Malda News: আলুর ফলন ভাল হওয়ায় খুশির বদলে দাম নিয়ে আশঙ্কায় কৃষকরা
- Reported by:HARASHIT SINGHA
- Published by:kaustav bhowmick
Last Updated:
আলু চাষি রাজকুমার রাজবংশী বলেন, প্রথমদিকে বৃষ্টিতে একটু ক্ষতি হয়েছে। তবে এখন যা আবহাওয়া তাতে মনে হচ্ছে আলুর ফলন ভাল হবে
মালদহ: মরশুমের প্রথমে বৃষ্টিতে সামান্য কিছু ক্ষতি হয়েছিল আলু চাষে। কিন্তু তারপর থেকে আবহাওয়া এখন পর্যন্ত আলু চাষের জন্য আনুকূল। এইরকম আবহাওয়া থাকলে ভাল আলুর ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু প্রথম দিকে ক্ষতি হওয়ায় চিন্তিত কৃষকেরা। কারণ অতিরিক্ত ফলন হলে আবার আলুর দাম মিলবে না। তাই জেলার কৃষকেরা এখন থেকেই চাইছেন প্রশাসনের পক্ষ থেকে আলু যেন ভিন রাজ্যে পাঠানো হয়। আলু বাইরে গেলে ভাল দাম পাওয়া যায়। এতে মরশুমের প্রথমে যে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন তা কিছুটা হলেও রেহাই মিলবে। এই প্রসঙ্গে আলুর সহায়ক মূল্যের দাবি তুলেছেন চাষিরা।
আলু চাষি রাজকুমার রাজবংশী বলেন, প্রথমদিকে বৃষ্টিতে একটু ক্ষতি হয়েছে। তবে এখন যা আবহাওয়া তাতে মনে হচ্ছে আলুর ফলন ভাল হবে। সরকারের কাছে আমাদের দাবি, যেন বাইরে পাঠানো হয় আলু। তাহলে আমরা কিছুটা দাম পাব।
advertisement
advertisement
এবার কী দামে আলু বিক্রি হবে তা নিয়েই চিন্তিত কৃষকেরা৷ গত কয়েক বছর আলু চাষ করে ক্ষতির মুখ দেখেছেন৷ এবার লাভের মুখ দেখতে ফের আলুর চাষ করেছেন তাঁরা৷ কৃষকদের দাবি, রাজ্য সরকার ধানের মতে সহায়কমূল্যে আলুও কিনতে শুরু করুক৷ এতে তাঁরা কিছুটা হলেও লাভের মুখ দেখবেন৷ কারণ হিমঘরে আলু রাখা নিয়েও নানান জটিলতা তৈরি হয়েছে। আলু চাষি ভিরাসু রাজবংশী বলেন, কোনওবার আলুতে তেমন লাভ করতে পারি না। এই বছর ১০ বিঘা জমিতে চাষ করেছি। আমরা চাইছি সরকার সহায়ক মূল্যে আলু কিনুক। এতে আমাদের কিছুটা লাভ হতে পারে।
advertisement
আরও খবর পড়তে ফলো করুন
মালদহ জেলায় প্রায় দশ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়। পুরাতন মালদহ ও গাজোল ব্লকে জেলার মধ্যে সবথেকে বেশি আলু চাষ হয়। পাশাপাশি অন্যান্য ব্লকেও সামান্য কিছু পরিমাণে আলু চাষ করেন কৃষকেরা৷ পুরাতন মালদহের মহিষবাথানি, ভাবুক, যাত্রাডাঙা ও মঙ্গলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় সবচেয়ে বেশি আলুর চাষ হয়৷ আলু চাষিরা বলেন, বর্তমানে এক বিঘা জমিতে আলু চাষ করতে খরচ পড়ছে প্রায় ৩০ হাজার টাকা। আলুর বীজের দাম যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে পাশাপাশি বৃদ্ধি পেয়েছে সারের দাম। এমনকি জমি তৈরি করতে খরচ ব্যাপক হারে বেড়েছে। সেই তুলনায় মেলে না আলুর দাম। আবার অতিরিক্ত ফলন হলে একেবারে দাম না পাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়তে হয় কৃষকদের। গত বছর পর্যন্ত কৃষকদের ৫ থেকে ৬ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করতে হয়েছে। হিমঘরে আলু রাখা নিয়ে নানান জটিলতা থাকায় অনেক কৃষক পর্যাপ্ত পরিমানে আলু রাখতে পারেন না। তাই আলু চাষ করে প্রায়ই ক্ষতির মুখেই পড়তে হয় কৃষকদের। এবছর কৃষকেরা তাই আগে থেকেই দাবি করছেন সহায়ক মূল্যে আলু কিনুক সরকার বা ভিন রাজ্যে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হোক।
advertisement
হরষিত সিংহ
Location :
Kolkata,Kolkata,West Bengal
First Published :
Jan 13, 2024 5:29 PM IST









