Home /News /north-bengal /
Bimal Gurung Binay Tamang: মুছে যাচ্ছে দূরত্ব, চার বছর পর পাহাড়ে মুখোমুখি বিমল-বিনয়! 'লাভবান' তৃণমূল

Bimal Gurung Binay Tamang: মুছে যাচ্ছে দূরত্ব, চার বছর পর পাহাড়ে মুখোমুখি বিমল-বিনয়! 'লাভবান' তৃণমূল

চার বছর পর দুই 'বন্ধু'

চার বছর পর দুই 'বন্ধু'

Bimal Gurung Binay Tamang: ২০১৭-র দার্জিলিংয়ে গোলমালের পর বিমল গুরুং, রোশন গিরিরা আত্মগোপন করে থাকেন। পাহাড়ের নয়া নেতা হিসেবে অভিষেক হয় বিনয় তামাং ও অনীত থাপার।

  • Share this:

#দার্জিলিং: পাহাড়ের রাজনীতিতে ফের নতুন সমীকরণ? কাছাকাছি বিমল গুরুং ও বিনয় তামাং! দার্জিলিংয়ের পাতাবং গেস্ট হাউসে বিমল গুরুংয়ের সঙ্গে গোপন বৈঠক বিনয় তামাংয়ের। ২০১৭-তে পাহাড়ে পৃথক রাজ্য নিয়ে আন্দোলন, হিংসা, গোলমালের পর এই প্রথম দুই নেতার মুখোমুখি বৈঠক। চার বছর পর ফের এক টেবিলে দুই নেতা! বৈঠক নিয়ে ইবশ্য মুখে কুলুপ এঁটেছেন দু'পক্ষই। তাহলে কি ঘরে ফেরা এখন সময়ের অপেক্ষা বিনয় তামাংয়ের? ২০১৭-র গোলমালের পর বিমল গুরুং, রোশন গিরিরা আত্মগোপন করে থাকেন। পাহাড়ের নয়া নেতা হিসেবে অভিষেক হয় বিনয় তামাং ও অনীত থাপার।

বিধানসভা নির্বাচনের পর মোর্চা ২ দল ছাড়েন বিনয় তামাং। গত ১৪ জুলাই সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করার পাশাপাশি দলের ন্যূনতম সদস্য পদও ছেড়ে দেন। ওইদিনই বিমল গুরুং জানিয়েছিলেন, বিনয় তামাং দলে ফিরতে চাইলে স্বাগত। তার মাস ঘুরতে না ঘুরতেই আজ একান্তে বৈঠক দুই নেতা।"ঘন্টাখানেকের ওপর আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে আমরা ২ জনেই ছিলাম। আর কেউ ছিল না। পাহাড়বাসীর জন্যে আগামীদিনে একযোগে কীভাবে কাজ করা যায়, তা নিয়ে কথা হয়েছে। ২০০৭ সালে পার্টির জন্ম থেকে এখন পর্যন্ত কিভাবে চলছে আলোচনা হয়েছে।" বৈঠক শেষে বললেন বিনয় তামাং। তবে বিমল গুরুং এদিন মুখ খুলতে চাননি।

জিএনএলএফের পর গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। এবারে কোন পথে বিনয় তামাং? নতুন দল করবেন নাকি গুরুং শিবিরেই ফিরবেন?  ধোঁয়াশা চলছিল। তা আজকের বৈঠকের পর অনেকটাই পরিষ্কার। আজ দুপুরেই নিজের বাসভবনে তামাং বলেন, রাজনীতি থেকে অবসর নিচ্ছে না। দ্রুত তাঁকে রাজনৈতিক ময়দানে দেখা যাবে নয়া ভূমিকায়। এদিন ত্রিপাক্ষিক বৈঠক নিয়ে কেন্দ্রের সমালোচনা করে বলেন, স্রেফ সময় নষ্ট করছে। আদপে লোক দেখানো। ত্রিপাক্ষিক বৈঠক হলে স্পষ্ট করতে হবে কোন ইস্যুতে বৈঠক হবে? কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল নাকি পৃথক রাজ্য? তা আগে জানাতে হবে কেন্দ্রকে। নইলে এই বৈঠক গুরুত্বহীন। পাশাপাশি তিনি নাম না করে অনীত থাপাকে আক্রমণ করে দাবী জানান, গত বছর জিটিএ যে কোভিড রিলিফ ফাণ্ড আদায় করেছিল তা দ্রুত সামনে আনতে হবে।

অন্যদিকে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে ডাক পেলেও যোগ দেবেন না। সাফ জানিয়ে দিলেন বিমল গুরুং। তাঁর দাবী, এর আগেও বহুবার ত্রিপাক্ষিক বৈঠক হয়েছে। কিন্তু তা কখোনই পাহাড়বাসীর ইচ্ছে, দাবী পূরণ করেনি। এবারেও কিছু হবে না। সবই লোক দেখানো। রাজ্যে বিজেপি নেতাদের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার ড্যামেজ কন্ট্রোল করার জন্যই বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়েছে। পৃথক গোর্খাল্যাণ্ড রাজ্যই পাহাড়ের স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান। ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে কি এটা ইস্যু থাকবে? তাই তারা কেন্দ্রের বৈঠকে যোগ দেবেন না।

Published by:Suman Biswas
First published:

Tags: Bimal gurung

পরবর্তী খবর