• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • বিদ্যুতের বিল কমানোর ২০-টি অব্যর্থ টিপস! ফল হাতেনাতে

বিদ্যুতের বিল কমানোর ২০-টি অব্যর্থ টিপস! ফল হাতেনাতে

representative image

representative image

বিদ্যুৎ ব্যবহারের সময় আমরা ভুলে যাই প্রতিমুহূর্তে মিটার উঠছে। ভুলে যাই, সাধারণ কিছু নিয়ম মেনে চললেই কমতে পারে বিদ্যুতের বিল। কী করে? রইল তারই হদিশ

  • Share this:
    #কলকাতা: বিদ্যুৎ ব্যবহারের সময় আমরা ভুলে যাই প্রতিমুহূর্তে মিটার উঠছে। ভুলে যাই, সাধারণ কিছু নিয়ম মেনে চললেই কমতে পারে বিদ্যুতের বিল। কী করে? রইল তারই হদিশ- ১) বাল্ব বা টিউব লাইট নিয়মিত পরিস্কার করুন। ২) লোডশেডিংয়ের সময় সমস্ত ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্স প্লাগ থেকে খুলে রাখুন। না হলে কারেন্ট এলে এক ঝটকায় বিল চড়চড় করে বাড়বে। ৩) যদিও আজকালকালকার মডার্ন ফ্ল্যাটে কনসোল ওয়্যারিং, বদলাতে হলে অনেক ঝঞ্জাট! দেওয়াল চটিয়ে ওয়্যারিং পালটাতে হয়! কিন্তু তাও, ১০ বছর বাদে বাদে নতুন ওয়্যারিং করা দরকার। ৪) ওয়্যারিং করার সময় ভাল তার ব্যবহার করুন। কারেন্ট কম পুড়বে। ৫) ফ্রিজের দরজা বাড়ে বাড়ে খুলবেন না। এতে কারেন্ট অনেক বেশি পোড়ে। আরও পড়ুন-

    দুধ ও কলা একসঙ্গে খাওয়ায় হতে পারে বিপদ!

    ৬) ফ্রিজের নীচে বা পিছনে থাকা কন্ডেনসার কয়েলটি ভ্যাকিউম ক্লিন করুন। ময়লা জমে থাকলে, ইলেকট্রিক বিল প্রায় ২৫ শতাংশ বেড়ে যায়। ৭) টিভি, কম্পিউটার কখনওই স্ট্যান্ড বাই মোড-এ রাখবেন না। চলাকালীন যত না কারেন্ট পোড়ে, এই অবস্থায় রাখলে তার থেকে ৯০ শতাংশ বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়। ৮) বাড়িতে আলোর ব্যবস্থা বদলে ফেলুন। যে-ঘরে একটা টিউবে চলে যায়, সেই ঘরে একটা ১৮ পাওয়ারের সিএফএল লাগিয়ে নিন। যে জায়গায় পর্যাপ্ত আলোর প্রয়োজন নেই, সেখানে ৮ থেকে ৯ ভোল্টের আলো লাগান। এলইডি বালব-ও ব্যবহার করতে পারেন। ১.৫ থেকে ৭ ভোল্টের বালব পাওয়া যায় বাজারে। দাম একটু বেশি, কিন্তু লাগালে সিএফএল-এর থেকেও কম কারেন্ট পোড়ে। আরও পড়ুন-

    কী ভাবে ঘরেই তৈরি করবেন সানস্ক্রিন লোশন ? জেনে নিন

    ৯) একান্ত বৃষ্টি না পড়লে, কাপড়-জামা কাচার পর শুকোতে ওয়াশিং মেশিনের ড্রায়ার ব্যবহার করবেন না। ১০) কাজ না করলে, কম্পিউটারের মনিটর অফ করে রাখুন। ১১) টিভি সবসময় মেন সুইচ থেকে অফ করুন। রিমোট থেকে নয়। ১২) এসি'র তাপমাত্রা ২৪ থেকে ২৬-এর মধ্যে রাখুন। ১৩) বাড়ির বাইরে যাওয়ার অন্তত আধঘণ্টা আগে এসি বন্ধ করুন। ১৪) লাইট, এসি ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রের জন্য প্লাগ-ইন টাইমার লাগিয়ে নিতে পারেন। এতে যতটা প্রয়োজন, ততটাই বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়। ১৫) পাঁচ বছর অন্তর পাখা, লাইট ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ছোটখাটো বৈদ্যুতিক সামগ্রী বদলানোর চেষ্টা করুন। আরও পড়ুন- 

    ব্রেকফাস্টে রোজ লুচি খাচ্ছেন? বিপদ ডেকে আনছেন না তো !

    ১৬) বাড়ির এমন জায়গায় ফ্রিজ রাখুন, যেখানে ঠিকভাবে হাওয়া চলাচল করে। ফ্রিজের গায়ে যেন রোদ না পড়ে, কারেন্ট বেশি পুড়বে। ১৭) সাধারণ রেগুলেটরের জায়গায় ইলেকট্রনিক রেগুলেটর লাগাতে পারেন। ১৮) মারকারি ভেপার ল্যাম্পের বদলে সোডিয়াম ভেপার ল্যাম্প ব্যবহার করুন। ১৯) যদি সুযোগ থাকে, সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের চেষ্টা করুন। ২০) এনার্জি-সাশ্রয় যন্ত্র কিনুন। বাজারে এনার্জি-সাশ্রয় আভেন, আয়রন, ফ্রিজ, এয়ারকন্ডিশন পাওয়া যায়।
    First published: