জয়ললিতা সম্পর্কে না জানা কিছু তথ্য

রবিবার বিকেল ৫টা নাগাদ হৃদরোগে আক্রান্ত হন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা ৷ চেন্নাইয়ের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে আম্মাকে ৷

রবিবার বিকেল ৫টা নাগাদ হৃদরোগে আক্রান্ত হন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা ৷ চেন্নাইয়ের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে আম্মাকে ৷

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #চেন্নাই: রবিবার বিকেল ৫টা নাগাদ হৃদরোগে আক্রান্ত হন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা ৷ চেন্নাইয়ের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে আম্মাকে ৷ এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালের সামনে ভিড় জমতে শুরু করেছে তার সমর্থকদের ৷ দেশের রাজনীতিতে অন্যতম কুশলি কিং মেকারের পাশাপাশি তিনি একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ছিলেন ৷ একসময় এমজি রামচন্দ্রনের নায়িকা হিসাবে একের পর এক সুপারহিট ছবিতে অভিনয় করেছেন। রাজনীতিতে তিনিই জয়ললিতার গুরু।

    জয়ললিতা দক্ষিণ ভারতের সেই অভিনেত্রীর যিনি ছবিতে প্রথম স্কার্ট পরেছিলেন ৷ ১৯৬৫ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত জয়ললিতা বেশিরভাগ এমজি রামচন্দ্রনের সঙ্গে ছবি করেছেন ৷

    jayalalithaa3

    এরপর ১৯৮২ সাল থেকে এমজিআরের হাত ধরেই রাজনীতিতে পা রাখেন আম্মা ৷ এমজিআরের হাত ধরেই এআইএডিএমকে একের পর এক ধাপ পেরিয়ে দ্রুত দলের দ্বিতীয় সবোর্চ্চ পদ দখল করেন জয়ললিতা। এমজিআরের মৃত্যু, দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, ভাঙন - সব সামলে জয়ললিতার নেতৃত্বে তামিলনাড়ুতে  ক্ষমতায় ফেরে এআইএডিএমকে। ১৯৯১ সালের ২৪ জুন প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন জয়ললিতা ৷ তিনিই তামিলনাড়ুর প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী ৷ ২০০১ সালে দ্বিতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন ৷ ২০১১ সালে তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হন ৷ তামিলনাড়ুতে জয়ললিতাকে ‘আম্মা’ বলে সম্বোধন করা হয় ৷ এই মুহূর্তে তার নামে রাজ্যে বেশ কয়েকটি প্রকল্প চলছে৷ যার মধ্যে রয়েছে আম্মা ক্যান্টিন, আম্মা বাটার, আম্মা সিমেন্ট ৷ জীবনের প্রথম দিকে তিনি তামিল ছবির অভিনেত্রী ছিলেন ৷ এরপর তেলেগু, কন্নড় ও হিন্দি ছায়াছবিতেও তিনি অভিনয় করেছেন ৷ স্কুলে পড়ার সময়  ‘এপিসল’ নামে একটি ইংরেজি ছবিতেও তিনি অভিনয় করেছিলেন ৷ ১৫ বছর বয়সে কন্নড় ছায়াছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করতে শুরু করেন তিনি ৷ এরপর তামিল ছবিতে কাজ করতে শুরু করেন জয়ললিতা ৷ দক্ষিণ ভারতের তিনিই প্রথম অভিনেত্রী যিনি রূপোলি পর্দায় প্রথম স্কার্ট পরে অভিনয় করেছেন
    First published: