#সাংহাই: গোটা বিশ্বে করোনা হাহাকার! কিছুতেই বাগে আনা যাচ্ছে না মারণ ভাইরাসকে! যদি বা কিছু দেশে খানিক পরাস্ত করা গিয়েছিল করোনাকে, যে মুহূর্তে বিধিনিষেধে ছাড় দেওয়া হল, হুহু করে ফের ছড়াতে থাকল সংক্রমণ! চিনেও শুরু হয়েছে করোনার 'সেকেন্ড ওয়েভ', অর্থাৎ চিনকে করোনামুক্ত ঘোষণা করার পর ফের নতুন করে মিলছে করোনা আক্রান্তের হদিশ!
করোনা আবহেই চিনে শুরু হল চিরাচরিত অমানবিক, পাশবিক, দানবীয় এক উৎসব! চিনের দক্ষিণ-পশ্চিমের শহর ইউলিন মেতে উঠল ১০ দিন ব্যাপী বার্ষিক কুকুরের মাংসের উৎসবে। দাবি করা হচ্ছে, চিন সরকারের তরফে এই উৎসবে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। শুরু হয়েছিল একটি ক্যাম্পেনও,কিন্তু সরকারের নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই রমরমিয়ে চলছে উৎসব। যদিও সমাজ সচেতকরা আশা করছেন, এ'বছরই বোধহয় শেষ উৎসব।
প্রতি বছরই উৎসবে কাতারে কাতারে মানুষ ভিড় জমান, এ'বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি! করোনা আবহের মধ্যেই উপচে পড়া ভিড় কুকুরের মংসের উৎসবে। চিনা পলিসি স্পেশালিস্ট ও পশুপ্রেমী সংগঠনের সদস্য পিটার লি জানান, '' আশা করছি ইউলিন বদলাবে। শুধুমাত্র পশুদের খাতিরেই নয়, কুকুরের মাংস খাওয়ার ভয়ঙ্কর স্বাস্থ্যপরিস্থিতির দিকটা ভেবে অন্তত মানুষ সতর্ক হবে!'' তিনি আরও বলেন, '' উৎসব মানেই মানুষের ভিড়, করোনা আবহে জমায়েত মানেই তা ভয়ঙ্কর! উৎসবের নামে ভিড় ঠাসা বাজার বা রেস্তোরাঁয় কুকুরের মাংস খাওয়া মানে ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি ডেকে আনা!''
করোনা ভাইরাস প্রথম ছড়ায় চিনের ইউহানে। দাবি করা হয়, ইউহানের মাংস বাজার থেকেই ছড়িয়েছিল করোনা, হর্সশু প্রজাতির বাদুড় থেকে মানব শরীরে ঢোকে ভাইরাস। এরপরই চাপের মুখে পড়ে ওয়াইল্ডলাইফ ট্রেড বন্ধ করার কথা ভাবে চিন।
এপ্রিল মাসে শেনজেন শহরে প্রথম কুকুরের মাংস নিষিদ্ধ করা হয়। কৃষিদফতর কুকুরকে শুধু পোষ্য হিসেবেই দেখার নিদান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু তারপরও কী ভাবে আয়োজিত হল ইউলিনের কুকুরের মাংসের উৎসব ? প্রশ্ন তুলছে গোটা বিশ্ব!
নিউজ১৮ বাংলায় সবার আগে পড়ুন ব্রেকিং নিউজ। থাকছে দৈনিক টাটকা খবর, খবরের লাইভ আপডেট। সবচেয়ে ভরসাযোগ্য বাংলা খবর পড়ুন নিউজ১৮ বাংলার ওয়েবসাইটে।
Tags: Yulin dog festival