
#নয়াদিল্লি:
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে দেশে। ২০২০-র সেপ্টেম্বর মাসে করোনার ফার্স্ট ওয়েভ-এর থেকে দ্বিতীয় ঢেউ একেবারেই আলাদা। কারণ এখন করোনার নতুন করে সংক্রমণের হার অনেক বেশি। ল্যানসেট কোভিড-১৯ কমিশন ইন্ডিয়া টাস্কফোর্স একটি রিপোর্ট পেশ করেছে। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিদিন ১০ থেকে ৮০ হাজার নতুন কেস সামনে এসেছে। অর্থাৎ ৪০ দিনের মধ্যে নতুন সংক্রমণের হার অনেক বেশি। গত বছর সেপ্টেম্বর মাস নাগাদ নতুন সংক্রমণের হার বাড়তে সময় লেগেছিল গড় ৮৩ দিন। তবে এবার অনেকেই উপসর্গহীন বলে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন পড়ছে না। এমনকী এবার মৃত্যুর হারও আগের থেকে অনেকটাই কম।সেই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, নতুন করোনা সংক্রমণ অনেক বেশি ছোঁয়াচে। যার ফলে কেউ আক্রান্ত হলে তাঁর পরিবারের সদস্যরাও সংক্রমিত হচ্ছেন। ২০২০ সালের মার্চ মাসে মহামারীর শুরুতে যে পরিমাণ মৃত্যুর হার ছিল, এখন তার থেকে অনেকটাই কম। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ অনেক বেশি ছোঁয়াচে। তবে তেমন প্রাণঘাতী নয়। তবুও সাবধানতা অবলম্বন করে চলতে হবে। না হলে সংক্রমণের হার বড়ে বড় বিপদ হতে পারে। কারণ এবার অনেকেই উপসর্গহীন। কারো কারো আবার শরীরে হালকা উপসর্গ রয়েছে। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই টেস্ট না হলে সংক্রমণ ধরা পড়ছে না।
সারা দেশে এখন প্রতিদিন গড়ে ৬৬৪ জন মারা যাচ্ছেন করোনায় আক্রান্ত হয়ে। তবুও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৃত্যুর হার আগের থেকে অনেকটাই কম। তবে সংক্রমণের হার মারাত্মক।
করোনা সংক্রমণের হারের হিসাবে সব থেকে ক্ষতিগ্রস্থ জেলাগুলির সংখ্যা এখন অনেকটাই কমেছে। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২০-র অগাস্ট মাস নাগাদ ৭৫ শতাংশ করোনার মামলা থাকা জেলার সংখ্যা ছিল ৬০ থেকে ১০০। এবার সেই সব জেলার সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ২০-৪০। এমনকী যে সব জেলায় সংক্রমণের হার ছিল ৫০ শতাংশ সেখানেও সংখ্যাটা কমেছে। ২০২০ সালে ৫০ শতাংশ সংক্রমণ থাকা জেলার সংথ্যা ছিল ৪০-এর বেশি। এখন সেটা ২০।