Debi Choudhurani Temple: রাতের আঁধারে পুজো, ভোরের আগেই বিসর্জন! কেন দিনের আলো দেখেন না 'এই' মন্দিরের মা কালী, জানুন সেই কাহিনি
- Reported by:SUROJIT DEY
- Published by:Aishwarya Purkait
Last Updated:
Debi Choudhurani Temple: রাতের আঁধারে পুজো, ভোর হওয়ার আগেই বিসর্জন। দিনের আলো দেখেন না জলপাইগুড়ি লাগোয়া কাশিয়াবাড়ি কালী মন্দিরের দেবী। প্রাচীনকাল থেকে এই রীতিতেই পুজো হয়ে আসছে হলদিবাড়ি ব্লকের কাশিয়াবাড়ি গ্রামের ঐতিহ্যবাহী দেবী চৌধুরানি কালী মন্দিরে।
জলপাইগুড়ি, সুরজিৎ দে: এই দেবী আসেন রাতের অন্ধকারে, বিসর্জন হয় ভোরের আলো ফোটার আগেই। দিনের আলো দেখেন না জলপাইগুড়ি লাগোয়া কাশিয়াবাড়ি কালী মন্দিরের দেবী। প্রাচীনকাল থেকে এই রীতিতেই পুজো হয়ে আসছে হলদিবাড়ি ব্লকের কাশিয়াবাড়ি গ্রামের ঐতিহ্যবাহী দেবী চৌধুরানি কালী মন্দিরে। প্রতি বছর দেবীর আরাধনায় ব্রতী হন কাশিয়াবাড়ি-সহ সংলগ্ন গ্রামের মানুষ। ইতিমধ্যে পুজো ঘিরে জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে জোরকদমে। অনেক ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে এই পুজোকে ঘিরে।
কথিত আছে, প্রাচীনকালে এই পুজোর প্রচলন করেন দেবী চৌধুরানি ও ভবানী পাঠক। তারা এই দেবীকে পুজো করেই ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াই জারি রাখতেন। সে সময় কাঁচা চালাঘরেই দেবীর আরাধনা হত। বয়স্ক এলাকাবাসীদের কাছ থেকে জন্য যায় পরবর্তীতে কোচবিহারের রাজ আমলে মন্দিরটি পাকা তৈরি করা হয়। সিমেন্ট তৈরির আগে চুন ও সুরকি দিয়ে প্রাচীরের ইটগাঁথা হয়েছে। তবে এখন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে মন্দিরের অবস্থা জীর্ণপ্রায়।
advertisement
আরও পড়ুনঃ বুড়ো কালী বনাম জোয়ান কালী! মুখোমুখি দুই আদ্যাশক্তি, গায়ের লোম খাড়া হওয়ার মতো দৃশ্য, একবার হলেও দেখে আসুন ‘এই’ পুজো
এলাকাবাসীরাই নিজেদের উদ্যোগে টিকিয়ে রেখেছেন ভিন্ন এই কালীপুজো। এলাকাবাসীদের দাবি, প্রশাসনের তরফে যদি নজর দেওয়া হয়। সংস্কার করা হয় এই মন্দির তাহলে এই মন্দির টিকে থাকবে নয়তো একসময় বিলুপ্ত হয়ে যাবে ঐতিহ্য বহনকারী এই কালী মন্দির।
advertisement
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
শোনা যায়, পুজোর দিন শত শত পাঁঠাবলি দেওয়া হত। এখনও প্রাচীন রীতি মেনে দুই-তিনটি পাঁঠাবলি দেওয়া হয়। তারপর ভোরের আলো ফোটার আগে পার্শ্ববর্তী জলাশয়ে প্রতিমার বিসর্জন দেওয়া হয়।
Location :
Jalpaiguri,Jalpaiguri,West Bengal
First Published :
Oct 20, 2025 4:20 PM IST









