• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • Rice water : ভাতের ফ্যান রোজ ফেলে দেন? এক বার দেখুন কোন কোন উপকারিতা হেলায় হারাচ্ছেন

Rice water : ভাতের ফ্যান রোজ ফেলে দেন? এক বার দেখুন কোন কোন উপকারিতা হেলায় হারাচ্ছেন

বিশ্বের একাধিক সভ্যতায় প্রাচীন কাল থেকে বিভিন্ন ভাবে ভাতের ফ্যান ব্যবহৃত হয়ে আসছে

বিশ্বের একাধিক সভ্যতায় প্রাচীন কাল থেকে বিভিন্ন ভাবে ভাতের ফ্যান ব্যবহৃত হয়ে আসছে

একাধিক উপকারিতা আছে এই তরলের (benefits of rice water)৷ আসুন, সেগুলি সম্বন্ধে জেনে নিই এক এক করে৷

  • Share this:

    আকালের সময় তুঙ্গে ওঠা ভাতের ফ্যানের (rice water) চাহিদার কথা আমরা পড়েছি সাহিত্যে৷ বিভিন্ন পুষ্টির আধার ভাতের ফ্যান জামাকাপড় কড়কড়ে রাখার জন্য মাড় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়৷ এছাড়াও একাধিক উপকারিতা আছে এই তরলের (benefits of rice water)৷ আসুন, সেগুলি সম্বন্ধে জেনে নিই এক এক করে৷

    বিশ্বের একাধিক সভ্যতায় প্রাচীন কাল থেকে বিভিন্ন ভাবে ভাতের ফ্যান ব্যবহৃত হয়ে আসছে৷ আধুনিক শহুরে জীবনে বেশি প্রচলিত না হলেও ভাতের ফ্যান বা রাইস ওয়াটার ব্যবহৃত হয় খনিজ, পুষ্টিকর কার্বোহাইড্রেটসের উৎস হিসেবে৷ প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস ভাতের ফ্যান পান করলে দিনভর তা কাজ করে শক্তির উৎস হিসেবে৷

    ফেনা ভাত খাওয়ানো যেতে পারে শিশুদেরও৷ বাজারচলতি শিশুখাদ্যের তুলনায় এর উপকারিতা কিছু কম নয়৷ হজম করা সুবিধেজনক৷ বাচ্চাদের শক্তি দেয় ভাতের ফ্যান৷ দূর করে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও৷

    আরও পড়ুন : শীতে শুষ্ক ত্বকের ঝক্কি কমাতে নিয়মিত খান এই খাবারগুলি

    জামাকাপড়ের মাড় হিসেবে ভাতের ফ্যানের ব্যবহার জানেন বাঙালিমাত্রই৷ কাচা জামাকাপড় ফ্যানে ডুবিয়ে তার পর রোদে দিয়ে কড়কড়ে করে তুলে রাখাই একসময় দস্তুর ছিল ঘরে ঘরে৷ এখন বাজারে বোতলবন্দি স্টার্চ হাজির৷ কিন্তু অনেক বাড়িতে এখনও কাচা জামাকাপড় কড়কড়ে রাখতে ভরসা ভাতের ফ্যানই৷

    শুধু জামাকাপড়ই নয়৷ ভাতের ফ্যান যত্ন রাখে আপনার ত্বকেরও৷ ব্রণ ও অ্যাকনের পুরনো দাগের উপর দিতে পারেন ভাতের ফ্যান৷ ওপেন পোরস কমানোর জন্য ভাতের ফ্যানই হবে আপনার টোনার৷ রাইস ওয়াটার বা ভাতের ফ্যানে ডুবিয়ে নিন কটন বল৷ তার পর সেটি দিয়ে আলতো হাতে মুছে নিন সারা মুখ৷

    আরও পড়ুন: আপনার দু’টি চোখ বাঙ্ময় করে তুলতে পরুন বাড়িতে পাতা কাজল, তৈরি করা খুবই সহজ

    চুলের সমস্যা দূর করতে ভাতের ফ্যান সম্ভবত সবথেকে কম খরচের ঘরোয়া টোটকা৷ সারা চুলে ভাতের ফ্যান লাগিয়ে অপেক্ষা করুন ২০ মিনিট৷ তার পর মাইল্ড শ্যা্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন৷ জবাফুলের পাপড়ির নির্যাস এবং ভাতের ফ্যান মিশিয়ে তৈরি করতে পারেন হেয়ারটনিকও৷ চুলে এবং স্ক্যাল্পে স্প্রে করুন এই মিশ্রণ৷ তার পর ধুয়ে নিন৷ চুল ঝলমলে রাখার পাশাপাশি চুল পড়ার সমস্যা থেকেও মুক্তি দেয় এই টোটকা৷

    গরমকালে ভাতের ফ্যান আপনার শরীরের ইলেকট্রোলাইট লেভেল বজায় রাখে৷ গরম এবং আর্দ্র ঋতুতে শরীরে হাইড্রেশনের মাত্রা ঠিক রাখা এবং হৃত পুষ্টিগুণ ফিরিয়ে দেওয়াও ভাতের ফ্যানের বৈশিষ্ট্য৷

    আরও পড়ুন: রুটি নাকি ব্রাউন ব্রেড? কোনটা খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী?

    সমপরিমাণ ভাতের ফ্যান, গোলাপজল ও গ্লিসারিন মিশিয়ে নিন একটি বোতলে৷ তার পর তাতে যোগ করুন অরেঞ্জ এসেনশিয়াল অয়েল৷ খুব ভাল করে মিশিয়ে এটি ব্যবহার করুন ফেস সিরাম হিসেবে৷

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published: