• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • নাম না করে জয়াপ্রদাকে আক্রমণ, আজম খানের মন্তব্যে সমালোচনার ঝড়

নাম না করে জয়াপ্রদাকে আক্রমণ, আজম খানের মন্তব্যে সমালোচনার ঝড়

অনেকেরই প্রশ্ন, ভোটপ্রচারে নেমে কেন বার বার নেতারা শালীনতার সীমা ভুলে যান? এতে কি আদৌ দলের কোনও লাভ হয়?

অনেকেরই প্রশ্ন, ভোটপ্রচারে নেমে কেন বার বার নেতারা শালীনতার সীমা ভুলে যান? এতে কি আদৌ দলের কোনও লাভ হয়?

অনেকেরই প্রশ্ন, ভোটপ্রচারে নেমে কেন বার বার নেতারা শালীনতার সীমা ভুলে যান? এতে কি আদৌ দলের কোনও লাভ হয়?

  • Share this:

    #রামপুর: বিজেপি প্রার্থী জয়াপ্রদার নাম না করে কুরুচিকর মন্তব্য সমাজবাদী পার্টির আজম খানের। যা নিয়ে সমালোচনার ঝড়। বিপাকে পড়ে আজম খানের গলায় সাফাইয়ের সুর। ভোটের উত্তরপ্রদেশে কুরুচিকর মন্তব্য নিয়ে তুমুল বিতর্ক। রবিবার নাম না করে এভাবেই বিজেপির জয়াপ্রদাকে নিশানা করেন রামপুর কেন্দ্রে তাঁর প্রতিপক্ষ, সমাজবাদী পার্টির নেতা আজম খান। তারপর থেকেই সমালোচনার ঝড়। শুধু সমালোচনা নয়, সমাজবাদী পার্টির আজম খানের বিরুদ্ধে এফআইআরও দায়ের হয়েছে। নোটিস পাঠিয়েছে জাতীয় মহিলা কমিশনওে। বিপাকে পড়ে আজম খানের গলায় সাফাইয়ের সুর। আজম খানের মন্তব্যকে হাতিয়ার করে বিজেপি নিশানা করেছে সমাজবাদী পার্টি ও তাদের জোট সঙ্গী বহুজন সমাজ পার্টিকে। বিজেপির খোঁচা, এরকম কুরুচিকর মন্তব্য করার পরেও কেন নীরব অখিলেশ-মায়াবতীরা? রবিবার আজম খান যখন কুরুচিকর মন্তব্যটি করেন, তখন মঞ্চে ছিলেন অখিলেশ যাদব। বিজেপি তাঁকে নিশানা করার পরে সোমবার তিনি মুখ খোলেন। তবে, মুখ খুলে দলের প্রভাবশালী নেতা, সংখ্যালঘু মুখ, আজম খানেরই পাশে দাঁড়ান। অনেকে বলছেন, আজম খানের এমন কুরুচিকর মন্তব্যের সমালোচনা হওয়াই উচিত। নীরব থাকার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। কিন্তু, হিমাচলপ্রদেশের বিজেপি সভাপতি যখন কুরুচিকর মন্তব্য করেন, তখন কেন নীরব থাকে বিজেপি? অনেকেরই প্রশ্ন, ভোটপ্রচারে নেমে কেন বার বার নেতারা শালীনতার সীমা ভুলে যান? এতে কি আদৌ দলের কোনও লাভ হয়?

    First published: