গয়না লুঠ করতে এসে চলন্ত ট্রেনের এসি কামরা থেকে মহিলাকে অপহরণ!

গয়না লুঠ করতে এসে চলন্ত ট্রেনের এসি কামরা থেকে মহিলাকে অপহরণ!
নিখোঁজ নীলিমা রায় বর্মণ
  • Share this:

#মালদা: সংরক্ষিত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কামরা থেকে গায়ে সোনার অলঙ্কার পরিহিত মহিলা যাত্রীকে অপহরণ। ঘটনাটি ঘটেছে ডাউন ব্রহ্মপুত্র মেলে ৷ নিখোঁজ গৃহবধূর স্বামীর অভিযোগ, তাঁর স্ত্রীর গায়ে থাকা সোনার অলঙ্কার ছিনতাই করতেই তাঁকে অপহরণ করেছে।

এ দিন ভোরে বারাহারোয়া স্টেশন পার হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ হয় মহিলা। ট্রেনের মধ্যে খোঁজাখুঁজি শুরু করে মহিলার স্বামী। না পেয়ে জামালপুর স্টেশনে নেমে পড়েন। বছর তিরিশের ওই নিখোঁজ মহিলার নাম নীলিমা রায় বর্মণ। ধুপগুড়ি থেকে পরিবারের সঙ্গে দিল্লি যাচ্ছিলেন নীলিমা। আদতে কোচবিহারের দিনহাটার বাসিন্দা ওই পরিবারটি এখন কর্মসূত্রে হরিয়ানার বাহাদুরগড়ে থাকেন। অভিযোগ, সোমবার ভোরে বারারোয়া স্টেশন পার করার পরে শৌচাগারে যান নীলিমা। এর পর বেশ কিছুক্ষণ কেটে গেলেও তিনি ফিরে না আসায় তাঁর খোঁজ শুরু করেন রাজু এবং তাঁর শ্যালক। কিন্তু শৌচাগারে তো বটেই, গোটা কামরাতেই ছিলেন না ওই গৃহবধূ। তাঁর মোবাইলটিও ব্যাগের মধ্যে রেখে শৌচাগারে যান তিনি। ফলে কোনওভাবেই তাঁর যোগাযোগ করতে পারেননি পরিবারের সদস্যরা।

ততক্ষণাৎ বিষয়টি টিটি এবং আরপিএফকে জানান রাজু। এর পরে ট্রেনের অন্যান্য কামরাগুলিতে খুঁজেও স্ত্রীর খোঁজ পাননি তিনি। শেষ পর্যন্ত বিহারের জামালপুর স্টেশনে নেমে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করার চেষ্টা করেন নিখোঁজ গৃহবধূর স্বামী। অভিযোগ, রেল পুলিশের সাহায্য পাননি তিনি। এর পরে সোমবার রাতেই মালদহ টাউন স্টেশনে ফিরে এসে অভিযোগ জানান ওই রাজু রায় বর্মণ।

নিখোঁজ মহিলার স্বামীর সন্দেহ, তাঁর স্ত্রীর গলায়, হাতে এবং কানে সোনার অলঙ্কার ছিল। সম্ভবত লেগুলি হাতিয়ে নিতেই তাঁর স্ত্রীকে অপহরণ করা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পরে বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নেমেছে মালদহ জিআরপি থানার পুলিশ। কিন্তু সত্যিই ওই গৃহবধূকে অপহরণ করা হয়েছে, নাকি কোনওভাবে তিনি নিজে থেকেই ট্রেন থেকে নেমে গিয়েছেন, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

First published: 05:38:49 PM Jul 02, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर