শীঘ্রই রাস্তা ও হাইওয়েতে টোল প্লাজা বন্ধ হতে চলেছে, জানালেন নিতিন গড়কড়ি

শীঘ্রই রাস্তা ও হাইওয়েতে টোল প্লাজা বন্ধ হতে চলেছে, জানালেন নিতিন গড়কড়ি

Photo Courtesy-ANI

মোটর স্ক্র্যাপিং নীতির কথা বলতে গিয়ে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী বলেন যে, সুরক্ষা হোক বা দূষণ বা অর্থনৈতিক দিক থেকে পুরানো যানবাহনের কোনও মান নেই৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: এক বছরের মধ্যেই সব রাস্তা ও হাইওয়েতে (roads and highway) উঠে যাবে টোল প্লাজা (toll plaza)৷ ঘোষণা করেছেন সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি (Nitin Gadkari)৷ টোল প্লাজার বদলে সরাসরি জিপিএস-এর মাধ্যমে টোলের টাকা কাটা হবে৷ ভেহিক্যাল স্ক্যাপিং পলিসি নিয়ে নিজের বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই বিষয়টি উল্লেখ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী৷ তিনি স্পষ্ট করেন যে, আগামী এক বছরের মধ্যে রাস্তার মাঝের সমস্ত টোল প্লাজা সরিয়ে দেওয়া হবে৷ এর মানে, টোলের টাকা নেওয়া হবে জিপিএস মাধ্যমে৷ গাড়ি প্রতি সরাসরি টোলারে টাকা কেটে নেওয়া হবে৷ অর্থাৎ রাস্তার মাঝে আর দাঁডিয়ে টাকা দিতে সময় নষ্ট হবে না যাত্রীদের৷

    মন্ত্রী জানান যে, ৯৩ শতাংষ গাড়ি টোলে টাকা কাটায় ফাস্টট্যাগে মাধ্যমে৷ বাকি ৭ শতাংশ এখনও আগের পদ্ধতিতে টোলে টাকা দেন৷ কারা এইভাবে টোলের টাকা দিচ্ছেন, সেই খোঁজ চালাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে৷ কারণ ফাস্টট্যাগ না থাকলে, জিএসটি বা টোলে টাকা না দিয়ে ফাঁকি দিয়ে পালাতে পারে চালক৷ ২০১৬-এ শুরু হয় ফাস্টট্যাগ সিস্টেম৷ যেই গাড়িতে ফাস্টট্যাগ নেই, তার ক্ষেত্রে টোল দ্বিগুণ দিতে হয়৷ এছাড়াও এই বিশেষ নিয়মের মাধ্যমে খুবই নিশ্চিন্তে টোল পার করতে পারেন চালক৷

    মোটর স্ক্র্যাপিং নীতির কথা বলতে গিয়ে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী বলেন যে, সুরক্ষা হোক বা দূষণ বা অর্থনৈতিক দিক থেকে পুরানো যানবাহনের কোনও মান খুবই কম৷ পুরনো গাড়িতে দূষণের মাত্রা বেড়ে যায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ৷ তাই পেট্রোল-ডিজেল গাড়ির সঙ্গে আগামিদিন বৈদ্যুতিন গাড়ি এবং বাইকের ব্যবহারও পাল্লা দিয়ে বাড়বে বলে আশাবাদি মন্ত্রী৷

    এছাড়া পুরনো গাড়ি স্ক্র্যাপের ফলে ইস্পাতের ব্যবহার বাড়বে৷ যার জেরে যানবাহনের দাম ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে৷ এতে বাড়বে কর্মসংস্থানের সুযোগও৷

    কীভাবে হবে এই ভেহিক্যাল স্ক্যাপিং? পুরানো যানবাহনের মালিকদের স্ক্র্যাপিং সেন্টারে একটি শংসাপত্র দেওয়া হবে৷ যারা স্ক্র্যাপ সার্টিফিকেট নিয়ে আসবেন তাদের ৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া উচিত। এ বিষয়ে যানবাহন প্রস্তুতকারীদের সঙ্গে কথা হয়েছে বলে জানান গড়কড়ি। বাজেটে অর্থমন্ত্রী যানবাহনের জিএসটি ছাড় দেওয়ার অনুরোধ করেছেন। যদিও এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

    তবে ভিনটেজ যানবাহনের জন্য কোনও স্ক্র্যাপিং নীতি থাকবে না বলে স্পষ্ট করেন নিতিন গড়কড়ি৷ তার জন্য থাকবে অন্য নিয়ম, বলছেন তিনি৷ নতুন এই নিয়মে রাস্তার সুরক্ষা আরও ভাল হবে৷ পুরনো গাড়ি স্ক্র্যাপ করে নতুন গাড়ি বাড়লে যানবাহনগুলিতে আরও ভাল প্রযুক্তি আসবে৷ এতে রাস্তায় দূষণ কমবে এবং জ্বালানির ব্যবহারও কমবে৷ নতুন প্রযুক্তিতে তৈরি যানবাহন ৩ থেকে ৬ শতাংশ কম জ্বালানী ব্যয় করে৷

    Published by:Pooja Basu
    First published:

    লেটেস্ট খবর