• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • Assam Evacuation: জবরদখল উচ্ছেদ ঘিরে রক্তাক্ত অসম! হিংসার বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিল সরকার...

Assam Evacuation: জবরদখল উচ্ছেদ ঘিরে রক্তাক্ত অসম! হিংসার বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিল সরকার...

অসমে উচ্ছেদ কেন্দ্র করে হিংসা

অসমে উচ্ছেদ কেন্দ্র করে হিংসা

Assam Evacuation: অসমে উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধে আহত দুই পক্ষের একাধিক।

  • Share this:

    #গুয়াহাটি : সরকারের উদ্যোগে জবরদখল উচ্ছেদ ঘিরে ফের রক্তাক্ত অসম। রাজ্যের দারাং জেলায় মৃত অন্তত দুই। পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধে আহত দুই পক্ষের একাধিক। উচ্ছেদ (Assam Evacuation) ঘিরে শুরু হওয়া পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধ প্রসঙ্গে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma) বলেন, ‘উচ্ছেদ কাজ সম্পন্ন করার দায়িত্ব পুলিশকে দেওয়া হয়েছিল। ওরা ওদের কর্তব্য করবে।"

    মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত শর্মা (Himanta Biswa Sarma) এও বলেন,  আমার কাছে খবর কাছে ইট-লাঠি নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা হয়েছে।' অসম সরকার বৃহস্পতিবার দারাং জেলার সিপাজাড়ে উচ্ছেদ অভিযানের সময় সংঘটিত এই হিংসার ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি মর্মান্তিক ভিডিও (Assam Evacuation) প্রকাশ পেয়েছে যেখানে বুকে গুলিবিদ্ধ আপাতদৃষ্টিতে মৃত ব্যক্তিটি নিথর পরে থাকতে দেহ যায়। কিন্তু তখনও একজন ব্যক্তি ক্যামেরা সহ তার ওপর আঘাত করছে এমনও দেখা যায়। যদিও নিউজ 18 ভিডিওটির সত্যতা এখনও যাচাই করতে পারেনি।

    আরও পড়ুন:‘ভারতীয়রা আপনার অপেক্ষায়’, কমলা হ্যারিসকে 'সত্যিকারের বন্ধু, অনুপ্রেরণার উৎস' বললেন মোদি...

    দারং পুলিশ সুপার সুশান্ত বিশ্ব শর্মা, মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার ছোট ভাই দাবি করেছেন, বিক্ষোভকারীরা  (Assam Evacuation) ধারালো অস্ত্র দিয়ে পুলিশ কর্মীদের এবং উপস্থিত জনতার উপর পাথর ছুঁড়ে মেরেছে। এরপরেই গুলি চলে। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছে এবং সংঘর্ষে পুলিশ-সহ আরও ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    এই ঘটনায় উচ্চপর্যায়ে তদন্ত করতে কমিটি গঠন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। যদিও বিরোধীদের অভিযোগ, ‘পর্যাপ্ত পুনর্বাসন না দিয়েই এই উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে অসম সরকার।‘

    আরও পড়ুন: সর্বশিক্ষা অভিযান মিশনের জন্য শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা শুরু, কীভাবে আবেদন করবেন!

    সরকারি সূত্রে দাবি, এখনও পর্যন্ত ৮০০ পরিবারকে উচ্ছেদ করা সম্ভব হয়েছে। সিপাইঝারের ঢোলপুর-১ এবং ঢোলপুর-২ গ্রামের প্রায় সাড়ে ৪ হাজার বিঘা জমি অবৈধ ভাবে জবরদখল করে রেখেছিল এই জবরদখলকারীরা। পুলিশ সূত্রের খবর, সিপাইঝারের এই এলাকা মুসলিম অধ্যুষিত এবং অধিকাংশ বাংলাভাষী।

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: