Home /News /north-bengal /
Paresh Adhikari Case: মেখলিগঞ্জের স্কুলে এসে পৌঁছল অঙ্কিতাকে বরখাস্ত করার নোটিশ

Paresh Adhikari Case: মেখলিগঞ্জের স্কুলে এসে পৌঁছল অঙ্কিতাকে বরখাস্ত করার নোটিশ

অঙ্কিতা অধিকারী

অঙ্কিতা অধিকারী

Paresh Adhikari Case: সেই চিঠিই সোমবার পৌঁছে গিয়েছে স্কুলে। জানিয়েছেন ইন্দিরা গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা রঞ্জনারায় বসুনিয়া। তিনি জানান নির্দেশ পেয়েছেন আজ। স্কুল পরিচালন কমিটি বসে শীঘ্রই আলোচনা করবে এব্যাপারে৷

  • Share this:

    #কোচবিহার: এসএসসি দূর্নীতি কাণ্ডে জড়িত মন্ত্রী পরেশচন্দ্র অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীর চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ এল স্কুলের কাছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষিকা ছিলেন মন্ত্রী কন্যা। বাবার প্রভাব খাটিয়ে মেধাতালিকায় নাম না থাকা সত্ত্বেও চাকরি পেয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল অঙ্কিতার বিরুদ্ধে। অঙ্কিতা যোগ দিয়েছিলেন মেখলিগঞ্জের বাড়ির কাছেই ইন্দিরা বালিকা বিদ্যালয়ে৷ এরপর আদালত নির্দেশ দিয়েছে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত ও নিয়োগের পর থেকে প্রাপ্য বেতন ফেরত দিতে। সেই চিঠিই সোমবার পৌঁছে গিয়েছে স্কুলে। জানিয়েছেন ইন্দিরা গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা রঞ্জনারায় বসুনিয়া। তিনি জানান নির্দেশ পেয়েছেন আজ। স্কুল পরিচালন কমিটি বসে শ্রীঘ্রই আলোচনা করবে এব্যাপারে৷

    পরেশ অধিকারী রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। এসএসসি নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে করা মামলায় আদালতে শুনানি চলাকালীন এসসএসির তরফ থেকেই আদালতে বলা হয় আবেদনকারী ববিতা সরকারের চেয়ে কম নম্বর পয়েছিলেন অঙ্কিতা, তাও তাঁর চাকরি হয়ে গিয়েছিল। অঙ্কিতা পার্সোনালিটি টেস্টেও বসেননি, তার পরেও তিনি চাকরি পেলেন কী করে, এই নিয়ে বিস্তুর গোলমাল তৈরি হয়। তার পরেই আদালতের তরফ থেকে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে বলা হয়, চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে হবে অঙ্কিতা অধিকারীকে। পাশাপাশি ৪১ মাসের বেতনও ফেরাতে বলা হয় অঙ্কিতাকে। তার পরেই সেই নির্দেশ প্রশাসন ফেরত এসে পৌঁছেছে আদালতের কাছে।

    আরও পড়ুন: আগামী কিস্তির টাকা পাওয়ার জন্য অবশ্যই করতে হবে এই কাজ, হাতে নেই আর বেশি সময়

    এ দিকে পরেশ অধিকারীকে দুদফায় ইতিমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ সেরেছে সিবিআই। শেষ দফার জিজ্ঞাসাবাদ চলেছিল প্রায় ৯ ঘণ্টার বেশি। যদিও কী নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি পরেশ, গোটা ঘটনা নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন অঙ্কিতাও।

    Published by:Uddalak B
    First published:

    Tags: Paresh Adhikari

    পরবর্তী খবর