দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

সোনার দোকান ব্যাপক লুটপাট, সিভিক ভলেন্টিয়ারকে বেঁধে রেখে গয়না নিয়ে পালাল দুষ্কৃতীরা

সোনার দোকান ব্যাপক লুটপাট, সিভিক ভলেন্টিয়ারকে বেঁধে রেখে গয়না নিয়ে পালাল দুষ্কৃতীরা
ফাইল ছবি

কর্তব্যরত সিভিক ভলেন্টিয়ারকে বেঁধে রেখে সোনার দোকান লুট করে নির্বিঘ্নে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা।

  • Share this:

#কালনা: কর্তব্যরত সিভিক ভলেন্টিয়ারকে বেঁধে রেখে সোনার দোকান লুট করে নির্বিঘ্নে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা। পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা থানা এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার গভীর রাতে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার জেরে নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন এলাকার ব্যবসায়ীরা। তারা বাজার এলাকায় রাতে নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। চুরির ঘটনায় অস্বস্তিতে পুলিশ।রাতে এলাকায় এলাকায় টহল বাড়ানো হচ্ছে বলে জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

কালনা থানার নেপাকুলি এলাকায় একটি সোনার দোকানে এই চুরির ঘটনা ঘটেছে। দোকানের শাটারের তালা ভেঙে দুষ্কৃতীরা ভেতরে ঢুকে দোকানে থাকা গয়না ও টাকা নিয়ে চম্পট দেয়। দোকানের পিছনের দিকে ভাঙ্গা সিন্দুক পাওয়া গিয়েছে। দোকান থেকে সিন্দুক বের করে নিয়ে গিয়ে তা ভেঙে গয়না নিয়ে দুষ্কৃতীরা চম্পট দেয় বলে প্রাথমিক তদন্তের পর মনে করছে পুলিশ। দোকানের মালিক সুজিত নন্দন জানান, দোকানে কিছুর রূপোর গয়না নগদ চার হাজার টাকা ছিল। সেসব নিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা।

এলাকার বাসিন্দা দীপক কুমার সান্যাল ভোরে বাজার এলাকায় এসেছিলেন।তিনি জানান, ভোর চারটে নাগাদ আমি আসি। সেই সময় ডিউটিতে থাকা সিভিক ভলেন্টিয়ারকে দেখতে পাই। সে জানায়, তাকে বেঁধে রেখে সোনার দোকানে চুরি করেছে দুষ্কৃতীরা।

এলাকার বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়ে কালনা থানার পুলিশ তদন্তে যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শব্দ পেয়ে সিভিক ভলেন্টিয়ার দোকানের কাছে গিয়েছিল। সেই সময় দুষ্কৃতীরা তার হাত মুখ বেঁধে রেখে দোকানের লুটপাট চালায়।দোকানের মালিক সুজিত নন্দনের বাড়ি কালনা শহরে। তিনি জানান, বাজার থেকেই স্থানীয়রা ফোন করে চুরির খবর জানায়। পুলিশ এসে তদন্ত শুরু করেছে। কালনা থানার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ডিউটিতে থাকা ওই সিভিক ভলেন্টিয়ারের সঙ্গে কথা বলে দুষ্কৃতীরা কতজন ছিল, তাদের চেহারার বিবরণ সহ যাবতীয় তথ্য জানার চেষ্টা হচ্ছে। তাদের হদিশ পেতে রাস্তার বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Saradindu Ghosh

Published by: Shubhagata Dey
First published: December 10, 2020, 8:43 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर