করোনা আতঙ্ক: বন্ধ করা হল সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল

করোনা আতঙ্কের জেরে বুধবার থেকেই সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল প্রার্থনা সভা ঘর পর্যটকদের জন্য বন্ধ করা হল।

করোনা আতঙ্কের জেরে বুধবার থেকেই সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল প্রার্থনা সভা ঘর পর্যটকদের জন্য বন্ধ করা হল।

  • Share this:

#কলকাতা: করোনা আতঙ্কের জেরে বুধবার থেকেই সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল প্রার্থনা সভা ঘর পর্যটকদের জন্য বন্ধ করা হল। নিয়ম মেনে প্রার্থনা সভা ঘরে প্রার্থনা হলেও আপাতত পরবর্তী নির্দেশ না হওয়া পর্যন্ত কোন পর্যটক বা বহিরাগতরা ঢুকতে পারবেন না। কলকাতায় এক তরুণ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পরপরই এই সিদ্ধান্ত নিল সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যেই সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন গেটে নির্দেশিকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে প্রার্থনা সভার ঘর বন্ধ থাকলেও সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল বাগানটি খোলা থাকছে পর্যটকদের জন্য। জানা গেছে বাগানটি খোলা থাকলেও যাতে অতিরিক্ত জমায়েত না হয় বাগানে সেই বিষয়েও নিরাপত্তা আধিকারিকদের খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে।

ইতিমধ্যেই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কলকাতাতে ছুঁয়েছে। লন্ডন থেকে ফিরে আসা এক তরুণ করোনাভাইরাস এ সংক্রমণের শিকার হয়েছেন। যা নিয়ে ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক। কলকাতাতে করোনাভাইরাস এ সংক্রমণের শিকার হওয়ায় বন্ধ করে দেওয়া হল সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল চার্চ। যদিও অন্যান্য রাজ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের খবর আসার পরপরই মিউজিয়াম, সাইন্স সিটির মত দর্শনীয় স্থানগুলি ইতিমধ্যেই পর্যটকদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের প্রার্থনার জন্য খুলে রাখা হয়েছিল সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল। মূলত বিদেশের বহু পর্যটক এবং কলকাতা ও শহরতলি থেকে অসংখ্য মানুষ প্রার্থনা করতে আসেন এই চার্চে। যার জন্যই মঙ্গলবার পর্যন্ত সাধারণ মানুষের জন্য খুলে রাখা হয়েছিল সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল।

অন্যদিকে সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল বন্ধ করা হলেও ক্যাথলিকদের নিয়ন্ত্রণে থাকা চার্চ গুলি খোলা থাকছে বলে জানা গেছে। এ প্রসঙ্গে আর্চ বিশপ থমাস ডিসুজা জানিয়েছেন "কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের নির্দেশ মেনেই সব রকম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা চার্চ গুলিতে নেওয়া হয়েছে। প্রত্যেকটি চার্চের বাইরেই স্যানিটাইজার রাখা হয়েছে যারাই চার্চে ঢুকছেন তাদেরকেই এই নিয়ম মানতে বলা হচ্ছে।" তবে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী ক্ষেত্রে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া় হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Published by:Akash Misra
First published: