এ মাসেই হয়তো ফাঁসি, সাত বছর অপেক্ষার পরও আশাবাদী নির্ভয়ার বাবা

এ মাসেই হয়তো ফাঁসি, সাত বছর অপেক্ষার পরও আশাবাদী নির্ভয়ার বাবা
  • Share this:

#নয়াদিল্লি: সাত বছরেরও বেশি সময় ধরে মেয়ের ধর্ষণ এবং খুনের বিচার চেয়ে আদালতের দোরে দোরে ঘুরছেন৷ চার অভিযুক্তের ফাঁসির দিনক্ষণ তিন তিনবার পিছোলেও এখনও আশা ছাড়তে নারাজ নির্ভয়ার বাবা৷ রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ অন্যতম অভিযুক্ত পবন কুমার গুপ্তর প্রাণভিক্ষার আর্জি এ দিনই খারিজ করে দিয়েছেন৷ নির্ভয়ার বাবার আশা, এ মাসের মধ্যেই হয়তো চার অভিযুক্তের ফাঁসির নির্দেশ কার্যকর করা হবে৷

নির্ভয়া কাণ্ডে চার অভিযুক্তের প্রাণভিক্ষার আর্জি জানানোর আর কোনও পথ খোলা নেই বলে দাবি করেছে দিল্লি সরকার৷ তিহার জেল কর্তৃপক্ষও নতুন করে ফাঁসির দিনক্ষণ স্থির করার আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে৷ কারণ জেল কর্তৃপক্ষের মতে, পবন কুমার গুপ্তের প্রাণভিক্ষার আর্জি রাষ্ট্রপতি খারিজ করে দেওয়ার পর অভিযুক্তদের বাঁচার আর কোনও পথ খোলা নেই৷

নির্ভয়ার বাবা এ দিন টেলিফোনে জানান, 'বাকিদের মতো পবনও হয়তো সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানাবে৷ এর পরে কী হয়, আমরা সেদিকে নজর রাখছি৷ কিন্তু এখনও আমাদের আশা, সঠিক বিচারই হবে৷

মেয়েকে যারা নৃশংসভাবে হত্যা করেছিল, তাদের ফাঁসি বার বার পিছিয়ে যেতে দেখে এর আগেও আদালত চত্বরেই কান্নায় ভেঙে পড়েছেন নির্ভয়ার মা৷ তার পরেও অবশ্য বিচারব্যবস্থার উপরেই ভরসা রাখছেন নির্ভয়ার বাবা৷ তিনি বলেন, 'আমাদের আশা ফাঁসির নির্দেশ এ মাসেই কার্যকর করা হবে৷ দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে বিচার পাব আমরা৷'

২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর দিল্লিতে একটি বাসের মধ্যে গণধর্ষণ করা হয়েছিল এক প্যারামেডিক ছাত্রীকে৷ পরে সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর৷ নৃশংস সেই ঘটনায় শিউরে উঠেছিল গোটা দেশ৷ ছয় অভিযুক্তের মধ্যে বর্তমানে তিহার জেলে বন্দি রয়েছে ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত চারজন৷ আর এক অভিযুক্ত রাম সিং জেলের মধ্যেই আত্মহত্যা করেছিল৷ এ ছাড়াও এক অভিযুক্ত নাবালক হওয়ায় তিন বছর হোমে থাকার পর মুক্তি পেয়েছে৷

First published: March 4, 2020, 8:16 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर