'চিটিংবাজ' মহিলা! বারবার বিয়ের জালে ছেলেদের ফাঁসিয়ে টাকা আদায়, শেষে পুলিশের জালে

বারবার বিয়ে করে স্বামীদের ঠকিয়ে টাকা আদায়ে অভ্যস্থ হয়ে গিয়েছিলেন মহিলা৷ ওড়িশার মহিলার থেকে মিলেছে নানা নামের আধার কার্ড ও অন্যান্য পরিচয় পত্র, যেখানে দেখা গিয়েছে যে তিনি পরিচয় বদলে বিয়ে করে টাকা তুলত মহিলা৷ শেষে পুলিশের জালে৷

বারবার বিয়ে করে স্বামীদের ঠকিয়ে টাকা আদায়ে অভ্যস্থ হয়ে গিয়েছিলেন মহিলা৷ ওড়িশার মহিলার থেকে মিলেছে নানা নামের আধার কার্ড ও অন্যান্য পরিচয় পত্র, যেখানে দেখা গিয়েছে যে তিনি পরিচয় বদলে বিয়ে করে টাকা তুলত মহিলা৷ শেষে পুলিশের জালে৷

  • Share this:

    #ভুবনেশ্বর: বিয়ে যেন খেলা! এবং সেই খেলা থেকে শুধু টাকা আদায় করত এক মহিলা৷ সর্বশেষে এক স্বামীর অভিযোগের ভিত্তিতেই সে পড়ল পুলিশের জালে৷ বিয়ের নামে টাকা তোলার ব্যবসা শুরু করেছিল ৩২ বছরের ইলি মহান্ত৷ বিয়ে করেই শুরু করত অশান্তি এবং মুক্তি পেতে চাইত মোটা অঙ্কের টাকা৷ এই ছিল তার ধান্দা! খুবই নিপুণভাবে ঘটত পুরো ঘটনা, তাই সন্দেহ হত না কারও৷ যদিও শেষ পর্যন্ত শ্রীঘের গেল চিকিংবাজ মহিলা! তৃতীয় স্বামীর অভিযোগ পেয়ে কালাহান্ডি থানার পুলিশ গ্রেফতার করে মহিলাকে৷ ধরা পড়ে মহিলার ষড়যন্ত্র৷

    শুধু বিয়ে ভাঙার জন্য নয়, বিয়ে করার জন্যও টাকা নিত ইলি৷ তদন্ত শুরু করে পুলিশের হাতে উঠে আসে এই অবাক করা তথ্যও৷ প্রথম দু’বার বেশ সহজে বিয়ে এবং বিচ্ছেদ করতে পারলেও, তৃতীয় স্বামীর ঘর ভাঙতে কাঠঘর পোড়াতে হল ইলিকে৷ পুলিশ জানিয়েছে যে, ইলি বারবার পরিচয় বদলায়৷ তার থেকে বেশ কয়টি আধার কার্ড উদ্ধার হয়েছে৷ যেখানে তার নাম রয়েছে সিন্ধুমতি মুন্ডা, মমতা জৈন, মমতা অগ্রাওয়াল প্রমুখ!

    আরও পড়ুন লটারি কার্ডের মাধ্যমে সঙ্গীকে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর, ভিডিও ভাইরাল নেটদুনিয়ায়!

    ওড়িশার সুন্দরগড় জেলার রঘুনাথপতির জগদার মেয়ে ইলির প্রথম স্বামীর নাম কুমুদবন্ধ পটেল৷ প্রথম স্বামীর মৃত্যুর হয় ২০১৩-এ৷ তারপর রাজেন্দ্র দাসের সঙ্গে বিয়ে হয় তার৷ তবে খুব তাড়াতাড়ি রাজেন্দ্রের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ করে মোটা অঙ্কের খোরপোশ নেয় ইলি৷ এরপর ছত্তীশগড়ে নিজের আত্মীদের কাছে থাকতে শুরু করে সে৷

    পুলিশ জানিয়েছে যে, এরপর ২০২০র জুন মাসে বিকাশ জৈনের সঙ্গে বিয়ের প্রস্তাব আনা হয়৷ বিকাশের বাড়ির লোক খুবই তৎপর ছিলেন ছেলের বিয়ের ব্যাপারে৷ এমনকী তাঁরা টাকা দিতেও প্রস্তুত ছিলেন৷ প্রস্তাব গ্রহণ করে ইলি৷ বিয়ের জন্য ৪ লক্ষ টাকা নেয় সে৷ নিজেকে মমতা আগ্রওয়াল বলে পরিচয় দেয় ইলি৷ এমনকী পরিবারের সকলেও মিথ্যে সাজিয় নেয়৷ ইলি ওরফে মমতা ও রাজেন্দ্রর বিয়ে হয় ৩০ জুন ২০২০এ৷ কিন্তু বিয়ের পরপরই ইলি শুরু করে অশান্তি৷ তখন সন্দেহ হয় রাজেন্দ্রর৷ খোঁজাখঁজির পর ইলির ভুয়ো আধার কার্ড হাতে পান তিনি৷ কথা কাটাকাটি হলে, ইলি ৫ লক্ষ টাকা দাবি করে৷ পুলিশে অভিযোগ জানান রাজেন্দ্র ও তার পরিবার৷ জানা গিয়েছে যে, এর মধ্যেও ইলি আরও একটি বিয়ের ছক কষছিল৷

    Published by:Pooja Basu
    First published: