corona virus btn
corona virus btn
Loading

আন্দোলনের নামে ট্রেন-স্টেশন জ্বালানো নিয়ে বিস্ফোরক অধীর, শুনুন কী বললেন তিনি...

আন্দোলনের নামে ট্রেন-স্টেশন জ্বালানো নিয়ে বিস্ফোরক অধীর, শুনুন কী বললেন তিনি...

অধীর এদিন বলেন রেল লাইনে বা ট্রেনে আগুন লাগিয়ে মানুষ নিজেদের ক্ষতি করছেন ৷

  • Share this:

#বহরমপুর: নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের নামে তাণ্ডব চলছে রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায়। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে চলছে প্রতিবাদ। ভাঙচুর-আগুন। প্রতিবাদের নামে টার্গেট করা হয় রেলকে ৷ এর জেরে প্রায় পূর্বরেলের একাধিক ডিভিশনে ট্রেন চালানোর মতো অবস্থা নেই। ১৫ টি স্টেশন ব্যপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভাঙচুর ও আগুন লাগিয়ে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে ৬২টি কোচ।

রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় হওয়া হিংসার ঘটনার জন্য রাজ্য সরকারকেই দায়ী করলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরি ৷ প্রথম থেকেই মুখ্যমন্ত্রী কঠোর পদক্ষেপ নিলে, ঝামেলা বেশি দূর গড়াত না বলে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন কংগ্রেস নেতা অধীর ৷ পুলিশকে কাজ করতে না দিয়ে পায়ে বেড়ি পরানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। তার দাবি প্রশাসন কঠোর হলে বাংলায় নাগরিকত্ব আইন নিয়ে এইধরনের অশান্তি হত না।

তবে এদিন সাধারণ মানুষকে উস্কানিতে কান না দেওয়ার আবেদন জানান তিনি ৷ অধীর বলেন রেল লাইনে বা ট্রেনে আগুন লাগিয়ে মানুষ নিজেদের ক্ষতি করছেন ৷ তিনি বলেন,‘স্টেশন বা ট্রেন কারোর নয় ৷ এটা সাধারণ মানুষের ৷ এই সম্পত্তি সকলের ৷ সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকায় তৈরি হয়েছে রেল লাইন বা ট্রেন ৷ নিজের সম্পত্তিতে আগুন লাগানো কোনও বাহাদুরির কাজ নয় ৷ এর জেরে কী হল ? যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ হয়ে গেল ৷ কিন্তু এতে কী নাগরিকত্ব বদলে গেল ?’ তিনি আরও বলেন সকলেই বুদ্ধিমান তাই  সকলের ক্ষতি ডাকবেন না ৷ মিথ্যা প্রচারে পা না দেওয়ার আর্জি জানান অধীর ৷ ট্রেন বন্ধ হয়ে গিয়েছে এবং তা না চললে সমস্যায় পড়বেন এলাকার মানুষই ৷ ফলে এতে নিজের ক্ষতিই হচ্ছে বলে জানান তিনি ৷

অধীর চৌধুরি মানুষকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন যে এত ভয়ের কিছু নেই কারণ এত বড় দেশের এত মানুষের মতামতকে উপেক্ষা করে কিছু হবে না ৷ বিজেপি কটাক্ষ করে তিনি আরও বলেন,‘সব ভোটের রাজনীতি হচ্ছে ৷ কেন্দ্রে যারা ক্ষমতায় আছে তারা দেশের মধ্যে সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরি করে ভোট পেতে চায় ৷ ’ দেশের সমস্যা থেকে নাগরিক আইন নজর ঘোরানোর আইন বলে জানিয়েছেন অধীর চৌধুরি ৷

First published: December 17, 2019, 8:38 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर