কিডনির সমস্যায় অসুস্থ মহিলা, রোজা ভেঙে রক্ত দিলেন মুসলিম যুবক

Last Updated:

রমজানে থাকা হামিদুল রোজা ভেঙে রক্ত কৃষ্ণা দেবীর জন্য রক্ত দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে। রক্ত দেওয়ার পর তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাসে মাতৃসম মহিলাকে রক্ত দিতে পেরে ভালো লাগছে।

#মালদহঃ-লকডাউনে অসুস্থ মহিলার ডায়ালাইসিসের জন্য প্রয়োজন ছিল রক্তের। মালদহে নার্সিং হোমে চিকিৎসাধীন মহিলার রক্ত জোগার করতে সমস্যায় পড়েছিলেন উত্তরদিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের বাসিন্দা পরিবার। সমস্যা আরও প্রকট হয় মালদা মেডিক্যাল কলেজে ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্ত সঙ্কটে। বাধ্য হয়ে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেন পরিবারের লোকজন।
খবর পেয়ে রোজা ভেঙে  রক্ত দিলেন পুরাতন মালদহের যুবক হামিদুল ইসলাম। জানা গিয়েছে উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের স্টেশন পাড়ার বাসিন্দা কৃষ্ণা দাসগুপ্ত দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জনিত সমস্যায় অসুস্থ। সপ্তাহে দুইবার করে ডায়ালাইসিসের প্রয়োজন হয় তাঁর। ডায়ালাইসিসের জন্য মঙ্গলবার দুই ইউনিট বি পজেটিভ রক্তের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু রক্তের সঙ্কট থাকায় মালদা মেডিক্যাল কলেজ থেকে প্রয়োজনীয় রক্ত পাওয়া যায়নি। এতে চরম দুশ্চিন্তায় পড়ে পরিবার।
advertisement
খবর জানার পর এগিয়ে আসে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র পুরাতন মালদহের বলাতলী গ্রামের যুবক হামিদুল। প্রায় নিজেই মোটরবাইক নিয়ে হাজির হন মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। রমজানে থাকা হামিদুল রোজা ভেঙে রক্ত কৃষ্ণা দেবীর জন্য রক্ত দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে। রক্ত দেওয়ার পর তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাসে মাতৃসম মহিলাকে রক্ত দিতে পেরে ভাল লাগছে। লকডাউন পরিস্থিতিতে যখন রক্তদান শিবির কার্যতঃ বন্ধ, ব্লাড ব্যাঙ্কে ভাড়ার কার্যতঃ শূন্য এই অবস্থায় হামিদুলের মানবিক  ভূমিকায় খুশী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কৃতজ্ঞ অসুস্থ রোগীর পরিবারও।
advertisement
advertisement
Sebak Deb Sharma
view comments
বাংলা খবর/ খবর/উত্তরবঙ্গ/
কিডনির সমস্যায় অসুস্থ মহিলা, রোজা ভেঙে রক্ত দিলেন মুসলিম যুবক
Next Article
advertisement
‘আমরা ট্যাক্স দিই এই জন্য?’ দিল্লির বিষাক্ত দূষণে নাক–গলার অস্ত্রোপচার ছোট্ট ছেলের, ভেঙে পড়লেন মা!
‘ট্যাক্স দিই এই জন্য?’ দিল্লির বিষাক্ত দূষণে নাক–গলায় অস্ত্রোপচার ছেলের, ভেঙে পড়লেন মা
  • সাক্ষী পাহাওয়ার ছেলের শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ হয় যে চিকিৎসকদের অস্ত্রোপচার করতে হয়.

  • দিল্লি-এনসিআর দূষণের কারণে সাক্ষীর ছেলের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বেড়ে যায়, চিকিৎসায় কাজ হয়নি.

  • দূষণের কারণে ছেলের অ্যাডিনয়েড ও টনসিল স্টেজ-৪ পর্যায়ে পৌঁছে যায়, অস্ত্রোপচার ছাড়া উপায় ছিল না.

VIEW MORE
advertisement
advertisement