Delhi Elections 2020: 'দেশ কি গদ্দারোঁ কো, গোলি মারো শালোঁ কো...,' বিজেপি নেতা অনুরাগ ঠাকুরের নতুন স্লোগান

Delhi Elections 2020: 'দেশ কি গদ্দারোঁ কো, গোলি মারো শালোঁ কো...,' বিজেপি নেতা অনুরাগ ঠাকুরের নতুন স্লোগান
কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর

আজ অনুরাগের মুখে যে স্লোগান শোনা গেল, তা সাধারণত স্বঘোষিত কট্টরপন্থী হিন্দুত্ব সংগঠনগুলির নেতাদের মুখে আগে শোনা গিয়েছে৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: পয়লা ফেব্রুয়ারি বাজেট৷ তার আগে কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের সভায় 'কুকথা'! সোমবার দিল্লিতে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে উস্কানিমূলক স্লোগান দেওয়া অভিযোগ উঠল অনুরাগ ঠাকুরের বিরুদ্ধে৷ বিজেপি রাজ্যসভাপতি দিলীপ ঘোষের মতোই এ বার কর্মীদের গুলি চালানোর নির্দেশ দিলেন অনুরাগ৷

দিল্লির রিঠালার সভায় অনুরাগ স্লোগান তুললেন, 'দেশ কে গদ্দারোঁ কো, গোলি মারো শালোঁ কো৷' যখনই অনুরাগ স্লোগান দিচ্ছেন,'দেশ কে গদ্দারোঁ কো...৷' তখনই সভার জনতার থেকে পাল্টা চিত্‍কার আসছে, 'গোলি মারো শালোঁ কো৷' ওই জায়গাতেই পরে অনুরাগ ঠাকুর ও আরেক কেন্দ্রীয়মন্ত্রী গিরিরাজ সিং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সভায় যোগ দেন৷

প্রসঙ্গত, আজ অনুরাগের মুখে যে স্লোগান শোনা গেল, তা সাধারণত স্বঘোষিত কট্টরপন্থী হিন্দুত্ব সংগঠনগুলির নেতাদের মুখে আগে শোনা গিয়েছে৷ বিশেষ করে গত ৫ জানুয়ারি জেএনইউ-এর পড়ুয়া ও শিকষকদের উপর হামলার ঘটনার পর বেশ কয়েকটি স্বঘোষিত কট্টরপন্থী হিন্দু সংগঠনের সভাতেও এই একই স্লোগান তোলা হয়েছে৷

কয়েক দিন আগেই দিল্লিতে বিজেপি প্রার্থী কপিল মিশ্র বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক ট্যুইটে কড়া পদক্ষেপ করে নির্বাচন কমিশন৷ কপিলের বিরুদ্ধে এফআইআর-এর নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর প্রচার ৪৮ ঘণ্টা ব্যানও করে দেয় কমিশন৷ কপিলের ট্যুইটটি ছিল, 'পাকিস্তানের প্রবেশ শাহিনবাগে হয়ে গিয়েছে৷ দিল্লিতেও ছোট ছোট পাকিস্তান তৈরি করা হচ্ছে৷' কপিলের এই ট্যুইটের পরেই নির্বাচন কমিশনের রোষের মুখে পড়েন কপিল৷ কমিশন জানিয়ে দেয়, নির্বাচনী বিধির ধারা লঙ্ঘন হয়েছে৷ কোনও প্রার্থী এমন কোনও কাজ করতে পারেন না, যা কোনও জাতি, সম্প্রদায় বা ধর্মের মানুষকে হিংসামূলক উস্কানি দেয়৷

বঙ্গেও একাধিক বিজেপি নেতার মুখে গুলির হুমকি শোনা যাচ্ছে৷ কয়েক দিন রানাঘাটে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ গুলি করে মারার হুমকি দিয়েছিলেন৷ গুলি করে মারার হুমকি শোনা গিয়েছে বীরভূমে বিজেপি জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডলের গলায়ও৷ রানাঘাটে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ)-র সমর্থনে প্রচারে গিয়ে দিলীপবাবু বলেছিলেন, 'নাগরিকত্ব আইন বিরোধী আন্দোলনে পাঁচশো-ছশো কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি করা হয়েছে। অসম, কর্নাটক, উত্তরপ্রদেশে শয়তানদের গুলি করা হয়েছে। তাদের জেলে ভরা হয়েছে। এই রাজ্যে কাউকে গ্রেফতার পর্যন্ত করা হয়নি।' এর পরেই তাঁর হুমকি, 'এখানে আসবে, থাকবে, খাবে আবার সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি করবে! আমরা এলে লাঠি মারব, গুলি করব, জেলে পাঠাব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও মুরোদ নেই।'

এ বার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয়মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের সভাতেও উঠল গুলি চালানোর স্লোগান৷

First published: January 27, 2020, 6:11 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर