ভাইফোঁটায় দিদি বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন, কুলিক নদীর স্রোত টেনে নিল ভ‌াইকে

স্বজনবিয়োগের যন্ত্রণা...

আজ দুপুর পর্যন্ত চলে তাঁর খোঁজাখুঁজি। দুপুর পর্যন্ত তাঁর কোনও সন্ধান না মেলায় মিনুদেবী রায়গঞ্জ থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন।

  • Share this:

#রায়গঞ্জ: দিদির বাড়িতে বেড়াতে এসে জলে ডুবে মৃত্যু হল মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবকের।ঘটনাটি ঘটেছে রায়গঞ্জ থানার বন্দর শ্মশান কলোনী এলাকায়। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ হাসপাতাল মর্গে নিয়ে এসেছে।

জানা গিয়েছে, ইসলামপুরের বাসিন্দা সাধু রায়, ছয় মাস আগে তাঁর দিদি মিনু ভুইমালির বাড়িতে এসেছিলেন। মিনুদেবীর বাড়ি রায়গঞ্জ থানার শ্মশান কলোনি এলাকায়। গতকাল মিনুদেবীরা ছটপূজায় ব্যস্ত ছিলেন। সাধু কুলিক নদীর ঘাটে না গিয়ে পাড়ে বসেছিলেন। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন থাকায়  পরিবারের লোকেরা তাকে নদীর ঘাটে  নিয়ে যাবার সাহস দেখাননি। দুপুরে আচমকাই সাধু নিখোঁজ হয়ে যায়। ছট পূজা সেরে বাড়িতে ফিরে ভাইকে দেখতে না খোঁজাখুজি শুরু করেন দিদি মিনুদেবী। অধিকরাত পর্যন্ত খোঁজাখুজি করে তাঁর কোনও সন্ধান পাননি।

আজ দুপুর পর্যন্ত চলে তাঁর খোঁজাখুঁজি। দুপুর পর্যন্ত তাঁর কোনও সন্ধান না মেলায় মিনুদেবী রায়গঞ্জ থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন।  আজ দুপুরে কুলিক নদীতে স্থানীয় এক বাসিন্দা ছিপ দিয়ে মাছ ধরতে যান। ছিপে মাছের বদলে তার দেহ উঠে আসে। সাধুর দেহ দেখতে পেয়ে এলাকায় ব্যপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছায় রায়গঞ্জ থানার পুলিশ।পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ হাসপাতালে পাঠায়। মৃত সাধুর দিদি মিনুদেবী জানিয়েছেন, গঙ্গার কাছে ভাইকে ফিরিয়ে দেবার জন্য মানত করেছিলেন।কিন্তু গঙ্গা তার কথা না শুনে মৃত অবস্থায় ভাইকে ফিরিয়ে দিলেন।

Published by:Arka Deb
First published: