হোম /খবর /দক্ষিণবঙ্গ /
শাড়িতে জরি বসানোর কাজ চলছিল, ক্রেতা সেজে হাজির হয়ে চমকে গেল পুলিশ! কেন

South 24 Parganas News: শাড়ির ব্যবসার আড়ালে অস্ত্র কারখানা! ক্রেতা সেজে হানা পুলিশের

X
title=

অস্ত্রের ক্রেতা সেজে রামচন্দ্রপুরের এই কারখানায় হাজির হন জেলা পুলিশের বিশেষ দলের সদস্যরা। তাঁরা গিয়ে দেখেন খড়ের ছাউনি দেওয়া ঘরের মধ্যে শাড়িতে জরি বসানোর কাজ করছেন মহিলারা।

  • Hyperlocal
  • Last Updated :
  • Share this:

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: শাড়ির ব্যবসার আড়ালে চলছিল অস্ত্র কারখানা। ক্রেতা সেজে হানা দিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির বড় কারখানার হদিশ পেল পুলিশ। বাসন্তীর এই ঘটনায় রীতিমত শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

গত কয়েক বছর ধরেই বাংলায় বেআইনি অস্ত্র কারখানার রমরমা শুরু হয়েছে। এবার পঞ্চায়েত নির্বাচন এগিয়ে আসতেই একের পর এক জেলা থেকে বেআইনি অস্ত্র, বোমা উদ্ধার হচ্ছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাও সেই তালিকায় আছে। ইতিমধ্যেই এই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। কিন্তু পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বাসন্তীর রামচন্দ্রপুরে যে বেআইনি অস্ত্র কারখানার হদিশ পাওয়া গেল তার ক্ষমতা দেখে চোখ কপালে ওঠার যোগার জেলা পুলিশের বাঘা বাঘা অফিসারের।

আরও পড়ুন: পুলিশ ফাঁড়ির সামনে ডাম্পারের ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু

বারুইপুর পুলিশ জেলা খবর, অস্ত্রের ক্রেতা সেজে রামচন্দ্রপুরের এই কারখানায় হাজির হন জেলা পুলিশের বিশেষ দলের সদস্যরা। তাঁরা গিয়ে দেখেন খড়ের ছাউনি দেওয়া ঘরের মধ্যে শাড়িতে জরি বসানোর কাজ করছেন মহিলারা। আর তার আড়ালেই চলছে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি ও বিক্রির কারবার। পুলিশের একটি বিশাল বাহিনী এখানে হানা দিয়ে ৭ টি ইম্প্রোভাইজ লং ফায়ার আর্মস উদ্ধার করে। বারুইপুরের পুলিশ সুপার মিস পুষ্পা জানান, ঘটনাস্থল থেকে দু'জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম মোতালেফ ওরফে হাঁসা পুরকাইত ও জয়নাল মোল্লা। জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে মোতালেফ একবার গ্রেফতার হয়েছিল।

এই অস্ত্র কারখানার সন্ধানের পর তদন্ত শুরু করেছে জেলা পুলিশ। কী উদ্দেশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করা হচ্ছিল, এখান থেকে তৈরি করে কোথায় সরবরাহ করা হত এবং কোন‌ও বড়সড় চক্রের সঙ্গে যুক্ত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

সুমন সাহা

Published by:kaustav bhowmick
First published: