Home /News /national /
Govt Subsidies: জনসংখ্যায় চিনকে ছাড়াতে চলেছে ভারত! দেশের এত মানুষকে সরকারি ভর্তুকি জোগানো যাবে কী না, বাড়ছে উদ্বেগ

Govt Subsidies: জনসংখ্যায় চিনকে ছাড়াতে চলেছে ভারত! দেশের এত মানুষকে সরকারি ভর্তুকি জোগানো যাবে কী না, বাড়ছে উদ্বেগ

Govt Subsidy System

Govt Subsidy System

India's Population and Govt Subsidies: এমনকি রাজনীতিবিদ, সরকারি চাকরিজীবী এবং এনআরআই, যাদের আয়ের একাধিক উৎস রয়েছে, তারাও বিনামূল্যে সুবিধা নিতে ছাড়েন না।

  • Share this:

    ২০২৩ সালে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ হিসেবে চিনকেও ছাড়িয়ে যাবে ভারতবর্ষ! জাতিসংঘের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এমনই ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে। ফলে দেশের নানা খাতেই বাড়ছে উদ্বেগ। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলির মধ্যে একটি হতে পারে ভারতের ভর্তুকি ব্যবস্থা। আয়তন এবং সুবিধাভোগীর সংখ্যার (৮০ কোটি) নিরিখে সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভর্তুকি ব্যবস্থা চলে এদেশেই। কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে, ভারতের পক্ষে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ভারসাম্য বজায় রাখা এবং এই বিশাল ভর্তুকি ব্যবস্থা বজায় রাখা কঠিন হবে। অভাবীদের জন্য খাদ্য, কৃষি এবং অন্যান্য বিভিন্ন ভর্তুকি দেওয়ার মূল লক্ষ্য হল জনগোষ্ঠীকে আর্থিক সঞ্চয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যাতে তাঁরা শিক্ষা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং অন্যান্য মৌলিক সুযোগ-সুবিধাগুলিকে সহজে পেতে পারেন।

    কেন্দ্র এবং রাজ্যগুলির মোট ভর্তুকির পরিমাণ ২৭.০৭ লক্ষ কোটি টাকার ট্যাক্স সহযোগে ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে ৫.৬ লক্ষ কোটি টাকা থেকে ২০২১-২২ অর্থবর্ষে বেড়ে ৮.৮৬ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে৷ ভর্তুকিতে ব্যয় করা পরিমাণ দেশের মোট কর সংগ্রহের ৩৩% এবং জিডিপির ৬%।

    আরও পড়ুন- দেশের আদিবাসী স্বাধীনতা সংগ্রামীদের জন্য জাদুঘর বানানো উচিত: প্রধানমন্ত্রী মোদি

    ভর্তুকি ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে ৩% থেকে বেড়ে ২০২১-২২ অর্থবর্ষে GDP-এর ৬% হয়েছে। ভর্তুকি গ্রহণকারী জনসংখ্যার ৭০% এরও বেশি মানুষের জন্য মাথাপিছু ভর্তুকি একই সময়ে ১৫% CAGR-এ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    গত তিন বছরে কেন্দ্রের খাদ্য ভর্তুকি দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে, ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে ১.০৯ লক্ষ কোটি টাকা থেকে ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ২.৮৭ লক্ষ কোটি টাকা এবং সার ভর্তুকি ৮১,০০০ কোটি থেকে ১,৪০,০০০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ যোজনার (PMGKY) ভর্তুকি ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে ৬,০৩৩ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ৮,৪৫৬ কোটি টাকা হয়েছে।

    আরও পড়ুন- দলের নির্দেশিকাকে উপেক্ষা, উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন শিশির- দিব্যেন্দু

    ভর্তুকি ব্যবস্থায় সংস্কার এবং টাকা সরাসরি সুবিধাভোগী পাঠানো (DBT) এখন সরকারের অগ্রাধিকার। DBT নকল এবং জালিয়াতির সংখ্যা হ্রাস করেছে। ২০১৩ সালে শুরু হওয়ার পর থেকে DBT সরকারের প্রায় ২.৫০ লক্ষ কোটি টাকা বাঁচাতে সাহায্য করেছে। তারপরও, বিভিন্ন ক্ষেত্রে, ভর্তুকি উদ্দেশ্য পূরণ করতে ব্যর্থ হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অন্যান্য প্রযুক্তি-চালিত প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভর্তুকি ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ করে তুলতে হবে।

    পঞ্জাবে বিনামূল্যে বিদ্যুতের জন্য কৃষকদের ভর্তুকি বিলের বোঝা রাজ্য সরকারের কোষাগারে বছরে ৭,০০০ কোটি টাকা, কারণ বিনামূল্যে পাওয়া ১৫ লক্ষ টিউবওয়েলগুলিতে কোনও মিটারিং ব্যবস্থা নেই। সেচের উদ্দেশ্যে সঠিক খরচ বের করার জন্য কোনও সঠিক পরিসংখ্যান নেই। এমনকি রাজনীতিবিদ, সরকারি চাকরিজীবী এবং এনআরআই, যাদের আয়ের একাধিক উৎস রয়েছে, তারাও বিনামূল্যে সুবিধা নিতে ছাড়েন না।

    Published by:Madhurima Dutta
    First published:

    Tags: Electricity Subsidy, LPG Gas Subsidy

    পরবর্তী খবর