advertisement

ভীষণ শক্তিশালী! ভারত মহাসাগরে তৈরি হল বছরের প্রথম 'ক্যাটেগরি ৫' ঘূর্ণিঝড়! কতটা বিপদে পড়তে চলেছে দেশ?

Last Updated:
২০২৬ সালে বিশ্বের প্রথম ক্যাটেগরি ৫ ঘূর্ণিঝড় দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে গঠিত হয়েছে। ট্রপিক্যাল সাইক্লোন হোরাসিও অল্প সময়ের মধ্যে দ্রুত শক্তি বৃদ্ধি করে ঘণ্টায় ২৫৭ কিলোমিটার বেগে পৌঁছেছে, যা আবহাওয়াবিদদের মতে ‘র‌্যাপিড ইনটেনসিফিকেশন’-এর একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। যদিও ঝড়টি বর্তমানে ভারতের উপকূল থেকে বহু দূরে অবস্থান করছে, তবুও এর তীব্রতা এবং দ্রুত শক্তিবৃদ্ধি ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, উষ্ণ সমুদ্রপৃষ্ঠ এবং অনুকূল বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতি ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
1/9
ট্রপিক্যাল সাইক্লোন হোরাসিও ২০২৬ সালের বিশ্বের প্রথম ক্যাটেগরি ৫ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে—এটি এমন ঝড়ের সর্বোচ্চ শ্রেণিবিভাগ। শুধু এর তীব্রতার জন্য নয়, অত্যন্ত দ্রুত শক্তি সঞ্চয়ের কারণেও এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিকভাবে নজর কেড়েছে।
ট্রপিক্যাল সাইক্লোন হোরাসিও ২০২৬ সালের বিশ্বের প্রথম ক্যাটেগরি ৫ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে—এটি এমন ঝড়ের সর্বোচ্চ শ্রেণিবিভাগ। শুধু এর তীব্রতার জন্য নয়, অত্যন্ত দ্রুত শক্তি সঞ্চয়ের কারণেও এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিকভাবে নজর কেড়েছে। (Representative Image) 
advertisement
2/9
দক্ষিণ ভারত মহাসাগরের উষ্ণ জলের ওপর তৈরি হয়েছে ট্রপিক্যাল সাইক্লোন হোরাসিও। অন্যান্য সব উষ্ণমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়ের মতোই এটি সমুদ্রের ওপর একটি নিম্নচাপ বলয় হিসেবে শুরু হয়েছিল।
দক্ষিণ ভারত মহাসাগরের উষ্ণ জলের ওপর তৈরি হয়েছে ট্রপিক্যাল সাইক্লোন হোরাসিও। অন্যান্য সব উষ্ণমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়ের মতোই এটি সমুদ্রের ওপর একটি নিম্নচাপ বলয় হিসেবে শুরু হয়েছিল। (Representative Image) 
advertisement
3/9
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাস উপরে উঠলে নীচে একটি নিম্নচাপ এলাকা তৈরি হয়। সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে চারপাশের আরও বাতাস দ্রুত ঢুকে পড়ে। পৃথিবীর ঘূর্ণনের প্রভাবে সেই বায়ুপ্রবাহ ঘুরতে শুরু করে এবং ধীরে ধীরে একটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে সংগঠিত হয়।
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাস উপরে উঠলে নীচে একটি নিম্নচাপ এলাকা তৈরি হয়। সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে চারপাশের আরও বাতাস দ্রুত ঢুকে পড়ে। পৃথিবীর ঘূর্ণনের প্রভাবে সেই বায়ুপ্রবাহ ঘুরতে শুরু করে এবং ধীরে ধীরে একটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে সংগঠিত হয়। (Representative Image) 
advertisement
4/9
হোরাসিওর বিশেষ তাৎপর্য হল, খুব অল্প সময়ে এর শক্তি দ্রুত বেড়ে যাওয়া। আবহাওয়াবিদেরা এই প্রক্রিয়াকে “র‌্যাপিড ইনটেনসিফিকেশন” বা দ্রুত তীব্রতা বৃদ্ধি বলে থাকেন। সাধারণত সমুদ্রপৃষ্ঠের অস্বাভাবিক উষ্ণতা এবং অনুকূল বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতির কারণে স্বল্প সময়ে ঝড়ের বায়ুর গতি নাটকীয়ভাবে বেড়ে যায়।
হোরাসিওর বিশেষ তাৎপর্য হল, খুব অল্প সময়ে এর শক্তি দ্রুত বেড়ে যাওয়া। আবহাওয়াবিদেরা এই প্রক্রিয়াকে “র‌্যাপিড ইনটেনসিফিকেশন” বা দ্রুত তীব্রতা বৃদ্ধি বলে থাকেন। সাধারণত সমুদ্রপৃষ্ঠের অস্বাভাবিক উষ্ণতা এবং অনুকূল বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতির কারণে স্বল্প সময়ে ঝড়ের বায়ুর গতি নাটকীয়ভাবে বেড়ে যায়। (Representative Image) 
advertisement
5/9
‘ক্লাইমেট অবজারভার’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হোরাসিওর বায়ুর গতি প্রায় ১০৪ কিমি প্রতি ঘণ্টা থেকে বেড়ে ২৫৭ কিমি প্রতি ঘণ্টায় পৌঁছেছে—যা বিরল এবং অত্যন্ত দ্রুত তীব্রতা বৃদ্ধির উদাহরণ।
‘ক্লাইমেট অবজারভার’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হোরাসিওর বায়ুর গতি প্রায় ১০৪ কিমি প্রতি ঘণ্টা থেকে বেড়ে ২৫৭ কিমি প্রতি ঘণ্টায় পৌঁছেছে—যা বিরল এবং অত্যন্ত দ্রুত তীব্রতা বৃদ্ধির উদাহরণ। (Representative Image) 
advertisement
6/9
বর্তমানে হোরাসিও দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে সক্রিয় রয়েছে এবং ভারতের উপকূল থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছে। তবুও এর দ্রুত শক্তিবৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছে—ক্যাটেগরি ৫ ঘূর্ণিঝড় আসলে কী এবং এ ধরনের প্রবল ঝড়ের ক্ষেত্রে ভারত কতটা ঝুঁকিপূর্ণ?
বর্তমানে হোরাসিও দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে সক্রিয় রয়েছে এবং ভারতের উপকূল থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছে। তবুও এর দ্রুত শক্তিবৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছে—ক্যাটেগরি ৫ ঘূর্ণিঝড় আসলে কী এবং এ ধরনের প্রবল ঝড়ের ক্ষেত্রে ভারত কতটা ঝুঁকিপূর্ণ? (Representative Image) 
advertisement
7/9
 ক্যাটেগরি ৫ ঘূর্ণিঝড় বলতে কী বোঝায়? বহুল ব্যবহৃত সাফির-সিম্পসন হারিকেন উইন্ড স্কেল অনুযায়ী, ক্যাটেগরি ৫ ঘূর্ণিঝড় হল সর্বোচ্চ মাত্রার ঝড়, যেখানে স্থায়ী বায়ুর গতি ঘণ্টায় ২৫০ কিলোমিটারের বেশি। (Representative Image) 
ক্যাটেগরি ৫ ঘূর্ণিঝড় বলতে কী বোঝায়? বহুল ব্যবহৃত সাফির-সিম্পসন হারিকেন উইন্ড স্কেল অনুযায়ী, ক্যাটেগরি ৫ ঘূর্ণিঝড় হল সর্বোচ্চ মাত্রার ঝড়, যেখানে স্থায়ী বায়ুর গতি ঘণ্টায় ২৫০ কিলোমিটারের বেশি। (Representative Image) 
advertisement
8/9
এই মাত্রায় পৌঁছালে একটি ঘূর্ণিঝড়ের ধ্বংসক্ষমতা বিপর্যয়কর হয়ে ওঠে। এত প্রবল বাতাস ভবনের ছাদ উড়িয়ে দিতে পারে, বড় বড় গাছ উপড়ে ফেলতে পারে, বিদ্যুৎ অবকাঠামো ভেঙে দিতে পারে এবং উপকূলবর্তী বসতি এলাকায় মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে পারে।
এই মাত্রায় পৌঁছালে একটি ঘূর্ণিঝড়ের ধ্বংসক্ষমতা বিপর্যয়কর হয়ে ওঠে। এত প্রবল বাতাস ভবনের ছাদ উড়িয়ে দিতে পারে, বড় বড় গাছ উপড়ে ফেলতে পারে, বিদ্যুৎ অবকাঠামো ভেঙে দিতে পারে এবং উপকূলবর্তী বসতি এলাকায় মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে পারে। (Representative Image) 
advertisement
9/9
এ ধরনের ঘূর্ণিঝড় প্রায়শই বিশাল জলোচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে—সমুদ্রের জল প্রাচীরের মতো ভেতরের দিকে ধেয়ে আসে, যার ফলে উপকূলীয় অঞ্চলে ভয়াবহ প্লাবন দেখা দেয়। তাছাড়া অতিবৃষ্টির কারণে উপকূল থেকে অনেক দূরবর্তী এলাকাতেও আকস্মিক বন্যা এবং ভূমিধসের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
এ ধরনের ঘূর্ণিঝড় প্রায়শই বিশাল জলোচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে—সমুদ্রের জল প্রাচীরের মতো ভেতরের দিকে ধেয়ে আসে, যার ফলে উপকূলীয় অঞ্চলে ভয়াবহ প্লাবন দেখা দেয়। তাছাড়া অতিবৃষ্টির কারণে উপকূল থেকে অনেক দূরবর্তী এলাকাতেও আকস্মিক বন্যা এবং ভূমিধসের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। (Representative Image) 
advertisement
advertisement
advertisement