Home /News /national /
Delhi Gang Rape: ফের দিল্লি, ফের ধর্ষণ! এবার স্টেশনের প্ল্যাটফর্মেই গণধর্ষণের অভিযোগ খোদ রেলকর্মীদের বিরুদ্ধে

Delhi Gang Rape: ফের দিল্লি, ফের ধর্ষণ! এবার স্টেশনের প্ল্যাটফর্মেই গণধর্ষণের অভিযোগ খোদ রেলকর্মীদের বিরুদ্ধে

প্রতীকী ছবি৷

প্রতীকী ছবি৷

এই ঘটনায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করে নয়াদিল্লি পুলিশ।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: ফের দিল্লি, ফের ধর্ষণ! নয়াদিল্লি স্টেশনে প্ল্যাটফর্মের ভিতরেই মহিলাকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল খোদ রেল কর্মীদের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই চারজনকে গ্রেফতার করেছে নয়াদিল্লি পুলিশ।

    পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত চারজনই রেলের বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মী। বৃহস্পতিবার রাতে ইলেকট্রিক্যাল মেনটেন্যান্সের স্টাফ রুমে মহিলাকে গণধর্ষণ করা হয়। দু’জনের বিরুদ্ধে উঠেছে ধর্ষণের অভিযোগ এবং বাকি দু’জন ওই ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে পাহারা দিচ্ছিল। মোট চারজনের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে এফআইআর।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্য রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পদ, বেজিংয়ের সঙ্গে আলোচনায় দিল্লি

    অভিযুক্তরা হলেন সতীশ কুমার (৩৫), বিনোদ কুমার (৩৮), মঙ্গল চাঁদ মীনা (৩৩) এবং জগদীশ চাঁদ (৩৭)। রেলের ডিসিপি হরেন্দ্র সিং জানান, গত ২২ জুলাই ভোর ৩টে বেজে ২৭ মিনিট নাগাদ নির্জাতিতা নিজে পুলিশে ফোন করে ঘটনার কথা জানান। নিমেষে স্টেশনে ছুটে যায় পুলিশ বাহিনী।

    আরও পড়ুন: স্বীকৃতি পায়নি প্রথম শপথ ! সংসদে দু'বার শপথ নিলেন কপিল সিবাল !

    অভিযোগে নির্জাতিতা মহিলা পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি হরিয়ানার ফরিদাবাদের বাসিন্দা। দু'বছর আগে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়। বর্তমানে তিনি কাজ খুঁজছেন। অভিযুক্তদের আগে থেকেই চিনতেন তিনি। সতীশ নামে চার অভিযুক্তদের মধ্যে একজনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয় এক বন্ধুর মাধ্যমে। অভিযুক্ত তাঁকে কথা দেয়, রেলে চাকরি করে দেবে। বৃহস্পতিবার সতীশ তাঁকে ফোন করে ছেলের জন্মদিনে নেমন্তন্ন করে। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ সতীশের সঙ্গে তিনি কির্তিনগর মেট্রো স্টেশনে দেখা করেন। সেখান থেকে সতীশ তাঁকে নয়াদিল্লি স্টেশনে নিয়ে যায়। সেখানে বাকি ৩ অভিযুক্ত হাজির ছিল। প্রত্যেকেই রেলের ইলেকট্রিক বিভাগের কর্মী। স্টেশনের ইলেকট্রিক্যাল মেনটেন্যান্সের স্টাফ রুমে তাঁকে গণধর্ষণ করা হয়।

    এই ঘটনায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করে নয়াদিল্লি পুলিশ।

    Published by:Rukmini Mazumder
    First published:

    পরবর্তী খবর