• Home
  • »
  • News
  • »
  • local-18
  • »
  • জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা পালিত হল হেতমপুরের গৌরাঙ্গ মন্দিরে

জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা পালিত হল হেতমপুরের গৌরাঙ্গ মন্দিরে

জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা পালিত হল হেতমপুরের গৌরাঙ্গ মন্দিরে

জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা পালিত হল হেতমপুরের গৌরাঙ্গ মন্দিরে

জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা পালিত হল হেতমপুরের গৌরাঙ্গ মন্দিরে

  • Share this:

    মাধব দাস, বীরভূম : রথ যাত্রার ১৫ দিন আগে রীতি মেনে জগন্নাথ দেবের সঙ্গে সঙ্গে সুভদ্রা ও বলরামের স্নানযাত্রা পালিত হয়ে থাকে। বর্তমান কোভিড কালেও রীতিতে যাতে কোনরকম ত্রুটি না হয় তার জন্য এই স্নান যাত্রা পালিত হলো বীরভূমের হেতমপুরের গৌরাঙ্গ মন্দিরে। তবে যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে যাওয়ার মতো কোনো রকম পরিস্থিতি তৈরি না হয় তার জন্য মন্দির কর্তৃপক্ষ ভক্তদের একপ্রকার আসতে নিষেধই করেছিলেন, হাতেগোনা কয়েকজনকে নিয়েই এদিন এই জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা পালন করা হলো।

    অন্যদিকে মন্দির কর্তৃপক্ষ ভক্তদের মন্দিরে আসতে নিষেধ করলেও তারা যাতে জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা দেখা থেকে বঞ্চিত না হন তার জন্য আধুনিক পদ্ধতিকে বেছে নিয়েছিলেন। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই স্নানযাত্রার লাইভ টেলিকাস্ট করা হয় মন্দিরের ফেসবুক পেজে। গত ববছর নেত্রোৎসবের সময়ও এই একই পদ্ধতি অবলম্বন করেছিলেন মন্দির কর্তৃপক্ষ।

    এদিন এই স্নান যাত্রা উপলক্ষে জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রাকে মন্দির থেকে মণ্ডপে নিয়ে এসে স্নান করানো হয়। স্নান করানোর পর পুনরায় মন্দিরে প্রবেশ করানো হয়। আর এদিন থেকেই রথযাত্রা আগের দিন পর্যন্ত কোন ভক্ত জগন্নাথ দেবের দর্শন করতে পারবেন না। এই দর্শন করতে না পারার কারণে রয়েছে কথিত কাহিনী। কথিত কাহিনী অনুসারে স্নান যাত্রার পর জগন্নাথ দেব অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থ হয়ে পড়ার দরুন রাজবৈদ্যর চিকিৎসাধীনে গোপনে একটি সংরক্ষিত কক্ষে রাখা হয়। জগন্নাথ দেবের এই অসুস্থতার পর্যায়টি অনসর নামে পরিচিত। এও কথিত আছে, রাজবৈদ্যের আয়ুবৈদিক পাচন খেয়ে এক পক্ষকালের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠেন। তারপর ভক্তরা আবার তাকে দর্শন করতে পারেন।

    প্রসঙ্গত, হেতমপুর রাজবাড়ী এই রথ শতাব্দী প্রাচীন। এক সময় এই রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে অন্যান্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো। তবে ধীরে ধীরে রাজার পাট উঠে যাওয়ার সাথে সাথেই সেইসব অনুষ্ঠানও অমিল হয়ে পড়ে। তবুও দীর্ঘদিন ধরে এই রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে এলাকায় একটি গ্রাম্য মেলা হয়ে আসছিল। তবে তাও সম্প্রতি করোনা পরিস্থিতির জন্য বাতিল হয়েছে গত দু\'বছর ধরে।

    অন্যদিকে দুবরাজপুর ব্লকের হেতমপুরের এই গৌরাঙ্গ মন্দির যেখানে হেতমপুর রাজবাড়ী থেকে ব্রিটিশ আমলের পিতলের রথ আসে, সেই রথও করোনা পরিস্থিতির কারণে গত বছর থেকে বন্ধ হয়ে রয়েছে। গৌরাঙ্গ মন্দিরের দায়িত্বে থাকা গৌরাঙ্গ মঠ গত বছর জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রাকে তাদের স্যান্ট্রো গাড়িতে ছড়িয়ে রথযাত্রা উদযাপন করে। তবে এই বছর কিভাবে রথযাত্রা উদযাপন করা হবে তা সময়ই জানাবেন বলে জানিয়েছেন গৌরাঙ্গ মঠের শীর্ষ সেবক ত্রিদন্ডী মহারাজ।

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published: