• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • মাধ্যমিকের পর উচ্চ মাধ্যমিকেও বাজিমাত উত্তরবঙ্গের, শীর্ষে জলপাইগুড়ি

মাধ্যমিকের পর উচ্চ মাধ্যমিকেও বাজিমাত উত্তরবঙ্গের, শীর্ষে জলপাইগুড়ি

ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ষষ্ঠ স্নেহিন সেন ৷ দিল্লি পাবলিক স্কুলের ছাত্র স্নেহিন ৷ সপ্তম স্থানে রাজ বার্নপুর রিভার সাইড স্কুলের ছাত্র বিনীত ৷

ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ষষ্ঠ স্নেহিন সেন ৷ দিল্লি পাবলিক স্কুলের ছাত্র স্নেহিন ৷ সপ্তম স্থানে রাজ বার্নপুর রিভার সাইড স্কুলের ছাত্র বিনীত ৷

আবারও জ্বলে উঠল পাহাড়-ঝর্ণা-সবুজের দেশ ৷ আবারও প্রথম স্থান নিজেদের দখলে নিল উত্তরবঙ্গের সন্তান ৷

  • Share this:

    #জলপাইগুড়ি: আবারও জ্বলে উঠল পাহাড়-ঝর্ণা-সবুজের দেশ ৷ আবারও প্রথম স্থান নিজেদের দখলে নিল উত্তরবঙ্গের সন্তান ৷ এ বছরের উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম স্থান দখল করল জলপাইগুড়ির গ্রন্থন সেনগুপ্ত ৷ জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলের ছাত্র সে ৷ পকেটে পুরেছে ৯৯.২% নম্বর (৪৯৬) ৷ শুধু তাই নয়, গ্রন্থনের আরও একটি অন্যতম বিশেষত্ব আলাদা করে তাঁকে গুরুত্ব দিতে বাধ্য করেছে ৷ কারণ কলা বিভাগ থেকে প্রথম হয়েছে সে ৷ ৫ বছর পর আবারও কলা বিভাগ থেকে প্রথম স্থান দখল করল কোনও পরীক্ষার্থী ৷ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে প্রথম এবং সব মিলিয়ে দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে তমলুকের ঋত্বিক কুমার শাহু ৷ তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৩ ৷

    আরও পড়ুন: প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিকের রেজাল্ট, ৯৯.২% পেয়ে প্রথম জলপাইগুড়ির গ্রন্থন সেনগুপ্ত

    তবে এই সব কিছু ছাপিয়ে বারবারই নজর কাড়ছে উত্তরবঙ্গ ৷ মাধ্যমিকে প্রথম স্থান দখল করেছি কোচবিহারের সুনীতি অ্যাকাডেমির সঞ্জীবনী দেবনাথ ৷ ঝুলিতে ছিল ৬৮৯ নম্বর ৷ শুধু তাই নয়, তৃতীয় স্থানেও সেই উত্তরবঙ্গের জয়জয়কার ৷ তিন নম্বরে ছিল তিন জন ৷ তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭ ৷ সুনীতি অ্যাকাডেমির ময়ূরাক্ষী সরকার, জলপাইগুড়ি জেলা হাইস্কুলের নীলব্জা দাশ ও মৃন্ময় মণ্ডল ৷

    আরও পড়ুন: উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম গ্রন্থন সেনগুপ্ত, পাঁচবছর পর শীর্ষে কলাবিভাগ

    অন্যদিকে আবার নজর কেড়েছে পশ্চিমবঙ্গের নতুন জেলা কালিম্পং । মাধ্যমিকের পর উচ্চ মাধ্যমিকেও পাসের হারে একেবারে উপরের দিকে রয়েছে এই জেলা ৷ মাধ্যমিকে কালিম্পংয়ে পাশের হার ছিল ৯৬.৯৫ শতাংশ । উচ্চ মাধ্যমিকেও সাফল্যের হারে সমস্ত জেলাকে ছাপিয়ে দ্বিতীয় স্থানে নিজের নাম তুলে এনেছে পাহাড়ের কোলের ছোট্ট এই জেলা ৷ মাধ্যমিকের মতোই প্রথম স্থানে অবশ্য রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর ৷

    First published: