• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • 24 PARGANAS SUNDARBAN FISHERMEN STRUGGLING FOR WORK AS FUEL PRICE HIKE AND AMPHAN EFFECT RC

Sundarban Fishermen: অগ্নিমূল্য তেলের দাম, একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগ! বিপাকে সুন্দরবনের মৎস্যজীবীরা

প্রতীকী ছবি।

মরশুমের শুরু থেকে একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে বিপাকে সুন্দরবনের মৎস্যজীবীরা (Sundarban Fishermen)।

  • Share this:

    #সুন্দরবন: মরশুমের শুরু থেকে একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে বিপাকে সুন্দরবনের মৎস্যজীবীরা (Sundarban Fishermen)। তেল পুড়িয়ে বারে বারে ট্রলার নিয়ে গভীর সমুদ্রে গিয়ে আর্থিক লোকশানের মুখে পড়েছে ট্রলার মালিকরা। পর্যাপ্ত ইলিশ না পেয়ে আশাভঙ্গ হওয়ার জোগাড় হয়ে উঠেছে। গভীর সমুদ্র থেকে পাঁচ মিশালী মাছের সঙ্গে যেটুকু ইলিশ বাজারে আসছিল, তার দামও ছিল আকাশ ছোঁয়া।  নতুন করে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ। খারাপ আবহাওয়ার জেরে সমুদ্র উত্তাল হয়ে ওঠায় বাধ্য হয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে ঘাটে ফিরে আসতে হয়েছে ট্রলারগুলোকে। অনেক ট্রলার আবার ইলিশের আশায় ঘাটে না ফিরে ইতিমধ্যে সমুদ্র ঘেরা সুন্দরবনের বিভিন্ন দ্বীপের পাশে নোঙর করে ছিল। তবে আবারও পর্যাপ্ত ইলিশ না পেয়ে বেশীর ভাগ ট্রলার ঘাটে ফিরে আসায় আর্থিক লোকশানের মুখে পড়তে হয়েছে বড় অংশের ট্রলার মালিকদের।

    অন্যদিকে, তেলের অগ্নিমূল্য দামে ট্রলার মালিকদের ঘুম উড়েছে। কাকদ্বীপের ট্রলার মালিক অ্যাশোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন মাইতি বলেন, 'মরশুমের শুরু থেকে একের পর এক কোটাল ও খারাপ আবহাওয়ার মুখে পড়ে বেশীর ভাগ ট্রলারকে বারে বারে ঘাটে ফিরে আসতে হচ্ছে। ইলিশ ধরতে গেলে ট্রলারকে গভীর সমুদ্রে ঘুরতে হয়। যাতায়াতেও তেলের খরচ হয়। উত্তাল সমুদ্রে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জাল ফেলেও আর পর্যাপ্ত ইলিশের দেখা মেলেনি। গভীর সমুদ্রে যাতায়াতে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। যে পরিমান ইলিশ পেয়েছে, তাতে যাতায়াতের খরচ উঠবে না ট্রলার মালিকদের। আর্থিক লোকশানের মুখে পড়ে আবারও দুশ্চিন্তা শুরু হয়েছে ট্রলার মালিকদের। হতো সমস্ত ট্রলার বন্ধ করে দিতে হবে কাজ হারাবে লক্ষাধিক মৎস্যজীবী।' প্রত্যেক ট্রিপে জ্বালানি তেল, বরফ-সহ মৎস্যজীবীদের খাবার নিয়ে খরচ গিয়ে পড়ে প্রায় দেড় লক্ষ টাকার বেশী। গভীর সমুদ্রে পৌছে ইলিশের সন্ধানে এদিক ওদিক ঘুরতে হয় ট্রলারগুলোকে। ফলে জ্বালানি তেলের খরচও আগের চাইতে বেড়েছে। বারে বারে সমুদ্রে পৌছেও পর্যাপ্ত ইলিশ মেলেনি। তার উপর ট্রলারে ব্যবহৃত ডিজেলের মূল্য বৃদ্ধি হওয়ায় হিমশিম খাচ্ছেন ট্রলার মালিকরা। উত্তাল ঢেউ কাটাতে সমানে ইঞ্জিন চালু রাখতে হয়। কাকদ্বীপের এক ট্রলার মালিক ত্রিলোকেশ জানা বলেন, 'সবে মাত্র তেল ও বাজার শ্রমিকদের টাকা দিয়ে পাঠিয়েছি কিন্ত আবহাওয়া খারাপের জন্যে ফিরে আসতে হয়েছে। আবারও ধারদেনা করে ট্রলার কে আবার পাঠালাম তবে এই ভাবে চলতে থাকলে আর একটিপ বা দুইটির দিয়ে বন্ধ করে দিতে হবে, একদিকে তেলে অত্যাধিক মূল্য অন্যদিকে আবহাওয়ার অনুকুল না থাকায় একেবারে কোনঠাসা সুন্দরবন এর মৎস্যজীবীরা।'

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: