাত্রীর বাড়িতে  বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল জোরকদমে । সকালেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নাবালিকার বাড়িতে হানা দেয় বিডিও ও তালপাটি কোস্টাল থানার আধিকারিকরা। অভিভাবকদের নাবলিকা কন্যাকে বিয়ে দেওয়া আইনত অপরাধ সেবিষয়ে সচেতন করার পাশাপাশি সরকারি কন্যাশ্রী ও  রুপশ্রী প্রকল্পের বিষয়ে ওয়াকিবহাল করান বিডিও ।

এমনকি ১৮ বছরের আগে মেয়েকে ফের বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা  হলে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান বিডিও। এরপরেই  পাত্রীর বাবা মা আঠারো বছরের আগে বিয়ে না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

নাবালিকার  বিয়ে রুখে দেওয়ায় এলাকার বাসিন্দারা সাধুবাদ জানান ব্লক প্রসাশনকে। উল্লেখ্য, খেজুরী ১ ও ২ ব্লক এলাকায় প্রায়ই নাবালিকা পাত্রীর বিয়ের ঘটনা ঘটছে।  নাবালক পাত্রের বিয়ের ঘটনাও ঘটছে।  ব্লক প্রশাসন ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন থেকে সচেতনতা মূলক শিবির করলেও প্রভাব তেমন পড়ছে না । গত তিন মাসে এরকম পাঁচটি বিয়ের ঘটনা আটকে দিয়েছেন  বিডিও।

সুজিত ভৌমিক

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: