Elephant Population: বক্সা-জলদাপাড়ায় বাড়ছে বুনো হাতির সংখ্যা! দাঁতালদের তাণ্ডব ঠেকাতে বেকায়দায় বন দফতর, উপায় খুঁজছেন আধিকারিকরা
- Reported by:Annanya Dey
- Published by:Aishwarya Purkait
Last Updated:
Elephant Population: উত্তরবঙ্গের বক্সা হোক কিংবা জলদাপাড়ার জঙ্গল। দিন দিন বেড়ে চলেছে বুনো হাতির সংখ্যা। যার ফলে লোকালয়ে হাতির হানার ঘটনাও বৃদ্ধি পেয়েছে। ঠেকাতে বেকায়দায় পড়েছে বন দফতর।
আলিপুরদুয়ার, অনন্যা দে: উত্তরবঙ্গের বক্সা হোক অথবা জলদাপাড়ার জঙ্গল। বেড়ে চলেছে বুনো হাতির সংখ্যা। যার ফলে লোকালয়ে হাতির হানার ঘটনাও বৃদ্ধি পাচ্ছে দিন দিন। আগে এলাকায় এক, দু’টো হাতি প্রবেশ করতে দেখা যেত। এখন দল বেঁধে হাতি প্রবেশ করছে লোকালয়ে, বন অধিকারিকদের পক্ষ থেকে এমনটাই জানা যাচ্ছে। হাতির দল এলাকায় প্রবেশ করে তাণ্ডব চালাচ্ছে। প্রায় নিত্য দিনই বিকেল হতে এই দৃশ্য দেখা যাচ্ছে।
বক্সা ও জলদাপাড়া জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসছে দল বেঁধে হাতি। তাদের নজর থাকে লোকালয়গুলিতে। অনেক সময় জাতীয় সড়ক বন্ধ করে রেখে দেয় তারা। যা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সকলে। হাতির হানায় সবচেয়ে বেশি অতিষ্ট গ্ৰামবাসীরা। বনদফতরের নিমতি রেঞ্জ কার্যালয় সংলগ্ন গ্রামের মানুষরা। সকাল নেই, বিকেল নেই গ্রামে ঢুকে পড়ছে একদল হাতি। বাড়ি ঘর থেকে শুরু করে ফসল ক্ষেত নষ্ট হচ্ছে দাঁতালদের তাণ্ডবে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ নিরীহ বন্যপ্রাণীদের সঙ্গে ‘কুকর্ম’! সাবধান হন এখনই, নয়তো ভুগতে হবে, জানুন কী ঘটেছে জলদাপাড়ায়
বক্সা জঙ্গল ঘেরা এই এলাকায় এমন পরিস্থিতি দেখে ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা। তারা বহুবার এই বিষয়ে জানিয়েছেন বনকর্মীদের। তারপরেও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ। সম্প্রতি রেঞ্জ অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান তারা। আলিপুরদুয়ার জেলার উত্তর ও দক্ষিণ লতাবাড়ি গ্ৰামে হাতির উপদ্রব বেড়েই চলেছে। প্রতিরাতে হাতি হানা দিয়ে ফসল নষ্ট করছে। এছাড়া হাতির হানায় এখনও অবধি কয়েকজন বাসিন্দা আহত হয়েছেন।
advertisement
advertisement
আরও পড়ুনঃ একদল হাতি তাণ্ডব চালাচ্ছে লোকালয়ে! পাকা ধানের জমি লণ্ডভণ্ড, নিষ্ক্রিয় বনদফতর! বিক্ষোভে ফেটে পড়ল গ্রামবাসী
গ্ৰামবাসীদের অভিযোগ, বনদফতর হাতির হানা ঠেকাতে ফেন্সিং দিচ্ছে না। বাসিন্দারা সম্প্রতি বনদফতরের নিমতি রেঞ্জ কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভে সামিল হয়। কয়েকশো গ্ৰামবাসী রেঞ্জ কার্যালয় সামনে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ দেখায়। এরপরেই এলাকায় আসেন এডিএফও নবজ্যোতি দে। তিনি গ্রামবাসীদের ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই বিষয়ে এডিএফও নবজ্যোতি দে জানান, “বনকর্মীরা টহল দেন। কিন্তু হাতির সংখ্যা বেড়ে চলেছে। ২০১৭ সালে শেষ হাতি গণনা হয়েছিল। তখন সর্বনিম্ন হাতির সংখ্যা ছিল ৭৭৬-এর মত। সংখ্যা বেড়েছে আবার গণনা করলে বোঝা যাবে।”
Location :
Alipurduar,Jalpaiguri,West Bengal
First Published :
Oct 29, 2025 5:52 PM IST








