'হিন্দুদের পুরস্কার দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট,' অযোধ্যা মামলায় প্রথম রিভিউ পিটিশন

'হিন্দুদের পুরস্কার দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট,' অযোধ্যা মামলায় প্রথম রিভিউ পিটিশন
অযোধ্যা রায়ের রিভিউ পিটিশন

অযোধ্যা রায়ে সুপ্রিম কোর্ট ওই বিতর্কিত জমি হিন্দুদের বলে জানিয়েছে৷ ফলে অযোধ্যায় রাম মন্দির গড়ার তোড়জোড়ও শুরু হয়ে গিয়েছে৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: অযোধ্যা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের প্রথম রিভিউ পিটিশন জমা পড়ল সুপ্রিম কোর্টে৷ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের অযোধ্যা মামলার রায়ে পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে শীর্ষ আদালতে মামলা করল মুসলিম সংগঠন জামাত উলেমা এ হিন্দ৷ এ দিন সংগঠনের পক্ষ থেকে রিভিউ পিটিশনটি দাখিল করেন মৌলানা আরসাদ মদানি৷ রিভিউ পিটিশনে বলা হয়েছে, 'বাবরি মসজিদ ধ্বংসের জন্য হিন্দুদের পুরস্কার দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট৷ '

অযোধ্যা রায়ে সুপ্রিম কোর্ট ওই বিতর্কিত জমি হিন্দুদের বলে জানিয়েছে৷ ফলে অযোধ্যায় রাম মন্দির গড়ার তোড়জোড়ও শুরু হয়ে গিয়েছে৷ ১৯৯২ সালের আগেও ওই জমিতে বাবরি মসজিদ ছিল৷ গত মাসে ওই জমিটি রামলালার বলে নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট৷ পাশাপাশি সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে বিকল্প ৫ একর জমি মসজিদ নির্মাণের জন্য বরাদ্দ করার নির্দেশ দেয়৷

Loading...

ওই রায়ের পর থেকে মুসলিম পক্ষ থেকে কোনও রিভিউ পিটিশন করা হয়নি৷ সোমবার প্রথম পিটিশনটি এল জমিয়ত উলেমা ই হিন্দ-এর থেকে৷ সূত্রের খবর, ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল' বোর্ডও রিভিউ পিটিশন দাখিল করতে পারে৷

সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড আগেই জানিয়ে দিয়েছে, তারা রিভিউ আবেদন করবে না৷ এবং মসজিদের জন্য বরাদ্দ ৫ একর জমি নেওয়া হবে কিনা, তা নিয়েও চিন্তাভাবনা চালাচ্ছে৷ জমিয়ত উলেমা ই হিন্দের প্রধান মৌলানা আরসাদ মদানি জানান, বেশির ভাগ মুসলিমই রিভিউ পিটিশনের পক্ষে৷ খুব সংখ্যক মুসলিম রিভিউ পিটিশনের বিপক্ষে৷

গত ৯ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট ঐতিহাসিক অযোধ্যা মামলার রায়ে বলেছিল, অযোধ্যার মূল বিতর্কিত জমিতে রাম মন্দির তৈরিতে কোনও বাধা নেই। মসজিদ তৈরির জন্য অযোধ্যাতেই পাঁচ একর জমি দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছিল আদালত। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ-এর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের বেঞ্চের এই রায় সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড বা বাবরি মসজিদ অ্যাকশন কমিটি মেনে নিলেও রায় চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টেই ফের মামলা দায়ের করতে চলেছে এআইএমপিএলবি। ফলে ফের আদালতেই গড়াচ্ছে অযোধ্যায় রাম মন্দির-বাবরি মসজিদ ইস্যু।

First published: 04:46:06 PM Dec 02, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर