সোনভদ্রে কোনও খনিতে ৩০০০ টন সোনা উদ্ধার হয়নি ! জানালেন GSI-র ডিরেক্টর জেনারেল

সোনভদ্রে কোনও খনিতে ৩০০০ টন সোনা উদ্ধার হয়নি ! জানালেন GSI-র ডিরেক্টর জেনারেল
Representational Image

সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে জানিয়েছেন জিএসআই-এর ডিরেক্টর জেনারেল এম শ্রীধর ৷

  • Share this:

#সোনভদ্র,উত্তরপ্রদেশ: যাহ ! জ্যাকপট তাহলে ফসকে গেল ! জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (GSI)-র কথায় তো এখন তেমনটাই মনে হচ্ছে ৷ উত্তর প্রদেশের সোনভদ্রে ৩০ বছরের চেষ্টায় দু’দুটি সোনার খনি উদ্ধার হয়েছে ৷ এমনটাই ছিল ব্রেকিং নিউজ ৷ কিন্তু ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সব আশা শেষ ৷ জিএসআই ডিরেক্টর জেনারেল এম শ্রীধর আজ, শনিবার কলকাতায় পিটিআই-কে জানালেন, ‘‘ সোনভদ্রে কতটা পরিমাণ সোনা পাওয়া গিয়েছে, বা আদৌ পাওয়া গিয়েছে কী না, তার কোনও হিসেব GSI-র কাছে নেই ৷ উত্তর প্রদেশের সোনভদ্র জেলায় এত পরিমাণ টন সোনার হিসেব আমাদের কাছে নেই ৷ ’’ তিনি আরও বলেন, উত্তরপ্রদেশের ওই অঞ্চলে ১৯৯৮-৯৯ এবং ১৯৯৯-২০০০ সালে খননের কাজ চালায় জিএসআই ৷ একটা রিপোর্ট দেওয়া হয়েছিল উত্তর প্রদেশের ডিজিএম-কে ৷ যাতে ভবিষ্যতে আরও ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয় ৷

খোঁড়াখুঁড়ি শুরু সেই ১৯৯২ সালে। সোনার সন্ধানে উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রে খোঁড়াখুড়ি শুরু করে জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া। কিন্তু সোনার কণারও সন্ধান মিলছিল না। ২৮ বছর পর নাকি এসেছিল হাতেনাতে রেজাল্ট। একটা নয়, দু-দুটো সোনার খনি। জোড়া সোনার খনি আবিস্কারের নমুনা ভারতে কেন, এশিয়াতেই খুব বেশি নেই। তাতেই আনন্দে মেতেছিল উত্তর প্রদেশ-সহ গোটা দেশ ৷ কিন্তু মুহূর্তের মধ্যেই সব আশা শেষ ৷

দাবি করা হচ্ছিল, সোনপাহাড়ি ও হরদি ব্লক এলাকায় সোনার ভাণ্ডার রয়েছে ৷ দুটি খনিতে ৫৮ হাজার ২৮৬ টন আকরিক সোনা মজুত রয়েছে ৷ ভারতে এই মুহূর্তে মোটে ৩টি খনি থেকে সোনা তোলা হয়। ১২টি খনি পরিত্যক্ত ঘোষণা হয়েছে। বাঙালি হোক বা গুজরাতি- সোনা নিয়ে ভারতীয়দের প্রবল আগে। সোনা বড় আদরের ধন। তাই সোনার ভান্ডার মেলার খবরে অনেকেই খাতা কলম নিয়ে বসেছিলেন। বাজারে ১০ গ্রাম সোনার দাম প্রায় ৪২ হাজার টাকা। এই অবস্থায় সোনার খনির খোঁজে আশাবাদী ছিলেন অনেকেই। কিন্তু জিএসআই-এর ডিরেক্টর জেনারেলের কথায় সকলকে হতাশই হতে হল ৷

First published: February 22, 2020, 8:35 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर